শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৯ সকাল
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৬:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুখোশ ও পিপিই পরে ওয়াহিদার ওপর হামলা চালায় দু’জন, নৈশপ্রহরী আটক

ডেস্ক রিপোর্ট : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলায় দু’জন অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের একজনের পরনে ছিল মুখোশ, একজনের পিপিই। তবে তারা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে— এ ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে, হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নৈশপ্রহরী পলাশকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইমাম আবু জাফর।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার ওয়াদুদ ভুইয়া ও পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য এসব তথ্য জানিয়েছেন।

অপরদিকে, অপর একটি অনলাইন গণমাধ্যম জানায়,  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই ব্যক্তিকে থানায় নিয়েছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর তাদের বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘোড়াঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

পুলিশ জানায়, ঘোড়াঘাট ইউএনও’র বাসভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, এই হামলায় অংশ নেয় দু’জন। এদের মধ্যে একজন ছিল মুখোশ পরিহিত, আরেকজন পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) পরিহিত। রাতে তারা এক এক করে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ঘটনার পর একই সঙ্গে বের হয়ে যায়। পুলিশের ধারণা, সহজে যেন তাদের চেনা না যায়, সেজন্য তারা এমন ব্যবস্থা নেয়।

পুলিশ বলছে, ঘটনা যাই ঘটুক না কেন, সিসিটিভি ফুটেজ ধরেই হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিভাগ ছাড়াও র‌্যাব ও অন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরাও তদন্তে কাজ করছেন।

এদিকে, স্থানীয়রা বলছেন, অন্যান্য উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ক্যাম্পাস ও থানা প্রায় কাছাকাছি অবস্থান হলেও ঘোড়াঘাট উপজেলার চিত্র ভিন্ন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ক্যাম্পাস ওসমানপুরে। আর ঘোড়াঘাট থানা সেখান থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে। এই সুযোগ নিয়েই দুষ্কৃতিকারীরা নির্বিঘ্নে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ওসমানপুরে উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে ইউএনও’র বাড়ির পেছনের পাশটা সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে সবসময়। বাড়িতে কেবল একজন নৈশপ্রহরী ছিলেন। এর বাইরে তেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই এখানে। থানার অবস্থান পাঁচ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় নিরাপদ ভেবেই দুষ্কৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটানোর সাহস পেয়েছেন বলে মনে করছেন তারা।

সুত্র- ঢাকা টাইমস ও সারা বাংলা

  • সর্বশেষ