শিরোনাম
◈ নির্বাচনী প্রচারণায় আজ পঞ্চগড়ে যাচ্ছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ◈ এক বছ‌রে রেকর্ড আয়ের শীর্ষে রিয়াল মা‌দ্রিদ ও বা‌র্সেলোনা  ◈ সিলেট থেকে নারায়ণগঞ্জ: ১৬ ঘণ্টায় সাত জেলায় টানা জনসমাবেশ শেষে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান ◈ বকেয়া ২৬ কোটি ডলার পরিশোধ না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সদস্যপদ ত্যাগ করলো যুক্তরাষ্ট্র ◈ কাকে ভোট দেওয়া উচিত, জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ বিনিয়োগ স্থবিরতা ও রাজস্ব ঘাটতি: নতুন সরকারের সামনে বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ কমাল ভারত, শীতে লোডশেডিং ও গরমে বড় সংকটের আশঙ্কা ◈ পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক চুক্তি, মিয়ানমার থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের লোমহর্ষক বর্ণনা ◈ এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ শুক্রবার বি‌পিএ‌লের ফাইনা‌লে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ও রাজশাহী ওয়া‌রিয়র্স মু‌খোমু‌খি

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৩ সকাল
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুনশি জাকির হোসেন: কাঠমোল্লার এ কাল সে কাল

মুনশি জাকির হোসেন: এই উপমহাদেশে প্রথম রেল চালু হলে সেই সময়ের কাঠ মোল্লার দল রেলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলো, ফতোয়া জারি করেছিলো। তাদের দাবি ছিলো, মাটির ওপর দিয়ে রেল চললে নাকি কবরে আজাব বেশি হবে। এর পর কাঠ মোল্লার দল ফতোয়া দিয়ে বললো, ইংরেজি পড়া হারাম। তারপর কাঠ মোল্লার দল, চিকিৎসা বিজ্ঞান, বিজ্ঞানসহ সকল আধুনিক শিক্ষার বিরুদ্ধে চলে গেলো। নিজেরা শতভাগ মাদ্রাসায় ঢুকে গেল। তারা মাইকের বিরুদ্ধেও এক সময়ে ফতোয়া দিয়েছিলো। এর পর ছবি তোলা শুরু হলে, তারা বললো ছবি তোলা হারাম। কাঠ বলদের দল, সিনেমা, মুভি, নাটক, চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধেও ফতোয়া দিয়েছিলো। তারা টিভিকে শয়তানের বাক্সে বলতো। মানুষ যখন চাঁদে যাওয়া শুরু করলো তখন এই কাঠ মোল্লার দল বলা শুরু করলো, এসব মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব। কিছুদিন পর, তারাই বললো, নীল আর্মস্ট্রং নাকি চান্দে যেয়ে আজান শুনেছিলো। তারা নাকি মরার আগে মুসলিমও হয়েছিলো, শিবির এটিও প্রচার করেছিলো। তারা আধুনিক অর্থনীতি, ব্যাংকিং, শেয়ার বাজার সবকিছুর বিরুদ্ধেই ফতোয়া দিয়েছিলো। তারা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে আজীবন ঘৃণা করে এসেছে। তারা গণতন্ত্র হারাম, ভোট দেওয়া হারাম বললো। তারা বললো, ইসলামে গণতন্ত্র নিষিদ্ধ। এখন তারা ভোটে দাঁড়াতে চায়, মানুষের কাছে ভোট চায়, নির্বাচন করে। তারা এখন ছবি তোলে, পোস্টারে ছবি দিয়ে ছয়লাব করে, মসজিদে মাইক বাজায়, মাইকে ওয়াজ করে, ভিডিও করে, নাটক বানায়, গল্গ দিয়ে ইন্টারনেট চালায়, মুভি দেখে (বলে ইসলামি মুভি), ট্রেনে চড়ে, বিমানে চড়ে, হেলিকপ্টারে চড়ে, রোগ হলে ঝাঁড় ফুঁ না দিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়। এই সকল কাঠ বলদ, কাঠ মোল্লার দল নিজেরাও জানে ভাস্কর্য কি, মূর্তি কী। তারা ২০০ বছর আগেও যে তিমিরে ছিলো এখনো সেই তিমিরেই আছে। তবে তাদের পরের দান, খয়রাতের টাকায় চলার অভ্যাস দিন দিন আরও সুসংহত হয়েছে। ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়