প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] যানজট নিরসনে দ্রুত গতিতে চলছে মেগা প্রকল্প
 [২] পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে কাঙ্খিত মাইলফলক অর্জন করেছি: প্রধান প্রকৌশলী

শরীফ শাওন: [৩] প্রধান প্রকৌশলী কাজী ফেরদৌস বলেন, ২০২১ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ভিশন- ২০৪১ অনুযায়ী সেতু কর্তৃপক্ষের মেন্ডেট অনুযায়ী যেসকল কাজ প্রয়োজন তা আমরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবহন খাতে ব্রিজ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও সাবওয়ে টানেল নির্মাণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

[৪] কর্ণফুলি নদীর নিচ দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের কাজ চলছে। চীন-বাংলাদেশের চুক্তির মাধ্যমে অর্থায়ন করা প্রকল্পটিতে জিটুজি পদ্ধতিতে কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণ কাজে রয়েছে স্বনামধন্য চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সিসিসি। কাজের মান নির্ধারণে কনসাল্টেন্ট ছাড়াও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন দক্ষ জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

[৫] কাজী ফেরদৌস আরও জানান, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চলমান রয়েছে, যা মার্চ ২০২১ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। একই সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল, পদ্মা বহুমুখি সেতু, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পসমুহ জনগণের ব্যবহারে উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। গাজীপুর-ঢাকা করিডোরে বিআরটি প্রকল্প চলমান, একাংশ এলিভেটেড এক্সপ্রেস নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২২ সালের মধ্যে নির্মিত হবে। যানজন নিরসনে আশুলিয়া এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে, ঋণ চুক্তিও নিকট ভবিষ্যতে স্বাক্ষর করবে চীন সরকার। ২০২৫ সালের মধ্যে ব্যবহার উপযোগী করা হবে। এছাড়াও ঢাকা শহরে ২৫৩ কি.মি. সাবওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৭০ সাল মেয়াদি এই প্রকল্পের বিভিন্ন মেয়াদে বিভিন্ন লাইন নির্মাণ করা হবে।

[৬] বিজয় মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে জনগণকে ট্রাফিক জ্যাম থেকে মুক্ত এবং দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। সম্পাদনা : রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত