শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২০ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২০, ০৯:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাসুদ রানা: রাষ্ট্রধর্ম বনাম ধর্মরাষ্ট্র প্রসঙ্গে

মাসুদ রানা: রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মরাষ্ট্র এক নয়। রাষ্ট্রধর্ম হলো রাষ্ট্রের ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য। আর ধর্মরাষ্ট্র হচ্ছে ধর্ম চালিত রাষ্ট্র। অর্থাৎ একটি হচ্ছে বৈশিষ্ট্য এবং অন্যটি প্রতিষ্ঠান। লক্ষ করছি, বিস্তর আলোচনা চলছে রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে। কেউ সমর্থন করছেন এবং কেউ বিরোধিতা করছেন। আমার অনুরোধ, যে যেটির সমর্থন করেন, দয়া করে বুঝে করুন। তবে এখন স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ীয় হওয়ার অব্যবহিত পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম সংবিধানে সংজ্ঞায়িত হয়েছিলো চার মৌলিক নীতির দ্বারা, যদিও রাষ্ট্রধর্ম কথাটা উল্লেখিত ছিলো না। সেই চার নীতি হচ্ছে জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র।

আরও একটি কথা। বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিলো ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তান নামক ধর্মরাষ্ট্রের কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীনতার যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে। তাই বাংলাদেশ কোনো ধর্মরাষ্ট্র নয়। উপরের বিষয় কটি বুঝে তারপর রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে কথা বলুন। কোনো অসুবিধা নেই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়