প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আইয়ুব বাচ্চুর সন্তানরা তার গানের স্বত্ত্ব দাবি না করায় তার গান সংরক্ষণ করছে সরকার

দেবদুলাল মুন্না: [২] এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কপিরাইট রেজিস্টার জাফর রাজা চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী কাল (১৮ অক্টোবর) এই তারকা শিল্পীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের উদ্যোগে আইয়ুব বাচ্চু স্মরণে এই প্রথম একটি ওয়েবসাইট ‘এবি কিচেন’ নামে খোলা হয়েছে। এখানে প্রাথমিকভাবে ২৭২টি গান সংরক্ষিত আছে। পাশাপাশি আইয়ুব বাচ্চুর নামে ইউটিউব চ্যানেল খোলা হয়েছে। আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি সম্মান জানিয়ে এই প্রথম কপিরাইট অফিসের উদ্যোগে আমরা তার নানা স্মৃতি, গান রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছি।

[৩] আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার সবসময়ই ছিল লোকচক্ষুর আড়ালে। সামনে আসেনি। জীবিত অবস্থাতেও এই ব্যক্তিজীবনের আড়ালটা পছন্দ করতেন আইয়ুব বাচ্চু। তার মৃত্যুর এক বছর পর প্রয়াত গায়কের স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা গতবছর বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর’কে জানান, তাদের কিছু চাওয়ার নেই। বাচ্চু তার সন্তানদের নামে কপিরাইট অফিসে স্বত্ত¡ দান করলেও ছেলে মেয়েরাও চায় , সরকারি উদ্যোগে গানগুলো সংরক্ষণ করা হোক।

[৪] বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস সূত্রে জানা যায়, মোট ২৬টি অ্যালবাম নিবন্ধন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। এর মধ্যে ১৩টি তাঁর একক এবং ১৩টি ব্যান্ডের অ্যালবাম। এই ২৬ অ্যালবামের সব গান আইয়ুব বাচ্চুর নিজের নামে নিবন্ধন করা। অর্থাৎ ব্যক্তি আইয়ুব বাচ্চুর নামে, এলআরবি ব্যান্ডের নামে নয়। এর বাইরে তিনটি অ্যালবাম কষ্ট, ফেরারি মন এবং মন চাইলে মন পাবে’র কপিরাইট নিয়ে উচ্চ আদালতে প্রযোজনা সংস্থা সাউন্ডটেকের সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে।

[৫] নিয়ম অনুযায়ী কপিরাইট অফিসে কোনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের লোগো নিবন্ধন হয়। এলআরবিরও তেমন লোগো নিবন্ধন হয়েছে। একই সঙ্গে নামও কপিরাইট অফিসে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এখানেও শুধু আইয়ুব বাচ্চুর নামেই এলআরবির লোগো এবং নাম নিবন্ধন হয়েছে। এ হিসেবে বর্তমানে এলআরবির মালিক শুধু তাঁর উত্তরাধিকারেরা। তাঁদের চাওয়ার ওপর নির্ভর করছে এলআরবির পরবর্তী কার্যক্রম। ফলে আইয়ুব বাচ্চুর এলআরবি ও এখন আর নেই।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত