প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেনি ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান, শর্ত শিথিল চায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিকরা

শিমুল মাহমুদ: [২] বাংলাদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের নিবন্ধন এবং লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারের বেঁধে দেয়া সময়ের মেয়াদ শেষ হয় গতকাল রোববার ২৩ শে অগাস্ট।

[৩] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০১৮ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাড়ে ১৭ হাজার ২৪৪টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজারের মত প্রতিষ্ঠান ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল শাখায় নিবন্ধন নবায়নের জন্য আবেদন করেছে ১২ হাজার ১২০টি প্রতিষ্ঠান। নবায়ন হয়েছে ৪ হাজার ৫১৯টি লাইসেন্স। অপেক্ষমাণ আছে ৭ হাজার ৬০৮ টি। এখনও আবেদন করেনি ৫ হাজার ১১৭ টি প্রতিষ্ঠান।

[৪] বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকায় আবেদন করেছে ৩৪৮৫টি, চট্টগ্রামে ২৪৬৭টি, রাজশাহীতে ১৬৬৭টি, রংপুরে ৯৬৪টি, খুলনায় ১৫৯২টি, বরিশালে ৭৪০টি, সিলেটে ৫০৭টি ও ময়মনসিংহে ৭০৫টি।

[৫] অপরদিকে লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে- ঢাকায় ১৭৫৪টি, চট্টগ্রামে ৭৬১টি, রাজশাহীতে ৮০৩টি, রংপুরে ১৪১টি, খুলনায় ৪৪৩টি, বরিশালে ৩১৭টি, সিলেটে ২১২টি এবং ময়মনসিংহে ৮৮টির।

[৬] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক বিভাগের পরিচালক ডা. ফরিদ হোসেন মিয়া বিবিসিকে বলেন, যাদের আদৌ লাইসেন্স নেই, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে, অর্থাৎ তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি যাদের লাইসেন্স আছে, কিন্তু নবায়ন করেনি তাদের প্রয়োজনে কিছুটা সময় দেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তারা আবেদন করলেই একমাত্র সেটি সম্ভব।

[৭] বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতির সভাপতি মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, নিবন্ধন ও লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকার যেসব শর্ত দিয়েছে, অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো পূরণ করা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠিন। সেজন্য রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে একটি বৈঠক করে তারা সরকারি নিয়মকানুন কিছুটা শিথিলের আবেদন জানিয়েছেন।

[৮] তিনি জানান, হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্সের যে অনুপাত চাওয়া হয়েছে, সেটা নিশ্চিত করা যাবে না। সরকারি নিয়ম হচ্ছে, ১০ বেডের জন্য তিনজন ডাক্তার এবং ছয়জন নার্স থাকতে হবে। কিন্তু দেশে ডিপ্লোমা নার্সের সংখ্যা অপ্রতুল, ফলে অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিক চাইলেও সেটা পারবে না।

[৯] আবার পরিবেশের জন্য সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ইটিপি বা পরিশোধন ব্যবস্থা রাখতে হবে, সেটা ব্যয়সাপেক্ষ একটি ব্যাপার। সেটাও অনেক হাসপাতাল ম্যানেজ করতে পারবে না। এগুলোর জন্যই আমরা কিছু শর্ত শিথিল করার আবেদন জানিয়েছি।

সর্বাধিক পঠিত