শিরোনাম
◈ বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি: আমির খসরু ◈ গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল কবে সরছে, জানালেন ডিএমপি কমিশনার ◈ সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ ৪ বারে অভিযান (ভিডিও) ◈ জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার পারেদেসের বাড়ি আগুনে পুড়লো ◈ ট্রাম্পের নৈশভোজে তারেক–জুবাইদা: ছবি প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ◈ জুয়া কেলেঙ্কারির পর এবার রেফারি নিয়োগে কারসাজি, তুরস্কে ৫ কর্মকর্তা আটক ◈ মুখ খুললেই কি বিপদ? ◈ ছাদের সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ৩ দিনেই ১২শ’ ইউনিট সরবরাহ ◈ কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২০, ০১:২২ রাত
আপডেট : ৩১ আগস্ট, ২০২০, ০১:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো বলপূর্বক গুম অব্যাহত রেখেছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : [২] বাংলাদেশে ‘অব্যাহত’ গুমের বিরুদ্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ১২টি মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি বলা হয়, বিশেষ করে ২০০৯ সালে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই গুমের চর্চা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

[৩] রাজনৈতিক বিরোধী দলের বহু সদস্য ও সমর্থক ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ও পরে গুম হয়েছে।

[৪] ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগেও কমপক্ষে ৯৮ জনের গুম হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়। কোভিড-১৯ মহামারি চলার সময়ও গুম অব্যাহত রয়েছে।

[৫] গুম আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘণ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য থাকার বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।

[৬] এতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা গায়েব হওয়া সকল মানুষকে তাদের পরিবারের নিকট নিরাপদে ফিরিয়ে দেয়া উচিৎ। এমনকি এসব নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দায়মুক্তি পাচ্ছে।

[৭] টার্গেট মূলত সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার কর্মী ও সরকারের সমালোচকরা।

[৮] ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ৩১শে জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ৫৭২ জন গুম হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

[৯] এদের কেউ শেষ পর্যন্ত মুক্তি পেয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কাউকে তথাকথিত ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

[১০] অনেকেই এখন কোথায় বা কী অবস্থায় আছেন, তার কোনো খোঁজ নেই।

[১১] গুমের ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকলেও বাংলাদেশ সরকার বেআইনি চর্চার কথা অস্বীকার করে আসছে।

[১২] গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের বিচার চাওয়ার পথ পদ্ধতিগতভাবে রুদ্ধ করা হয়েছে।

[১৩] যৌথ বিবৃতিতে অনুসমর্থনকারী সংগঠনগুলো হলো, অ্যাডভোকেটস ফর হিউম্যান রাইটস, অ্যান্টি-ডেথ পেনাল্টি এশিয়া নেটওয়ার্ক, এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইন্সট ইনভলান্টরি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স, এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন, এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশন্স, এশিয়ান ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, মায়ের ডাক, অধিকার, রবার্ট এফ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস ও ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অ্যাগেইন্সট টর্চার। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ