প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বর্ষা মৌসুমের আগেই দক্ষিণ সিটির খাল দখল মুক্ত করব : মেয়র তাপস

সুজিৎ নন্দী : [২] ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমরা ঢাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা হতে মুক্তি দেওয়ার জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি। স্বল্পমেয়াদের কার্যক্রমগুলো আমরা নিজ অর্থায়নেই আরম্ভ করে দিচ্ছি। মূলত প্রথম কাজটি হলো, যে দখলগুলো আছে সেগুলোর দখল মুক্ত করা।

[৩] মেয়র আরো বলেন, সিএস খতিয়ান দেখে আমরা সীমানা নির্ধারণ করব, আমরা খালগুলো দখলমুক্ত করব এবং খালের মধ্যে যেসব বর্জ্য রয়েছে তা আমরা অপসারণ করব। এর মাধ্যমে আমরা জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করব এবং জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হলে ঢাকার যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে সেসব জায়গায় আর জলাবদ্ধতা হবে না বলে আমরা আশাবাদী।

[৪] বক্স কালভার্ট নিয়ে করা আরেক প্রসঙ্গে মেয়র তাপস বলেন, বক্স কালভার্টগুলো বিশেষ করে পান্থপথ ও ধোলাইখালের বক্স কালভার্টগুলো দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। আমরা অচিরেই সেগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ আরম্ভ করব এবং পরবর্তীতে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় কি করা যায়, বিচার-বিশ্লেষনের মাধ্যমে সেই কার্যক্রম হাতে নেব।

[৫] খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় ওয়াসার জনবল ডিএসসিসির কাছে হস্তান্তর প্রসঙ্গে মেয়র আরো বলেন, এ বিষয়ে আমরা সভাতে আলাপ-আলোচনা করেছি। যতটুকু জনবল এবং যন্ত্রপাতি আমাদের যা প্রয়োজন হবে, সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করেই আমরা নেব। আমরা গৎবাঁধা সকল জনবল আমরা নেব না, আমাদের যেটা প্রয়োজন নাই সেটা আমরা নেব না। মঙ্গলবার শ্যামপুরের বড়ইতলী এলাকায় শ্যামপুর খালের চলমান বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনের পর তিনি একথা বলেন।

[৬] এর আগে তিনি জিরানি খালের ত্রিমোহনী এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সিএস খতিয়ান অনুযায়ী খাল দখল করে নির্মাণ করা বাড়ি-ঘরগুলোর যে অংশ খালের মধ্যে পড়েছে, দ্রুত সেগুলোর সীমানা নির্ধারণ করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

[৭] জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে শ্যামপুর খালের চলমান বর্জ্য অপসারণ ও সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে যাওয়ার পথে নন্দী পাড়া অংশে জিরানি খালের প্রশস্থতা দেখে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস আক্ষেপের স্বরে বলেন, পানি আসার সুযোগ নাই, পানি আসবে কিভাবে।

[৮] তিনি এ সময় সিএস খতিয়ান অনুযায়ী খালের মধ্যে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে সেগুলো দ্রুত ভেঙ্গে ফেলতে এবং খালের মধ্যকার বর্জ্য-আবর্জনা পরিষ্কার ও গভীরতা বাড়িয়ে জলপ্রবাহের নির্দেশ দেন।

[৯] ডিএসসিসি মেয়র শ্যামপুর খালের আরেক প্রান্ত, মতিঝিলের সিটি টাওয়ার, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনের রাস্তা ও ফুটপাত এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সম্মুখস্থল ও ওসমান গনি রোড পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

[১০] পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত