প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ফাইনালে খুলনার প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম

রাহুল রাজ: [২] শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করার পর প্রথম কোয়ালিফায়ারে জেমকন খুলনার কাছে হেরে অস্বস্তিতে ছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। এখন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের সফল দলটি ফাইনালে ওঠার দ্বিতীয় সুযোগ নষ্ট করেনি। ১৫ ডিসেম্বর মিরপুরের শেরে-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বেক্সিমকো ঢাকাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপার লড়াই নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ মিথুনের দল, যেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় খুলনা।

[৩] লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। লিটন দাশ ও মিথুনের ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংসে ৫ বল বাকি থাকতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জিতে যায়। ৩ উইকেটে তারা ১১৭ রান করে। আগামী ১৮ ডিসেম্বর ফাইনাল খেলবে এই টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচ খেলে কেবল দুটি হারা চট্টগ্রাম।

[৪] সপ্তম ওভারের শেষ বলে ৪৪ রানে লিটন ও সৌম্য সরকারের জুটি বিচ্ছিন্ন হয়। ২৩ বলে ৫ চারে ২৭ রান করে বিদায় নেন সৌম্য। পরে লিটনের সঙ্গে মিথুনের পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটিতে সহজ জয়ের পথ তৈরি করে চট্টগ্রাম। যদিও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি দুজনের কেউ। লিটন ৪৯ বলে চারটি চারে ৪০ রানে আউট হন। মিথুনের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৫৭ রানের। লক্ষ্য থেকে ৯ রান দূরে থাকতে লিটন মাঠ ছাড়েন ৩৫ বলে ৩৪ রান করে। দল যখন জয়ের বন্দরে পৌঁছায়, তখন শামসুর রহমান ৯ ও মোসাদ্দেক হোসেন ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

[৫] মিরপুরে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা ঢাকা অলআউট হয় ১১৬ রানে। মোস্তাফিজুর রহমানের কারিশমায় ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ঢাকার কোনও ব্যাটসম্যানই ভালো করতে পারেননি। ১৯তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান টানা দুই বলে আল-আমিন ও নাসুম আহমেদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেছিলেন।

[৬] চট্টগ্রামের বাঁহাতি পেসার ৩২ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট। আরেক বাঁহাতি শরীফুল ইসলাম নেন ২ উইকেট। এছাড়া ২২ গজে হাত ঘোরানো রাকিবুল হাসান, নাহিদুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন ও সৌম্য সরকারও পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

[৭] ঢাকার হয়ে ২৫ রানের দুইটি ইনিংস খেলেছেন মুশফিকুর রহিম ও আল-আমিন হোসেন। থিতু হলেও তারা কেউ বড় রান করতে পারেননি। হাসেনি সেঞ্চুরিয়ান নাঈম শেখের ব্যাট। তিনে নেমে করেছেন ১২ রান। তবে তার সঙ্গেই ৩১ রানের সেরা জুটিটা গড়েন মুশফিক। এছাড়া ২৪ রান করেছেন ফর্মে থাকা ইয়াসির আলী। তার সঙ্গে অধিনায়কের জুটি ছিল ২৫ রানের।

[৮] তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে ১৯ রানের মধ্যে দুই ওপেনার সাব্বির রহমান (১১) ও মুক্তার আলীর (৭) বিদায় ঢাকাকে বড় ধাক্কা দেয়। এক কথায় চট্টগ্রামের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সঙ্গে অসাধারণ ফিল্ডিংয়ে ঢাকা এই বড় ম্যাচে পথ হারায়। শেষ পর্যন্ত সহজ লক্ষ্য পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাইনালে ওঠে চট্টগ্রাম।
১৮ ডিসেম্বর ফাইনালে খুলনার মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম।
ম্যাচ সেরা : মোস্তাফিজুর রহমান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত