প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিপদসীমার ওপরে যমুনার পানি, তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল

ডেস্ক রিপোর্ট: কাজিপুরের পর এবার সিরাজগঞ্জ পয়েন্টেও বিপৎসীমা অতিক্রম করলো যমুনা নদীর পানি। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে যমুনা, ফুলজোড়, করতোয়াসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে।

এদিকে পানি বাড়ার কারণে আবার তলিয়ে যেতে শুরু করেছে নিম্নাঞ্চল। পানি জমেছে ফসলের মাঠে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার (০২ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪৪ মিটার। এখানে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে কাজিপুর পয়েন্টে রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪৩ মিটার পানি। ২৪ ঘণ্টায় ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও দু-একদিন বাড়তে পারে।

সিরাজগঞ্জ পাউবো সূত্র জানায়, চলতি বছরের জুনের প্রথম থেকেই যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে বাড়তে শুরু করে। গত ২৮ জুন উভয় পয়েন্টেই বিপৎসীমা অতিক্রম করে। এরপর ৪ জুলাই থেকে আবার কমতে শুরু করে এবং ৬ জুলাই বিপৎসীমার নিচে নেমে যায় যমুনার পানি। ৯ জুলাইয়ের পর ফের বাড়তে থাকে এবং ১৩ জুলাই দ্বিতীয় দফায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে। টানা ২৫ দিন দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হওয়ার পর ৭ আগস্ট যমুনার পানি উভয় পয়েন্টেই বিপৎসীমার নিচে নেমে যায়। এর মধ্যে কয়েক দফায় যমুনার পানি কমতে ও বাড়তে থাকলেও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কাজিপুর পয়েন্টে আবার বিপৎসীমা অতিক্রম করে যমুনার পানি। এরপর থেকে যমুনার পানি দু’টি পয়েন্টেই হ্রাস-বৃদ্ধি হতে থাকে। ১ অক্টোবর কাজিপুর এবং ২ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আবার যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলো।

এদিকে, যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চল নিমজ্জিত হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে ফসল। এরই মধ্যে জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৩ হাজার ৪০৬ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৯৩১ হেক্টর জমির মাসকলাই, ২৩৪ হেক্টর শীতকালীন সবজি, ৮০ হেক্টর বাদাম ও ৬৮ হেক্টর জমির মরিচ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে। বাংলানিউজ

 

সর্বাধিক পঠিত