প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভাইরাসের মিউটেন্ট দ্রুত পরিবর্তন হলেও টার্গেট পরিবর্তনের উপায় নেই: ড. আসিফ মাহমুদ

শরীফ শাওন: [২] জানুয়ারিতেই শুরু হবে ‘বঙ্গভ্যাক্স’ করোনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, জুনের মধ্যে বাজারজাতকরণের আশ্বাস জানিয়েছেন গ্লোব বায়োটেকের ব্যবস্থাপক।

[৩] কন্ট্রাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) হিসেবে নিযুক্ত ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অরগানাইজেশন (সিআরও) বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল এবং জনবল গঠন করেছে। হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য আগামী সপ্তাহে তারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে (ডিজিডিএ) আবেদন করবে বললেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড’র ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

[৪] মহিউদ্দিন জানান, সিআরও’কে হিউম্যান ট্রায়ালের অনুমোদন দেয়া হলে তারা ভলেন্টিয়ার নিয়োগ দেবে। তাদের চাহিদ অনুযায়ী আমাদের ফেসিলিটিতে ড্রাগ উৎপাদন শুরু করবো। ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরিতে সকল উপাদান প্রস্তুত রয়েছে। চাওয়া মাত্রই তা সরবরাহ করা যাবে। ডোজ তৈরিতে ঔষধ প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলে ২৮ ডিসেম্বর তারা অনুমোদন দেন।

[৫] সম্প্রতি শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) গবেষণায় জানানো হয়, সম্প্রতি ভাইরাসটির নমুনা পরীক্ষায় প্রোটিন লেভেলে ৪৭টি পরিবর্তন পাওয়া যায়। এর মধ্যে দেশিয় ছাড়াও বৈশ্বিকভাবে সম্পুর্ন নতুন মিউটেশন (Genome: 27862 : Del : ATCAT) পরিলক্ষিত হয়।

[৬] বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুল হক প্রধান বলেন, বৈশ্বিক ডাটাবেজ থেকে কালেক্ট করে আমাদের ফাইন্ডিংসগুলো জানিয়েছি, যা বৈশ্বিকভাবে ব্যবহার করে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব হবে। ডাটাগুলো জার্নালে প্রকাশের কাজ চলছে। যারা বাজারে ভ্যাকসিন নিয়ে আসছে তাদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এইড’স এর ভ্যাকসিন নিয়ে এখনো কাজ চলছে, তেমনি করোনা ভ্যাকসিন কার্যকর করতে আরও কাজ করতে হবে।

[৭] প্রতিষ্ঠানটির গবেষনা বিভাগের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ বলেন, তাদের জেনম সিকুয়েন্সটা ডাটাবেসে সাবমিট করলে পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে। নতুন মিউটেশনগুলো নিউট্রালাইজেশন বা ইনফেকশনে কোন প্রভাব ফেলে কিনা তা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

[৮] ভাইরাসটির ৬১৪ নম্বর পজিশনের মিউটেশনকে টার্গেট করে বঙ্গভ্যাক্স তৈরি করা হয়েছে। যারা আগে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছেন, তারা এটাকে টার্গেট হিসেবে রাখতে পারেনি। তারা রিসার্চ করে জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিন এই টার্গেটের বিপরীতেও কাজ করে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত