শিরোনাম
◈ বিএনপি প্রতিহিংসা নয়, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে: ড. মঈন ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ড: তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এলো নেপথ্যের কুশীলবদের নাম ◈ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত ◈ অ‌নেক ক‌ষ্টে এভারটনকে ১ গো‌লে হারা‌লো ম্যান‌চেস্টার ইউনাই‌টেড ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ, সব জেলায় চিঠি ◈ বগুড়া ও শেরপুরে উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল, আজই তফসিল ঘোষণা: ইসি ◈ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ◈ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন শেষে আগের কর্মস্থলে ফিরলেন আসিফ নজরুল ◈ ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন ◈ চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ‘সেটলিং বাণিজ্য’ ও দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা ‘মিথ্যা’ দাবি তাজুল ইসলামের

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:০৯ দুপুর
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গোলাম রাব্বানী: হঠাৎ করেেই মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুরের মুখোমুখি

গোলাম রাব্বানী: এক রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে মুফতি ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুরের সাথে দেখা, তিনি কুমিল্লা মুরাদনগরে একটি মাহফিল শেষ করে ফিরছিলেন। এতো বড় মানের একজন আলেম সাহেবকে পেয়ে প্রায় আধাঘণ্টা আলাপচারিতায় মনের অব্যক্ত প্রশ্নগুলো অকপটে করে ফেললাম। যেমন, ওয়াজ মাহফিল তো ইসলাম প্রচার ও মানুষকে হেদায়েত দানের উদ্দেশ্যে করা হয়, সেখানে বয়ান করে হাদিয়া নেয়া জায়েজ কিনা, টাকায় তো বঙ্গবন্ধুর ছবি আছে। তিনি জানালেন, যেহেতু জান বাঁচানো ফরজ, তাই জীবিকার তাগিদে এটা জায়েজ। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে যেমন সরব হয়েছেন জিয়া বা অন্যান্য ভাস্কর্য নিয়ে আওয়াজ তোলেননি কেন? স্বীকার করলেন সব ভাস্কর্য নিয়েই কথা বলা উচিত ছিলো। সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম, ২০০১-২০০৫ সারাদেশে চলচ্চিত্রের নামে যে অশ্লীল নগ্নতা ছেয়ে গেলো, দেশ টানা ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হলো তখন ঈমানি দায়বদ্ধতা থেকে এই অনাচারের বিরুদ্ধে সকল আলেম-ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন, প্রতিবাদ করেননি কেন? হুজুর তেমন কোনো সদুত্তর দিতে পারলেন না। কথা প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ভিডিও করা জায়েজ, যেহেতু এটা চলন্ত কিন্তু ছবি তোলা হারাম, এটা স্থির, প্রাণহীন। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, যে মামুনুল হক সাহেবের আওয়াজে সুর মিলিয়ে মাঠ গরম করছেন, তিনি জেনে-বুঝে নিজে যে সকল হারাম কাজ করেছেন বা করে আসছেন, যেমন নারী নেতৃত্ব হারাম জেনেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পাশে বসে ছবি তোলা, আজহারী সাহেবসহ অন্যদের নিয়ে নিজে সেলফি পোজ দেয়া আর মহানবী (স.) এর মুখভঙ্গি অর্থাৎ তিনি কীভাবে ঠোঁট নাড়তেন সেটা অনুকরণ বা অভিনয় করে দেখানো, এগুলো কি জায়েজ বা সহী কিনা, ১৪০০ বছর পূর্বে প্রাণপ্রিয় নবীজী (স.) আল্লাহর ওহী আসলে কীভাবে ঠোঁট নাড়াতেন সেটা কমপক্ষে ৩৫-৪০ জন মারফত তিনি শুনে কীভাবে অবিকৃতভাবে নকল করতে পারেন? তিনি নির্দ্বিধায় স্বীকার করলেন, মামুনুল হক সাহেব নিঃসন্দেহে এগুলো করে ভুল কাজ করেছেন।

সবশেষে, তাকে আহবান জানালাম, ভাস্কর্য স্থাপনে দেশ জাতির বিরাট ক্ষতি না হলেও ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়মের বেড়াজালে লাখো কোটি মানুষ ভুক্তভোগী। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে ঈমানী দায়বদ্ধতা থেকে সকল ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করুন, সকল আলেম-ওলামা, মুসল্লিকে আহবান করুন। অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজপথে ইসলামি আন্দোলনের ডাক দিন, আমার মতো লাখো তরুণ আপনাদের পাশে দাঁড়াবে, প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হবে। তিনি আশ^াস দিলেন, আমরা পাশে থাকলে তিনি আলেমসমাজকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে প্রস্তুত আছেন। অশেষ ধন্যবাদ, বাস্তবায়ন দেখতে চাই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়