শিরোনাম
◈ তামিম-‌চে‌তেশ্বর পূজারাসহ পাঁচ ক্রিকেটারকে আজীবন সদস্যপদ দিলো এমসিসি ◈ উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা ◈ ‘নির্লজ্জ দুর্নীতির প্রশাসন’ : ট্রাম্পকে নিয়ে বাইডেনের তীব্র সমালোচনা ◈ এনসিপিতে বড় পরিবর্তন, ‘সুপার ইলেভেন’ থেকে হচ্ছে ‘সুপার সিক্স’ ◈ জ্বালানিসংকট ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প : দি ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন ◈ কাল পাস হচ্ছে বাজেট, আসছে যেসব পরিবর্তন ◈ ৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা পরিস্কার করা উচিত: মির্জা ফখরুল  ◈ চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে, ইউরোপে চাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত ◈ জামায়াতের বয়স ৮৪ বছর, ১০০ বছর নয়: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ অর্থ বিল সংশোধন করে করমুক্ত আয়সীমা ৪-৫ লাখ টাকা করা হচ্ছে

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:১০ সকাল
আপডেট : ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজশাহীর চরাঞ্চল কৃষি অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা

মঈন উদ্দীন: [২] নদী অববাহিকায় জেগে ওঠা চর কৃষি অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এরফলে রাজশাহীর চরাঞ্চলে বসবাসরত মানুষের জীবনমান ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। চরে অভাবি মানুষ নেই। চাষাবাদ করে চরের বাসিন্দারা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। চরবাসীর এই উন্নয়নে কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মসূচী বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

[৩] চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। সবজির ফলনে আশাতীত সাফল্য পাওয়ায়
পদ্মার চরাঞ্চল নিয়ে কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে।

[৪] রাজশাহীর জেলার চারটি উপজেলার চরের মাটিতে চাষীরা ফলিয়েছেন টমেটো, বাধাকপি, বেগুন, শিম, লাউ, পেঁপেসহ নানান প্রকার সবজি। এছাড়া রয়েছে এই চরে পেয়ারা এবং ড্রাগন ফলেরও বাগান হয়েছে। পেঁয়াজ, রসুন, মাসকলাইসহ আরও নানা ফসল চাষ করেছেন চাষিরা। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে চাষিদের লাভ হচ্ছে কম। চার উপজেলায় চরে জমির পরিমাণ ১৪ হাজার ৪৪ হেক্টর। এর মধ্যে আবাদী জমির পরিমাণ ৭ হাজার ৯৪৮ হেক্টর। বর্তমানে ৬৬৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে।

[৫] কৃষকরা জানিয়েছেন, বেলে দোআঁশ মাটিতে সার দেয়ার প্রয়োজন হয় না। পোকামাকড়েরও আক্রমণ কম। তাই খুব একটা কীটনাশক দেয়ারও প্রয়োজন পড়ে না। শুধু পানি পেলেই চরে সব ফসলের আবাদ ভাল হয়। কিন্তু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে তারা সবজির দাম পান কম।

[৬] চর মাজারদিয়া গ্রামের চাষি ফারুক হোসেন বলেন, নদী বড় থাকলে নৌকায় তাদের যোগাযোগ সহজ হয়। কিন্তু তখন পানি ঢুকে তাদের চাষের জমি কমে যায়। আবার পানি নেমে গেলে যে পলি পড়ে তাতে সবজির চাষ হয় ভাল। কিন্তু তখন নৌপথ কমে গিয়ে বেড়ে যায় পায়ে হাঁটার পথ। এই দুর্গম চর থেকে তাদের সবজি ওপারের বাজারে নিতে নিতেই তাজা সবজি আর তাজা থাকে না। তখন পাইকারী ক্রেতারা দাম কম দেন।

[৭] পবার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিল বলেন, চরের সবজি খুব সুস্বাদু। নদীর ওপারের সবজি আর এপারের সবজির স্বাদের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। তিনি বলেন, নদীপাড় থেকে চরের গ্রাম পর্যন্ত যদি পাকা রাস্তা নির্মাণ করা যায় তাহলে চাষিদের কষ্ট অনেক কমে যাবে।

[৮] রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সামশুল হক বলেন, চরের মাটিতে যে কোন ফসলের আবাদ অত্যন্ত ভাল হয়ে থাকে। প্রতিবছর বন্যায় জমি তলিয়ে যাওয়ার পর নতুন করে পলি জমার কারণে চাষাবাদ ভালো হয়। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়