শিরোনাম
◈ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিল হাইকোর্ট ◈ এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখাসহ ১১ নির্দেশনা সরকারের ◈ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি: মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন ◈ বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ হাইকোর্টের ◈ স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান ◈ এক টাকাও বেশি নিলে ব্যবস্থা: ঈদে ভাড়া বাড়ালে রুট পারমিট বাতিল: শেখ রবিউল আলম ◈ ইরানে মার্কিন হামলায় সমর্থন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নাকচ করল স্পেন ◈ ‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’র রাজসাক্ষী রিজওয়ানা, জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের (ভিডিও) ◈ ৯ উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা রেঞ্জের এসপির বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার (ট্রেনিং অ্যান্ড মিডিয়া) জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্যের আদালতে জাকির হোসেন চৌধুরী নামে এক ব্যবসায়ী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বিবাদীকে আগামী ১৫ অক্টোবর জবাব দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জাকির হোসেন চৌধুরীর ভাই বাচ্চু হোসেন গোপালগঞ্জে একটি বেকারি দোকানে কাজ করতেন। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, এসআই গোলাম কিবরিয়া, সোর্স প্রবাল বিশ্বাস প্রায়ই ওই দোকানে যাতায়াত করতেন। তারা দোকানের মালামাল নিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতেন। একদিন এসআই গোলাম কিবরিয়া ও সোর্স প্রবাল বিশ্বাস এসে কফি খেতে চান। বাচ্চু হোসেন কফির পানি গরম নেই বলে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ জন্য তারা বাচ্চুর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং পরিণাম কি বুঝতে পারবে বলে হুমকি দেন।

গত বছরের ৭ মে প্রবাল বিশ্বাস ওই দোকানে চা খেয়ে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর তিনি ফিরে এসে বাচ্চুকে বলেন দোকানে একটি ব্যাগ ফেলে রেখে চলে গেছি। ব্যাগে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিল। বাচ্চু ব্যাগটি পেয়েছে কি না তা জিজ্ঞাসা করেন। তখন বাচ্চু ব্যাগ পাননি বলে জানান। পরে এসআই গোলাম কিবরিয়া বাচ্চুকে থানায় নিয়ে বেদম প্রহার করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। এরপর থানা থেকে বের হয়ে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বাচ্চু হোসেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে পুলিশ সদর দফতরে নির্যাতনের বিচার চেয়ে আবেদন করেন। এর তদন্তভার দেয়া হয় এসপি জিয়াউল হককে। তিনি গত বছরের ১৩ জুন ও ২২ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাচ্চুকে ডেকে পাঠান। কিন্তু বাচ্চু অসুস্থ থাকায় যেতে পারেননি। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি এসপি জিয়াউল হকের কাছে যান। কিন্তু সেদিন তিনি তার সাক্ষাৎ পাননি। বাচ্চু হোসেন সাক্ষাতের জন্য সময় প্রার্থনা করলেও তা আমলে নেয়া হয়নি। পরে অভিযোগের সত্যতা পাননি বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন জিয়াউল হক।

বাদীর অভিযোগ তার এ ধরনের প্রতিবেদনে ভিকটিমের পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তার এ ধরনের প্রতিবেদন শুধু দোষীদের রক্ষা করা নয় বরং বাদীর সুনামকে চরমভাবে ক্ষতি করেছে। প্রতিবেদনের বক্তব্য মানহানীকর। এতে বাদী ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।যুগান্তর

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়