শিরোনাম
◈ ইরানের অনুরোধ নাকচ, যুক্তরাষ্ট্রেই বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে হবে ◈ আইএলটি২০ পঞ্চম আসর শুরু ২২ নভেম্বর, ফাইনাল দুবাইয়ে ◈ এবার হরমুজ ইস্যুতে সংলাপের আয়োজন করছে দুই দেশ ◈ দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা, কৃষক কার্ড কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: তারেক রহমান ◈ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ, খোলা চিঠিতে প্রশ্ন ◈ শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল: মাউশি মহাপরিচালক ও একাধিক কর্মকর্তা ওএসডি ও পদায়ন ◈ ডেডলাইন শেষেই কি বৈশ্বিক বিপর্যয়? ইরানের সম্ভাব্য ৫ পদক্ষেপ ◈ ডলার শক্তিশালী, তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী—সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ◈ নেপালের মন্ত্রিসভার সদস্যদের ১৭ দিনেই সম্পদের তথ্য প্রকাশ ◈ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার

প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ব্যান্ডউইথ কিনবে সৌদি-ভারত-নেপাল-ভুটান, প্রধানমন্ত্রীর উচ্ছ্বাস

বাশার নূরু: [২] বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটান। আনুষ্ঠানিকভাবে ভুটান ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য প্রস্তাব দিয়েছে। অনানুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব ও নেপাল।

[৩] বিষয়টি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

[৪] বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটানের ব্যান্ডউইথ কেনার বিষয়টি উঠে আসে একনেক সভায়।

[৫] মঙ্গলবার একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিবরা একনেক সভায় অংশ নেন।

[৬] সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের সামনে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত সংযুক্ত SEA-ME-WE-6 সাবমেরিন ক্যাবলটি ভারত মহাসাগর, আরব সাগর, লোহিত সাগর হয়ে ভূ-মধ্যসাগর অবধি বিস্তৃত হবে। ক্যাবলটির কোর ল্যান্ডিং স্টেশন হবে সিঙ্গাপুর, ভারত, জিবুতি, মিশর ও ফ্রান্সে। বাংলাদেশের ব্রাঞ্চটি বঙ্গোপসাগর হয়ে কক্সবাজারস্থ ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে বিধায় প্রকল্প এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে। অক্টোবর ২০২০ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় হবে এ প্রকল্পে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়