শিরোনাম
◈ আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ভেসে চলা একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরী হঠাৎ ছড়িয়ে পড়েছে রহস্যময় ভাইরাস, ৩ জনের মৃত্যু ◈ ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ এর রি‌পোর্ট : মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় প্রতি বছর বিশ্বে সা‌ড়ে ৫ লাখ মানুষের প্রাণহানি ◈ অ্যাক্সিওসের দা‌বি: ইরানের প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র নতুন খসড়া পাঠিয়েছে ◈ লা লিগায় জিত‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ, শি‌রোপা জ‌য়ে অ‌পেক্ষা বাড়‌লো বা‌র্সেলোনার ◈ আজ ৪ মে ২০২৬ দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরির দাম যা জানাগেল ◈ লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিশ্চিত করলো ম্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড ◈ উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা ◈ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৬২ আসনে, তৃণমূল ১১৫ ◈ রাজধানীতে নতুন আতঙ্ক ছিনতাই ◈ ললিত মোদির দখলে ক্রিকেটের রত্নভাণ্ডার!

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:১২ সকাল
আপডেট : ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ০৮:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডেঙ্গু চিকিৎসা: বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশি গবেষকরা

ডেস্ক রিপোর্ট : ডেঙ্গু চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশি দুই গবেষক। দীর্ঘ দিনের গবেষণায় সফলতা মিলেছে এলট্রোমবোপ্যাগ নামের ওষুধে। এই ওষুধ প্রয়োগের ফলে রোগীকে আলাদা করে প্লাটিলেট দিতে হবে না।পূর্বপশ্চিম

বরং রোগী নিজের শরীরে নিজেই প্লাটিলেট তৈরি করতে সক্ষম হবেন। তাদের নেতৃত্বে ১২ গবেষকের এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, দ্যা ল্যানসেট গ্রুপের বিশ্ব বিখ্যাত মেডিকেল জার্নাল ই-ক্লিনিকাল মেডিসিনে।

সাধারণত রক্তের ইমিউন থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বা ক্রনিক লিভার রোগ সারাতে দেয়া হয় এলট্রোমবোপাগ ওষুধ। যা রক্তের অনুচক্রিকা সংশোধনে কাজ করে।

২০১৯ সালে দেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে থাকলে ড. মৌসুমী স্যানাল নামের এক চিকিৎসক কয়েকজন রোগীর ওপর প্রাথমিকভাবে ওষুধটি প্রয়োগ করে কিছুটা সফলতা পান।

‌এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম নুরুন নবী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজর অধ্যাপক ডা. আহেমেদুল কবিরের নেতৃত্বে অন্তত ১২ জন গবেষণা শুরু করেন।

দ্বিতীয় ধাপে তারা দেখেন, রোগীকে সরাসরি প্লাটিলেট দেয়ার চেয়ে এলট্রোমবোপাগ প্রয়োগে রোগীর দেহে প্লাটিলেট বাড়ে বহুগুণ। সবচেয়ে বড় কথা, রোগীর শরীরের কোষ নিজে নিজেই নতুন অনুচক্রিকা তৈরিতে সক্ষম হয়।

এই কৌশল ডেঙ্গুর চিকিৎসায় শুধু দেশে নয়, অন্যান্য দেশেও নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে; মনে করেন চিকিৎসকরা।

শরীরে ওষুধের প্রতিক্রিয়ার তারতম্যটা বংশগতির উপাদান বা ডিএনএ তে থাকা ভিন্নতার কারণে কিনা তা খুঁজে দেখা হবে গবেষণার তৃতীয় ধাপে।

এই ওষুধ প্রয়োগে বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই হালকা বমি বমিভাব ছাড়া তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। যাকে উৎসাহব্যঞ্জক বলছেন গবেষকরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়