প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইউএনও’র উপর হামলার মাষ্টারমাইন্ড কে ?

দিনাজপুর প্রতিনিধি : [২] দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখকে গত ২ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার সময় সরকারী বাসভবনে প্রবেশ করে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে গুরুতর অবস্থায় তাদের প্রথমে রংপুরে ও পরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার পিতাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে ইউএনও’র বড়ভাই ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এসময় প্রশাসনের সকল ইউনিট আসামী ধরতে তৎপর হয়ে উঠে ও সিসি টিভির ফুটেজ দেখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনকে আটক করে।

[৩] এর মধ্যে ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম,ঘোড়াঘাট সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মাসুদ রানা এ্বং ওয়াহিদা খানমের বাসভবনের নৈশ্য প্রহরী নবীরুল,সান্টু কুমারকে আটক করে পুলিশ।আটককৃতদের ব্যাপক জিঞ্জাসাবাদ করেন মামলার সাথে সম্পৃক্ত সন্দেহে যুবলীগ সদস্য আসাদুল হক,নবিরুল ও সান্টুকে আটক করে।এসময় র‌্যাবের পক্ষ থেকে রংপুরে একটি সংবাদ সম্মেলন করে এটি একটি চুরির মামলা বলে জানান সাংবাদিকদের।এ বিষয়ে জানতে প্রথমে নবিরুল ও সান্টুকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালত তাদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এবং অসুস্থ্য থাকায় মামলার প্রধান আসামী আসাদুলকে পরের দিন আদালতে হাজির করে তাকেও ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলে তাকেও ৭দিনের রিমান্ড দেন আদালত।

[৪] কিন্তু ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্রাচার্য সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করে মামলার আরেক নতুন মোড় দেন।তিনি সাংবাদিকদের জানান,মামলার তদন্তের স্বার্থে অনেক জনকেই জিঞ্জাসাবাদ করা হয়েছে এবং সে ইউএনওর উপর হামলার সম্পৃক্ততার কথা স্বিকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন ও তার তথ্য মতে আলামত উদ্ধারের ও কথা জানান তিনি।আরো কিছু তথ্য আছে যা মামলার স্বার্থে পরে জানাবেন বলে জানান। যেখানে এতোদিন আদাসুল প্রধান আসামী থাকলেও সেদিন প্রেস ব্রিফিংএ সাংবাদিকরা জানতে পারেন মামলার প্রধান আসামী রবিউল ইসলাম ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে সাধরণ মানুষ জানতে পারেন যে প্রধান আসামী কে।

[৫] দিনাজপুর নাগরিক সমাজের প্রশ্ন মামলাটি একেক সময় একেক দিকে ধাবিত হচ্ছে এভাবে মামলার আসামী বদলাতে থাকলে এক সময় এই মামলার মাস্টারমাইন্ড কে সেটা সাধারণ মানুষের অজানাই থেকে যাবে ও অপরাধীরা এক সময় এর চেয়েও বড় ধরনের অপরাধ করতে ও দ্বিধা করবেনা।

[৬] এদিকে রবিউলের পরিবার ও স্থানীয়রা এই মামলার সাথে তার সম্পৃক্ততা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।তাহলে কি বালুমহাল,আর্মি কোলনী,চাদাবাজি,হাটইজারা যুবলীগের বেপরোয়া কর্মকান্ড অতীতে পরিণত হবে নাকি এসব নিয়েও প্রশাসনের তদন্ত অব্যাহত থাকবে এটিই এখন দেখার বিষয়। সম্পাদনা : আরাফাত

সর্বাধিক পঠিত