শিরোনাম
◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ চাকরির ফাঁদে বাংলাদেশিদের রাশিয়ার যুদ্ধে পাঠানোর প্রমাণ পেল জাতিসংঘ ◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৩৮ সকাল
আপডেট : ০২ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৩৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাদ্রাসায় বলাৎকার : চাচার প্ররোচনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে ছেলেটি! ক্ষমা চাইলেন বাবা

ডেস্ক রিপোর্ট : চাঁদপুরের কচুয়ায় মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেই শিক্ষক নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন অভিযোগ তোলা শিক্ষার্থীর বাবা। ভুক্তভোগী শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পেছনে সেই শিক্ষার্থীর চাচার ষড়যন্ত্র ছিল বলে জানিয়েছেন তার বাবা।

ইসলাম টাইমসকে এ তথ্য জানিয়েছেন সাতবাড়িয়া তালিমুল কুরআন মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা হোসাইন আহমাদ।

 

মাওলানা হোসাইন আহমাদ বলেন, সেই ছেলের বাবা জানিয়েছেন, পড়াশোনায় অমনযোগীতা ও চাপ বোধের কারণে ভুক্তভোগী শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাচার প্ররোচনায় এই অভিযোগ তোলে ছেলেটি। শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার পেছনে সেই শিক্ষার্থীকে তার ষড়যন্ত্রকারী চাচাই প্ররোচনা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর বাবা রিপন আলী।

ক্ষমা চাওয়ার সময় ছেলেটির বাবা অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য কেঁদে ফেলেন। শুরুতে তিনি নির্যাতনের শিকার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করতে রাজি ছিলেন না বলে জানান। পরবর্তী ভাইয়ের প্ররোচণায় মামলা করেন।

গতকাল (১ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় কচুয়া জামিয়া আহমদিয়ার মুহতামিম মাওলানা আবু হানিফার নেতৃত্বে মাদরাসার এক মিটিং-এ সাংবাদিক, আইনজীবীদের সামনে সিসি টিভি ফুটেজ দেখানো হয়। যেখানে ষড়যন্ত্রের শিকার সেই শিক্ষক নিদোর্ষ প্রমাণিত হন। এই মিটিং-এ এসব জানান সেই শিক্ষার্থীর বাবা।

সূত্রমতে জানা যায়, সেই শিক্ষার্থীর চাচা আমিনুল ইসলাম শিপন এলাকায় কিছুটা প্রভাবশালী ও ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত। এলাকায় কওমী মাদরাসাকে তিনি পছন্দ করেন না।

সূত্র জানায়, উস্তাদের নামে অভিযোগ তোলা শিক্ষার্থীটি অন্যান্য ছেলেদের তুলনায় পড়াশোনায় অমনোযোগী ও দুষ্ট। কিছুদিন আগে দুষ্টামির কারণে উস্তাদ তাকে শাসন করলে বাড়িতে গিয়ে সে অভিযোগ করলে তার চাচা আমিনুল ইসলাম শিপন এলাকার কয়েকজন গুণ্ডাকে নিয়ে মাদরাসায় হুজুরকে মারধরের জন্য আসেন। তখন মুহতামিম সাহেব সবাইকে বসিয়ে বিষয়টির মিমাংসা করেন। তারা সুযোগ না পেয়ে চলে যায়।

এর কিছুদিন পর ওই ছেলে রেহাল নিক্ষেপ করে দুষ্টুমি করে। উস্তাদ এসে তাকে ধমক দিলে চাচার প্ররোচণা ও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উস্তাদের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ তোলে ছেলেটি।

ইতিপূর্বে আলেম বিদ্বেষ থাকলেও তা প্রকাশের কোন সুযোগ না পাওয়ায় সেই ছেলের অভিযোগকে ভিত্তি করে ছেলেটির চাচা এলাকাবাসীকে উস্কে দেয়। মাদরাসায় আক্রোমণ করে সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং সেই উস্তাদের উপর নির্যাতন করে।
সুত্র- ইসলামটাইমস

  • সর্বশেষ