শিরোনাম
◈ জুজুর ভয় দেখিয়ে দেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ আগস্টের পর ভিভিআইপি সুবিধা পাবেন না ড. ইউনূস ◈ ছাত্রছাত্রীরা ক্যাম্পাসে আর কোন গুপ্ত রাজনীতি দেখতে চায় না ছাত্রছাত্রীরা: হুইপ বকুল ◈ জুলাই সনদ: সরকারি ও বিরোধীদলের মধ্যে ব্যাপক হইচই ও বাদানুবাদ, অধিবেশন কক্ষ উত্তপ্ত ◈ প্রধানমন্ত্রী সংসদের প্রাণ, তিনি না থাকলে অনেকেই বক্তব্য দিতে চান না: সংসদে চীফ হুইপের স্বীকারোক্তি ◈ বিশ্বকাপের আগে ধাক্কা খেলো নেদারল্যান্ডস ◈ তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবায় জোর, বড় নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ◈ প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত দীনেশ ত্রিবেদী, ঢাকায় আসছে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায় ◈ নিউজিল‌্যা‌ন্ডের বিরু‌দ্ধে দুর্দান্ত জয়ে সি‌রিজ শুরু বাংলা‌দে‌শের ◈ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৪৯ দুপুর
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৪৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পোশাক কারখানাগুলোতে শিশু শ্রমিকের হার ১৬ শতাংশের বেশি: বিএলএফ

শরীফ শাওন: [৩] বিএলএফ জানায়, স্থানীয় বাজারে সরবরাহ লক্ষ্যে গড়ে ওঠা পোশাক কারখানাগুলোতে কর্মরত এসকল শিশু শ্রমিকদের বয়স ৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। আলোচকরা জানান, এসকল শিশুরা প্রায়ই মজুরি পায়না এবং তাদের কর্মঘণ্টাও থাকে না।

[৪] শ্রমিক প্রতিনিধীরা বলেন, শিশুশ্রম রোধে কারখানাগুলোতে নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করা উচিত। কারখানা মালিকরা জানান, ৫ বছরের শিশু শ্রমিক কাজ করার বিষয়টি উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। অভিভাকদের মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে শিশুশ্রম বন্ধ করা সম্ভব।

[৫] রোববার রাজধানীতে বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) এর এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলা হয়।

[৬] গার্মেন্ট ট্রেড ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, দীর্ঘদিনের একটি প্রক্রিয়া শিশুশ্রম। আমরা লক্ষ্য করেছি, ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুরা পোশাক কারখানায় কাজ করতে আসে। ৪০ বছরের অধিক বয়সীরা কারখানা কম কাজ করে থাকে। মূলত ভুয়া সনদের মাধ্যমে তারা কারখানাগুলোতে কাজ নিয়ে থাকে।

[৭] তিনি বলেন, শিশুশ্রম বন্ধে সর্বপ্রথম তাদের অভিভাবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ থাকলে অভিভাকরা বাধ্য হয়েই সন্তানদের স্কুলের পরিবর্তে কর্মস্থলে পাঠান।

[৮] শ্রমিক নেতা অ্যাড. ইসমাইল বলেন, স্বাধীনতার পর বাজেট ৬ গুণ বাড়লেও রেশনিং বা শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় এমন হচ্ছে। শিশুরা জাতীর ভবিষ্যৎ, তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে জাতীকে ধ্বংশ করা হচ্ছে। শিশু ও সাস্কৃতিক মন্ত্রণালয় শুধু নাম ও টেবিল বৈঠকের জন্য নয়, বাস্তবিকভাবে জাতি ও দেশ রক্ষায় শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়