শিরোনাম
◈ ‘মুজিব ভাই’ বিতর্ক: ৪২ কোটি যেভাবে ৪ হাজার কোটি টাকা হলো ◈ পাকিস্তানি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের বিশেষত্ব কী, কেন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ? ◈ মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে: বিআরটিএ চেয়ারম্যান ◈ চিনি দিয়ে নকল খেজুরের রস বানিয়ে বোকা বানানো হচ্ছে ক্রেতাদের!(ভিডিও) ◈ 'মা আমাকে ছেড়ে যেও না', ডিভোর্সের পর সন্তান নিতে চাইল না কেউ, বুক ফাটা দৃশ্য ভাইরাল! (ভিডিও) ◈ ভারতের অন্য ভেন্যুতে খেলার বিষয়ে যা জানাল বিসিবি সভাপতি (ভিডিও) ◈ তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিনির্মিত হবে আগামীর বাংলাদেশ, মোদীর প্রত্যাশা ◈ পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাঁধাতে চাচ্ছে আমি ঝগড়া করবো না, উল্টোপাল্টা কথা বইলেন না : মির্জা আব্বাস ◈ আপিল শুনানির প্রথম দিনে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ও হারালেন ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে পূর্বাভাস আঙ্কটাডের

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা রেঞ্জের এসপির বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার (ট্রেনিং অ্যান্ড মিডিয়া) জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্যের আদালতে জাকির হোসেন চৌধুরী নামে এক ব্যবসায়ী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিবাদীকে আগামী ১৫ অক্টোবর জবাব দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জাকির হোসেন চৌধুরীর ভাই বাচ্চু হোসেন গোপালগঞ্জে একটি বেকারি দোকানে কাজ করতেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, এসআই গোলাম কিবরিয়া, সোর্স প্রবাল বিশ্বাস প্রায়ই ওই দোকানে যাতায়াত করতেন। তারা দোকানের মালামাল নিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতেন। একদিন এসআই গোলাম কিবরিয়া ও সোর্স প্রবাল বিশ্বাস এসে কফি খেতে চান। বাচ্চু হোসেন কফির পানি গরম নেই বলে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ জন্য তারা বাচ্চুর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং পরিণাম কি বুঝতে পারবে বলে হুমকি দেন।

গত বছরের ৭ মে প্রবাল বিশ্বাস ওই দোকানে চা খেয়ে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর তিনি ফিরে এসে বাচ্চুকে বলেন দোকানে একটি ব্যাগ ফেলে রেখে চলে গেছি। ব্যাগে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিল। বাচ্চু ব্যাগটি পেয়েছে কি না তা জিজ্ঞাসা করেন। তখন বাচ্চু ব্যাগ পাননি বলে জানান। পরে এসআই গোলাম কিবরিয়া বাচ্চুকে থানায় নিয়ে বেদম প্রহার করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। এরপর থানা থেকে বের হয়ে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বাচ্চু হোসেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে পুলিশ সদর দফতরে নির্যাতনের বিচার চেয়ে আবেদন করেন। এর তদন্তভার দেয়া হয় এসপি জিয়াউল হককে। তিনি গত বছরের ১৩ জুন ও ২২ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাচ্চুকে ডেকে পাঠান। কিন্তু বাচ্চু অসুস্থ থাকায় যেতে পারেননি। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি এসপি জিয়াউল হকের কাছে যান। কিন্তু সেদিন তিনি তার সাক্ষাৎ পাননি। বাচ্চু হোসেন সাক্ষাতের জন্য সময় প্রার্থনা করলেও তা আমলে নেয়া হয়নি। পরে অভিযোগের সত্যতা পাননি বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জিয়াউল হক।

বাদীর অভিযোগ তার এ ধরনের প্রতিবেদনে ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার এ ধরনের প্রতিবেদন শুধু দোষীদের রক্ষা করা নয় বরং বাদীর সুনামকে চরমভাবে ক্ষতি করেছে। প্রতিবেদনের বক্তব্য মানহানীকর। এতে বাদী ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।যুগান্তর

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়