প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]‘মার্চ অব ওয়াশিংটন’: ৫৭ বছর পর মার্টিন লুথার কিংয়ের সেই স্থানে আবারো বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ

লিহান লিমা: [২] মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ কালজয়ী বক্তৃতার বর্র্ষপূর্তিতে আরো একটি বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভ দেখলো ওয়াশিংটন। স্থানীয় সময় শুক্রবার লিংকন মেমোরিয়াল থেকে ওয়াশিংটনের মনুমেন্ট পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার পথজুড়ে ৫০ হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক জনসমাগম করেন। লিংকন মেমোরিয়ালে প্রবেশের পূর্বে সবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয় এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়, পালন করা হয়েছিলো সামাজিক দুরুত্ব। ডেইলি মেইল

[৩] ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসি’র এই ন্যাশনাল মলেই প্রায় আড়াই লাখ মানুষের সামনে বর্ণবাদবিরোধী ভাষণ দিয়েছিলেন মার্টিন লুথার।

[৪] বিক্ষোভকারীরা পুলিশি সংস্কার এবং ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে মার্কিনিদের ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। ‘মার্চ অব ওয়াশিংটন’ র‌্যালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ একটিই বার্তা দিয়েছেন ‘যদি আপনি পরিবর্তন চান, ভোট দিন।’ গত মে মাসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাঁটুর নিচে পড়ে শ্বাসরোধে নিহত জর্জ ফ্লয়েডকে স্মরণ করে তারা বলেন, ‘আমাদের নাক থেকে তোমাদের হাঁটু সরিয়ে নেও।’ আল জাজিরা

[৫] র‌্যালিতে দেয়া ভাষণে মার্টিন লুথার কিংয়ের পুত্র লুথার কিং তৃতীয় বলেন, ‘আমাদের গণতন্ত্রের ওপর হাঁটু চেপে রাখা হয়েছে। আমাদের দেশ স্বাধীনতার অক্সিজেন ব্যতীত দীর্ঘদিন ধরে দিনতিপাত করছে।’ লুথার কিংয়ের ১২ বছরের নাতনী রেইনি কিং বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাদের প্রজন্ম আমাদের দাদার সমতার স্বপ্ন পূরণ করবে।’

[৬] নাগরিক অধিকার কর্মী আল শার্পটন বলেন, ‘আমরা এখানে শো করার জন্য আসি নি। আইনপ্রণয়ন ব্যতীত প্রতিবাদে কোনো লাভ হবে না।’

[৭] জর্জ ফ্লয়েডের বোন ব্রিজিত ফ্লয়েড বলেন, ‘আমার ভাই আজ কথা বলতে পারছেন না। আমরা তার কণ্ঠ হয়ে উঠেছি। আমরা পরিবর্তন আনবো।’

[৮] কেনোসাতে পুলিশের হাতে সাতটি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি জ্যাকব ব্লেকের বাবা বলেন, ‘এই র‌্যালি যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদের আদালত। আর রায় হলো- তারা অপরাধী।’

[৯] ইলিনয়ের কৃষ্ণাঙ্গ নারী কিম্বারলি জোনস বলেন, লুথার তার ভাষণে পুলিশি নৃশংসতার ভয়াবহতার কথা বলেছিলেন। তিনি এমন একটি আমেরিকার স্বপ্ন দেখেছেন যেখানে তার ‘সন্তানদের গায়ের বর্ণের ভিত্তিতে নয়, চরিত্রের ভিত্তিতে বিচার করা হবে।’ ৫৭ বছর পার হয়েছে, কিন্তু পরিবর্তন আসে নি। আমরা এখনো সমতার জন্য লড়াই করছি। আমি হতাশ। আমি ক্ষুদ্ধ।

[১০] ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন ও ভাইস- প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, ‘মার্চ অব ওয়াশিংটন’ র‌্যালিতে সমর্থন জানিয়ে টুইট করেন। এদিকে এই র‌্যালি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত