শিরোনাম
◈ এক কক্ষে শতাধিক, চৌকি ভাগাভাগি করে ঘুম, রাজারবাগে করুণ অবস্থায় পুলিশ সদস্যরা! ◈ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনিশ্চয়তা, জমা অর্থ কবে পাবেন গ্রাহক?  ◈ স্বাস্থ্যকর ওটসই শরীরের শত্রু! যাদের এড়িয়ে চলা উচিৎ ◈ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই ◈ কৃষক কার্ড বিতর‌ণের জন‌্য তৈরি করা তালিকায় পাঁচ শতাধিক  অস্তিত্বহীন ◈ ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ আবার আলোচনায়, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের দলগুলোর ◈ আজ থেকে ঈদযাত্রায় ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু ◈ ইরানে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল তেহরান ◈ ‌মে‌সিকা‌ণ্ডের ফাইল চেয়েছি, প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো : নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ ◈ ১৫০ কোটি টাকার বালাসী-বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট টার্মিনাল এখন ড্রেজার বেইজ

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ০১:০১ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ০১:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পল্টনে মিললো ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট, দিনে তৈরি হতো ৫ লাখ টাকা

সুজন কৈরী: [২] রাজধানীর পল্টনে বিএনপির পার্টি অফিসের দক্ষিণ পাশে পুরানা পল্টন লেনের ২৫/২ নম্বরস্থ একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) গুলশান ইউনিট।

[৩] অভিযানকালে প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি জাল টাকা তৈরির উপকরণ ও ৫৭ লাখ জাল টাকা জব্দ করা হয়। শুক্রবার বিকেলের এ অভিযানে আটক হয়েছে জাল টাকার বিশেষ কাগজ তৈরিকারক কাওসার, প্রিন্টিংম্যান হান্নান, কারখানার ম্যানেজার আরিফ এবং সরবরাহকারী ইব্রাহীম ও খুশি নামের একজন নারীকে।

[৪] গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান বলেন, কারখানার অর্থদাতা শাহিন নামের একজন। তিনি একাধিক মামলার আসামির। আটকরা আগেও একাধিক মামলায় জেলে ছিলেন। শাহিনকে আটকের চেষ্টা চলছে।

[৫] মশিউর রহমান বলেন, গত দেড় মাস ধরে তারা ভবনের পঞ্চম এবং ষষ্ঠ তলা ভাড়া নিয়ে জাল টাকা তৈরি করছিলো। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ও সর্বনিম্ন তিন লাখ টাকা করে তারা উৎপাদন করত। প্রতি বান্ডেলে এক লাখ টাকা থাকে। এই এক লাখ টাকা ৯ হাজার থেকে শুরু করে ১৩ হাজার টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করতো দেশের বিভিন্ন জেলায়। আর পাইকারের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনে নিয়ে সেগুলো ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মার্কেটে ছেড়ে দিতো। ঈদের পরে আগামী পাঁচ ছয় মাস পর্যন্ত সেখান থেকে বড় ধরণের ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছিলো চক্রটি।

[৬] ডিবির কর্মকর্তা মশিউর জানান, ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালানোর আশঙ্কায় চক্রটি ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিলো। তবে ঈদের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত তাদেরকে খুঁজবেনা, এমন আশায় বড় আঙ্গিকে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে চক্রটি পল্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় কারখানা স্থাপন করে।

[৭] আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়