প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্বামীর হাত-পা বেঁধে মেঝেতে ফেলে রাখেন স্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:  থেকে থেকে গোঙানির শব্দ হচ্ছিল। সন্দেহ হয় প্রতিবেশির। বাড়ির মালিককে জানান সে কথা। সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ভাড়াটিয়া নারী ও তার দুই ছেলের বাধা পান বাড়িওয়ালা। জোর করে ঘরে ঢুকে দেখলেন এক ব্যক্তিকে বেঁধে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সাহায্যে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন তিনি।

এ ঘটনায় সুভাষ নামে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সন্ধ্যা হালদার এবং তার দুই ছেলে ভিকি ও বিলাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সুভাষকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মামলা করেন। রোববার তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক অভিযুক্তদের ৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

পশ্চিমবাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের ভগবানপুর এলাকায় এ ঘটনার পর আহত অবস্থায় সুভাষকে ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়। খবরে বলা হয়েছে, যে বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে সেটির মালিক পম্পাদেবী জানান, জোর করে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে তিনি দেখেন সন্ধ্যার স্বামী সুভাষকে নাইলনের দড়ি দিয়ে কাঠের আসবাবের সঙ্গে দুই হাত-পা পিছমোড়া করে বেঁধে রাখা হয়েছে। গলা থেকে মুখ পর্যন্ত একের পর এক জড়ানো ছিল সেলোটেপ। দীর্ঘক্ষণ ওই অবস্থায় পড়ে থাকায় সুভাষ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

সুভাষ পেশায় ইলেকট্রিকের মিস্ত্রি। তিনি লক্ষ্মীকান্তপুরের বাসিন্দা। কাজের সুবাদে কলকাতার কসবা কুমোরপাড়ায় বসবাস করেন।

হাসপাতালে ভর্তি সুভাষ জানান, গত শুক্রবার রাতের খাবারের সঙ্গে তার স্ত্রী হয়ত কিছু মিশিয়ে দিয়েছিলেন। ঘুমিয়ে পড়ায় তিনি কিছু টের পাননি। তার ধারণা, স্ত্রী ও ছেলেরা মিলে তাকে খুন করতেই চেয়েছিল। খুনের কারণ হিসেবে তিনি ধারণা করছেন, তার জমা করে রাখা অর্থ অথবা পরকীয়া। কারণ, সন্ধ্যাকে সাহায্য করার মতো এক ব্যক্তিতে সন্দেহ করছেন তিনি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত