শিরোনাম
◈ হাদিকে হত্যা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে: দাবি অভিযুক্ত ফয়সালের ◈ একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব ◈ ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জেলায় দুর্ঘটনায় নিহত ৩৪, আহত শতাধিক ◈ এক শ্রেণির মানুষ বিএনপির বিরুদ্ধে অবান্তর কথা ও মিথ্যাচার করছে: রিজভী ◈ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ, তদন্ত ও নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ শত্রুর জন্য আসছে নতুন ‘চমক’: ইরানের হুঁশিয়ারি ◈ বাহরাইনে বড় হামলাটি ‌‌‘ইরান নয় যুক্তরাষ্ট্রই চালিয়েছিল’, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ জিয়া পরিবারের চেয়ে নির্যাতিত বাংলাদেশে কেউ ছিল না: আইনমন্ত্রী ◈ বিয়ের গহনা বহনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান ◈ যুদ্ধের প্রভাব: চট্টগ্রামে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা, ২৩ দিনে ২৫ জাহাজ পৌঁছেছে, পথে আরও ২টি

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৯ দুপুর
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রয়োজনে আরো ১০ লাখ অভিবাসী নেবেন এ্যাঙ্গেলা মেরকেল

রাশিদ রিয়াজ : ২০১৫ সালে জার্মানিতে যে লাখ লাখ অভিবাসী ঢুকে পড়ে সেজন্যে কোনো দুঃখবোধ নেই চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা মেরকেলের। বরং তিনি তার বিতর্কিত অভিবাসন নীতিতে অভিবাসীদের তার দেশে গমনের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে রাজি। তিনি বলেন যদি ২০১৫ সালের মত অভিবাসী সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেবেন। বার্লিনে গত শুক্রবার বার্ষিক গ্রীষ্মকালীন সাংবাদিক সম্মেলনে তাকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এমন অভিমত প্রকাশ করেন। আরটি

সাংবাদিকদের মেরকেল বলেন যখন জার্মানি-অস্ট্রিয়া কিংবা হাঙ্গেরি-অস্ট্রিয়া সীমান্তে অভিবাসীরা দাঁড়িয়ে থাকে তখন তাদের সঙ্গে মানুষের মত ব্যবহার করা উচিত। ইউরোপকে এধরনের পরিস্থিতি আরো অনেকদিন মোকাবেলায় একই ধরনের শক্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অভিবাসীর মত বিষয় শেষ হয়ে যায়নি, একবিংশ শতাব্দীতে এটি অব্যাহত থাকবে। মেরকেল বলেন কোভিড পরিস্থিতি আরো কঠিন সংকট তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্যে এ এক দুর্যোগ বয়ে এনেছে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে অন্তত ১০ লাখ অভিবাসী জার্মানিতে আশ্রয়ের আবেদন জানায়। ওই পরিস্থিতি ছিল মেরকেলের ১৫ বছর শাসনাকালে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। জার্মান নাগরিকদের মধ্যে অভিবাসীদের নিয়ে প্রাথমিক সমর্থন সত্ত্বেও নির্যাতনের বেশ কিছু ঘটনায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। জার্মানির ১২টি শহরে অন্তত সাড়ে ১২’শ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। অন্তত ২৪ জন ধর্ষণের শিকার হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এধরনের অপরাধের সঙ্গে ইউরোপিয় নয় এমন দেশের নাগরিক জড়িত ছিল। ২০১৬ সালে বার্লিন ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার ঘটনা অভিবাসীদের নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করে।

একই সঙ্গে জার্মানিতে অভিবাসন নীতি নিয়ে ব্যাপক সংশয় ছড়িয়ে পড়ে এবং এর বিরুদ্ধে এএফডি পার্টি প্রথমবারের মত ২০১৩ সালে সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে নেয়। মেরকেল তুরস্কের সঙ্গে অভিবাসী নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছান। গত বছর জার্মানিতে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ জন অভিবাসী প্রবেশ করেছে। এদের মধ্যে সিরিয়া থেকে এসেছে ৪১ হাজার ৯৪ জন। ৫৪ হাজার ৩৪ জনের আবেদন বাতিল হয়ে গেছে। ৪৫ হাজার ৫৩ জন শরণার্থীর মর্যাদা পেয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়