শিরোনাম
◈ ৭৫ কোটি টাকায় বদলে যাবে ধানমন্ডি লেক, হবে ‘নজরুল সরোবর’ ◈ ৩০ গ্রামের ৫ লাখ নারী বদলে দিচ্ছেন গ্রামীণ অর্থনীতি, বছরে আসে ৫০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ◈ তালাকের আগেই দেনমোহর চাইতে পারবেন স্ত্রী: হাইকোর্ট ◈ ৫ বছরে ১ কোটি কর্মী পাঠাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ভিসা সুবিধা চালু করল সৌদি আরব ◈ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েল: সিআইএ ◈ বিশ্বের সেরা ৫০০ শহরের তালিকা থেকে বাদ ঢাকা, পিছিয়েছে বাংলাদেশের সব বড় শহর! ◈ সেন্টমার্টিনে বিনামূল্যে খতনা করিয়ে অর্ধশতাধিক শিশুর ইনফেকশন ও রক্তক্ষরণ ◈ সোলার প্যানেল নাকি মিনি উইন্ড টারবাইন, বাড়ির জন্য কোনটি বেশি লাভজনক? ◈ বৃহস্পতিবার মিরপুর-আগারগাঁওসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০৭ সকাল
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে ভারতের আদালতে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট : অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে ভারত সরকার যেদিন হুট করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে সেদিন বা তার আগে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে ভারতের আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভারতীয় রফতানিকারকরা। এদিকে কয়েকদিন ধরে রফতানির অপেক্ষায় থাকা ট্রাকগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার পর পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় তা ফেলে দিচ্ছেন রফতানিকারকরা।

ভারতীয় রফতানিকারক অনিল ঠাকুর বলেন, ভারত সরকার গত ১৪ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে ওই দিন সকাল থেকেই বন্দর দিয়ে কোনও পেঁয়াজ রফতানি করা সম্ভব হয়নি। তবে পাঁচদিন বন্ধের পর পরবর্তীতে ১৩ তারিখে টেন্ডার সম্পূর্ণ হওয়া কিছু পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেওয়ায় ১৯ তারিখে ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ রফতানি করা হয়। কিন্তু আরও বেশ কিছু পেঁয়াজবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় বিভিন্ন পার্কিংয়ে ও সড়কে দাঁড়িয়ে থাকে। বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও অনুমতি না মেলায় এসব ট্রাকের বেশিরভাগ পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে যায়। এরপরে সেসব ট্রাক ফিরিয়ে নিয়ে এসে গুদামে নামানো হয়। এরমধ্যে বাছাই করে কিছু ভালো পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়, বাকিগুলো ফেলে দেওয়া হয়। এতে করে পেঁয়াজ রফতানি না করতে পারার কারণে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তেমনি পেঁয়াজ পচে গিয়ে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। পেঁয়াজ রফতানি না করতে পারলে তো ব্যাংকে বিল লাগানো সম্ভব না, আর বিলও ছাড় দেবে না আমদানিকারকরা। এমন অবস্থায় গত ১৪ তারিখে পেঁয়াজ রফতানির জন্য যেসব টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল সেসব পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে রফতানিকারকদের পক্ষ থেকে ভারতের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামীকাল ২৯ সেপ্টেম্বর এ সম্পর্কে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদেশ পেলে ওই পরিমাণ পেঁয়াজ রফতানি করা হবে বাংলাদেশে।

ভারতের হিলির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট খোকন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে ভারতীয় রফতানিকারকরা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। সেটি হলো গত ১৪ ও ১৫ তারিখে যে সমস্ত এলসির বিপরীতে পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল এবং যেসব এলসি দেওয়া রয়েছে তার বিপরীতে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি চেয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনও নির্দেশনা বা আদেশ হয়নি।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন ভারতে পেঁয়াজ রফতানিকারকদের মামলার বিষয়ে বলেন, যদি এই মামলার আদেশ হয় বা অনুমতি মিলে তাহলে যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে তাতে করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ ট্রাক পেঁয়াজ দেশে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে বলে ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন। তবে আমরা পেঁয়াজ আমদানির জন্য যে এলসি দিয়েছিলাম সে সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি তারা।বাংলা ট্রিবিউন