শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, চাপে নেতানিয়াহু ◈ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ২০ জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিল ইরান ◈ ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যাংক এশিয়ার কাছে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ ◈ টানা ছুটি শেষে আজ থেকে খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বাংলাদেশের বিকল্প শ্রমবাজারের অপেক্ষা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ◈ ‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ নিয়ে যা জানা গেল ◈ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ ◈ ভূমধ্যসাগরে দিক হারিয়ে ৬ দিন ভেসে থাকার পর ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার, মৃত্যু অন্তত ২২ ◈ ড‌য়ে‌চে‌ভে‌লের প্রতি‌বেদন- আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই, বলছে সরকার

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৯ দুপুর
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১১:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রয়োজনে আরো ১০ লাখ অভিবাসী নেবেন এ্যাঙ্গেলা মেরকেল

রাশিদ রিয়াজ : ২০১৫ সালে জার্মানিতে যে লাখ লাখ অভিবাসী ঢুকে পড়ে সেজন্যে কোনো দুঃখবোধ নেই চ্যান্সেলর এ্যাঙ্গেলা মেরকেলের। বরং তিনি তার বিতর্কিত অভিবাসন নীতিতে অভিবাসীদের তার দেশে গমনের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে রাজি। তিনি বলেন যদি ২০১৫ সালের মত অভিবাসী সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেবেন। বার্লিনে গত শুক্রবার বার্ষিক গ্রীষ্মকালীন সাংবাদিক সম্মেলনে তাকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এমন অভিমত প্রকাশ করেন। আরটি

সাংবাদিকদের মেরকেল বলেন যখন জার্মানি-অস্ট্রিয়া কিংবা হাঙ্গেরি-অস্ট্রিয়া সীমান্তে অভিবাসীরা দাঁড়িয়ে থাকে তখন তাদের সঙ্গে মানুষের মত ব্যবহার করা উচিত। ইউরোপকে এধরনের পরিস্থিতি আরো অনেকদিন মোকাবেলায় একই ধরনের শক্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অভিবাসীর মত বিষয় শেষ হয়ে যায়নি, একবিংশ শতাব্দীতে এটি অব্যাহত থাকবে। মেরকেল বলেন কোভিড পরিস্থিতি আরো কঠিন সংকট তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্যে এ এক দুর্যোগ বয়ে এনেছে।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে অন্তত ১০ লাখ অভিবাসী জার্মানিতে আশ্রয়ের আবেদন জানায়। ওই পরিস্থিতি ছিল মেরকেলের ১৫ বছর শাসনাকালে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। জার্মান নাগরিকদের মধ্যে অভিবাসীদের নিয়ে প্রাথমিক সমর্থন সত্ত্বেও নির্যাতনের বেশ কিছু ঘটনায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। জার্মানির ১২টি শহরে অন্তত সাড়ে ১২’শ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। অন্তত ২৪ জন ধর্ষণের শিকার হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এধরনের অপরাধের সঙ্গে ইউরোপিয় নয় এমন দেশের নাগরিক জড়িত ছিল। ২০১৬ সালে বার্লিন ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার ঘটনা অভিবাসীদের নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করে।

একই সঙ্গে জার্মানিতে অভিবাসন নীতি নিয়ে ব্যাপক সংশয় ছড়িয়ে পড়ে এবং এর বিরুদ্ধে এএফডি পার্টি প্রথমবারের মত ২০১৩ সালে সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে নেয়। মেরকেল তুরস্কের সঙ্গে অভিবাসী নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছান। গত বছর জার্মানিতে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ জন অভিবাসী প্রবেশ করেছে। এদের মধ্যে সিরিয়া থেকে এসেছে ৪১ হাজার ৯৪ জন। ৫৪ হাজার ৩৪ জনের আবেদন বাতিল হয়ে গেছে। ৪৫ হাজার ৫৩ জন শরণার্থীর মর্যাদা পেয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়