শিরোনাম
◈ ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ শেষের পথে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড, খুলছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার ◈ ১০ টাকার নোটের দাম ২০ হাজার, সুন্দরবনে দস্যুদের অভিনব চাঁদাবাজি ◈ সঙ্গীসহ বিনামূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ আট দিন ঝুপড়িতে বন্দি, পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ; কাঁচা কদু-ডাল খাইয়ে হাতে-পায়ে শিকল, যেভাবে পাহাড়ে চলত মানবপাচার ◈ এবার হবিগঞ্জে জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি ◈ পুলিশি হামলার বিচার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ◈ কারাগারের নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা, সিসিটিভি নজরদারি ও আকস্মিক পরিদর্শন বাধ্যতামূলক ◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০২:৫৬ রাত
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০২:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাতে ভ্যানগাড়িতে চড়ে টার্গেট বাসায় যায় চোররা, গ্রিল কেটে প্রবেশ

বিপ্লব বিশ্বাস: গভীর রাতে শহরে নামে ভ্যান। পূর্ব নির্ধারিত বাড়ির মালামাল লুটে নিয়ে যায় চোরদের সদর দপ্তরে।ভ্যানে একদল চোর। গভীর রাতে বেরিয়ে পড়ে শহরে। বাছাই করা বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে নেমে যায় সবাই। কেবল আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকে ভ্যান চালক। তারপর জানালা খুলে গ্রিল ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে দুজন। মালামাল নিয়ে বেরিয়ে আসে চোরেরা। ফোন পেয়ে আবার ঝুড়ি বোঝাই ভ্যান নিয়ে ফিরে আসে চালক। চুরির মাল ভ্যানে তুলে দিয়ে যার যার মতো সটকে পড়ে অন্যরা। ভ্যান চলে যায় চোরদের সদরদপ্তরে। এই চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। প্রথমে টার্গেট বাড়ির সামনে থাকে একদল চোর। ঢোকার আগে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে ব্যস্ত।

তারপর দেয়াল বেয়ে সর্ম্পূণে নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটের দিকে চোর-চক্র। গ্রিল কাটার যন্ত্রপাতি ব্যাগে। আরেকটি ব্যাগ মালামাল ভরে আনার জন্য। কিছুক্ষণের মধ্যেই জানালা খুলে গ্রিল কেটে ঢুকে যায় দুজন। ল্যাপটপ, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা চুরিতে আগ্রহ বেশি। বাইরে পাহারায় আরও কয়েকজন। অভিযান শেষে মালামাল নিয়ে নেমে ভ্যানে তুলে দেয়া হয়। তারপর সবাই যার যার মত চলে যায়। আর মালামাল নিয়ে চোরদের সদরদপ্তর আদাবরে চলে যায় ভ্যানচালক। চোরাই মাল বিক্রি করে পাওয়া টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগভাটোয়ারা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চোর দলের সদস্য মানিক বলেন, আমি ভ্যান গাড়িতে চোর নিয়ে ঘুরি। তারপর যে বাড়ি টার্গেট করা হয় ওই বাড়ির সামনে যাই। ওরা ওদের কাজ করে পরে আবার গিয়ে মালামালসহ ওদের নিয়ে চলে আসি। ছয় চোরকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, চার বছর ধরে ফাঁকা বাসায় চুরিতে জড়িত সংঘবদ্ধ এই চক্রটি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (তেজগাঁও বিভাগ) উপ কমিশনার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, রাতে টহল পুলিশকে এড়ানোর জন্যই এই চক্রটি ভ্যান গাড়ির ব্যবহার করে এই অভিনব কায়দায় চুরি করে থাকে। আমরা তাদের কাছ থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করেছি। এছাড়া যার কাছে চুরির মাল বিক্রি করে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চুরিতে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনছে পুলিশ। রাজধানীতে এমন আরও কয়েকটি চোর চক্র রয়েছে। তাদেরও ধরতে অভিযান চলছে।

  • সর্বশেষ