প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরাইল-অরুয়াইল সড়ক এখন মরণ ফাঁদ, জনদূর্ভোগ চরমে

তৌহিদুর রহমান নিটল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-অরুয়াইল আঞ্চলিক সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার অধিকাংশ স্থান খানাখন্দে ভরে গেছে। দীর্ঘদিন যাবত সংস্কারে অভাবে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল এই দুই ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির চরম আকার ধারণ করেছে। খানাখন্দ আর দুপাশে মাটি সরে যাওয়ায় সড়কটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

এলজিইডি উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,  সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ কিলোমিটার। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর গত অর্থবছরে সড়কের সরাইল সদর থেকে চুন্টা ইউনিয়ন পর্যন্ত ৮কিলোমিটার ও কালিশিমুল এলাকা থেকে অরুয়াইল ইউনিয়নের সীমানা পর্যন্ত ৪কিলোমিটার কার্পেটিংসহ সংস্কার করা হয়। ওই সড়কের মাঝখানে হাওর এলাকা চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রাম থেকে পাকশিমুল ইউনিয়নের ভূইশ্বর গ্রামের বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েই গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে আর ভুক্তভোগী এলাকাবাসির সাথে জানা যায়, সরাইল-অরুয়াইল সড়কের দুই প্রান্তে সংস্কার করা হয়েছে। আর এ অপরিকল্পিত-কান্ডজ্ঞানহীন কাজের খেসরাত দিচ্ছে জনসাধারণ। উপজেলার সরাইল-অরুয়াইল সড়কের চুন্টা ঘাগড়াজোর ব্রীজ থেকে ভুইশ্বর বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের বেহাল দশার জন্য এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন।জরাজীর্ণ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করলেও বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও রোগীদের আনা-নেওয়ায় দূর্ভোগের শেষ নেই। সময়মতো রোগীকে হাসপাতালে পৌছাতে যেমন চরম বেগ পেতে হচ্ছে, তেমনি প্রসূতি মায়েদের চলাচলে চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সিএনজি অটোরিকশা চালক মোশারফ মিয়া ও রফিক বলেন, সড়কটি একাংশের শোচনীয় অবস্থার জন্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করছেন। ফসল কাটার মৌসুমে গ্রামের মানুষ হাওর থেকে পরিবহন করতে পারে না তাদের ফসল, এলাকার কোথাও আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে পারে না। অরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, সরাইল-অরুয়াইল রাস্তাটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।

কিন্তু রাস্তার মাঝখানের প্রায় দুই কিলোমিটার সংস্কার না করায় মানুষের দূর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।সরাইল উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মোছা:  নিলুফা ইয়াছমিন বলেন, সরাইল-অরুয়াইল রাস্তার প্রায় দুই কিলোমিটার সংস্কার কাজ বাকি রয়েছে। এটুকু ডিজাইন সিটে রয়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে সব জানিয়েছি এবং সব পাঠিয়ে দিয়েছি। বিল পাস হলে অতি শীঘ্রই  কাজ করানো হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত