প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোহাম্মদ এ আরাফাত: ‘ধর্ষক লীগ’ বনাম ‘ধর্ষক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’

মোহাম্মদ এ আরাফাত : আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতা এবং মাঠের কর্মী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্মীরা, ছাত্রলীগের বিপথগামী যে ছেলেগুলো সিলেটে এবং নোয়াখালীতে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করেছে, তাদের নিন্দা করেছে, তাদের গ্রেফতার চেয়েছে, বিচার চেয়েছে এবং সাজা চেয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সকলেই ধর্ষিত, নিপীড়িত নারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, কেউ ধর্ষকদের পাশে দাঁড়ায়নি বরং ধর্ষক পশুগুলোকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। সিলেটের ঘটনায় ধর্ষক পশুগুলোকে আওয়ামী লীগেরই সত্যিকারের আদর্শ কর্মী বাবলা চৌধুরী প্রতিহত করেছে এবং ধরিয়ে দিয়েছে। ছাত্রলীগও নিজ সংগঠনের বিপথগামী সদস্যদের বিরুদ্ধে ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে, ধর্ষকের শাস্তি চেয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়িত নারীটির পাশে না দাঁড়িয়ে, বিভিন্ন কু-যুক্তি হাজির করে ধর্ষক এবং তার সহযোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কর্মীরা (আসলে বিএনপি-শিবির কর্মী) নিপীড়িত নারীটিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাতায় পাতায় অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেছে। নিপীড়িত নারীটির প্রতি সহানুভূতি তো দূরের কথা তাঁকে ‘বেশ্যা’, ‘পতিতা’ বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছে -সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘাটলে এর ভুরি ভুরি প্রমাণ এখনও পাওয়া যাবে। আমি তো মনে করি নিপীড়িত একজন নারীকে বা যেকোনো নারীকে যারা এরকম অশ্লীল ভাষায় গালি দিতে পারে ওরা নিজেরাও একেকজন বাদল- দেলোয়ার, একেকজন ধর্ষক।
তাহলে কী আওয়ামী লীগকে ‘ধর্ষক লীগ’ বলা যায়? না, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদকে ‘ধর্ষক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ বলা উচিত?

সর্বাধিক পঠিত