প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবার বিড়ালকাণ্ড নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন নায়লা নাঈম

ডেস্ক রিপোর্ট: ‘আমি প্রতিদিন প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি। এই হয়রানি থেকে আমার মা-বাবাও রক্ষা পাচ্ছে না। আমি পরিবার নিয়ে এক প্রকার একঘরে হয়ে আছি। প্রতিবেশীরা বাঁকা চোখে দেখে।’ সময়টিভি

প্রতিবেশিদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগই আনলেন আলোচিত-সমালোচিত মডেল, অভিনেত্রী নায়লা নাঈম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইস্কাটনে একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নায়লা নাঈম। সেখানে তিনি বলেন, আমার অপরাধ নিজের ফ্ল্যাটে বিড়াল লালন পালন করি। ‘এসব প্রাণী থেকে করোনা ভাইরাস ছড়াবে’ এই গুজবে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে মারাত্মকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি। এজন্য আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়াও আমি পুলিশ কর্তৃক হয়রানি হচ্ছি।

নায়লা নাঈম আরো বলেন, আমার বাসায় ১৮টি বিড়াল রয়েছে। সব বিড়ালগুলোকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন দেওয়ার কারণে বিড়াল থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়াবে না। কিন্তু কোনো কিছুতেই প্রতিবেশীদের থামানো যাচ্ছে না। তারা আমার নামে স্থানীয় কমিশনারের কাছে পর্যন্ত অভিযোগ করেছেন।

প্রতিবেশীদের কাছে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, বাসার নিচে আমার নিজস্ব স্কুটি চার্জ দিতে দেয় না। আমি বাসায় বিড়াল পালন করি এটা কি অন্যায়? এটা কোনো ক্রাইম? আমি কি মাদক বিক্রি করছি? তাহলে কেন আমাকে এভাবে হয়রানি হতে হবে?

জানা গেছে, নায়লা নাঈম প্রায় চার বছর ধরে বসবাস করেন রাজধানীর আফতাবনগরে। নগরের বি-ব্লকের-২ নং রোডের – নং বাসার ৭ম তলার দুইটি ফ্ল্যাট তার মালিকানায়। ওই ফ্ল্যাটের একটি তিনি বিড়াল পালছেন। এছাড়া ভবনের নিচ তলায় তার একটি অফিস কক্ষ রয়েছে। অফিস কক্ষটি ডেন্টাল ডাক্তার হিসেবে ভাড়া নিলেও কখনোই সেখানে কোনো রোগী দেখার কাজ হয় না।

এর আগে নায়লা নাঈম খিঁলগাওয়ে ৪ বছর বসবাস করেছেন। সেখানে বিড়াল পালন নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান তিনি। পরে সেখান থেকে বাসা স্থানান্তর করে আফতাবনগরে বসবাস শুরু করেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৭ম তলার দুইটি ফ্লোরের একটি বিড়াল পালনের কাজেই ব্যবহার করেন নায়লা। এসব বিড়ালের বিষ্ঠা লিফটে করে নামানো হয়। লিফটে বিড়ালও উঠা-নামা করান কর্মচারীরা। ফলে লিফট ও অন্যান্য ফ্লোরে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় চার বছর ধরে এই সমস্যা সইতে হচ্ছে প্রতিবেশীদের।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেশীদের দীর্ঘদিনের আপত্তি ও অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে বাড্ডা থানায় একাধিকবার অভিযোগ করেছে ফ্ল্যাট মালিক সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে বাড্ডা থানায় অভিযোগও দেয়া হয়।

সর্বাধিক পঠিত