প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কোর্টেই দেখা হবে বলছেন দেবলীনা, তরুণজ্যোতির হুঁশিয়ারি !

হ্যাপি আক্তার: [২] আমি ওনাকে কোর্টেই দেখে নেব।’ বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সম্পর্কে এমনটাই মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত মুখোপাধ্য়ায়। হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করেন তরুণজ্যোতি।

[৩] গোটা ঘটনার সূত্রপাত একটি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো-তে দেবলীনা দত্তের একটি মন্তব্যকে ঘিরে। অভিনেত্রী জানান, নিজে নিরামিষাশি হলেও, তিনি গরুর মাংস রান্না করতে পারেন। এরপরই সঙ্গীতশিল্পী অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়কে তিনি অষ্টমীর দিন তাঁর বাড়িতে গোরুর মাংস খেতে আসার আমন্ত্রণ জানান। ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দু ধর্মের আবেগে আঘাত করেছেন দেবলীনা। এই মর্মে দেবলীনা এবং অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে সরব হন অভিনেত্রী দেবলীনা।

[৪] এই সময়কে দেবলীনা দত্ত বলেন, ‘আমাকে লাগাতার প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হচ্ছে আমাকে গণধর্ষণ করা হবে। মাথা কেটে ফুটপাথে ফেলে দেয়া হবে।’ তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করায় নিরাপদ বোধ করছেন দেবলীনা।

[৫] তিনি বলেন, ‘এটা যে ওঁর নজরে পড়েছে, তাতে আমি খুবই খুশি এবং কৃতজ্ঞ। আমি এতো বছর ধরে কলকাতা শহরে বাস করছি। কোনওদিন এমন হুমকি পাইনি। এমন ঘটনা ঘটেনি আমার সঙ্গে। তবে আমার মনে হয়, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যখন বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, অর্থাৎ ওঁর নজরে ঘটনাটি এসেছে, তখন উনি যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। তাই আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করছি। আমায় যতোই গণধর্ষণ করার কিংবা প্রাণ নাশের হুমকি দেয়া হোক না কেন, আমি নিরাপদ থাকব।’

[৬]এদিকে, দেবলীনাকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। আইনি পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খুব ভালো কথা। স্বাগত জানাচ্ছি। কোর্টে ওঁকে তো যেতেই হবে। কোর্টেই দেখা হবে। আমি কিন্তু বাংলা সিরিয়ালের আইনজীবী নই।’ তরুণজ্যোতির অভিযোগের তীরে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতার কথায়, ‘আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিন্দু-বিরোধী। সায়নী যে ধরনের পোস্ট করেছেন, সেটা যদি মহম্মদকে নিয়ে করতেন, তাহলে এখনই গ্রেপ্তার হয়ে যেতেন। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ এই অভিনেত্রীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাই বেঁচে যাচ্ছে। কে কার রান্নাঘরে কী রান্না করছে, কী খাচ্ছে তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই কিন্তু মিডিয়াতে এসে অষ্টমীর দিন গোরু খাওয়াকে প্রোমোট করেছেন দেবলীনা। সবটাই করেছেন ইচ্ছাকৃতভাবে। যা আমার হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করেছে। এরা আবার নিজেকে বাংলার সংস্কৃতির ধারক-বাহক মনে করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত