শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ০১:০১ রাত
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২০, ০১:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পল্টনে মিললো ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট, দিনে তৈরি হতো ৫ লাখ টাকা

সুজন কৈরী: [২] রাজধানীর পল্টনে বিএনপির পার্টি অফিসের দক্ষিণ পাশে পুরানা পল্টন লেনের ২৫/২ নম্বরস্থ একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) গুলশান ইউনিট।

[৩] অভিযানকালে প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি জাল টাকা তৈরির উপকরণ ও ৫৭ লাখ জাল টাকা জব্দ করা হয়। শুক্রবার বিকেলের এ অভিযানে আটক হয়েছে জাল টাকার বিশেষ কাগজ তৈরিকারক কাওসার, প্রিন্টিংম্যান হান্নান, কারখানার ম্যানেজার আরিফ এবং সরবরাহকারী ইব্রাহীম ও খুশি নামের একজন নারীকে।

[৪] গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান বলেন, কারখানার অর্থদাতা শাহিন নামের একজন। তিনি একাধিক মামলার আসামির। আটকরা আগেও একাধিক মামলায় জেলে ছিলেন। শাহিনকে আটকের চেষ্টা চলছে।

[৫] মশিউর রহমান বলেন, গত দেড় মাস ধরে তারা ভবনের পঞ্চম এবং ষষ্ঠ তলা ভাড়া নিয়ে জাল টাকা তৈরি করছিলো। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ও সর্বনিম্ন তিন লাখ টাকা করে তারা উৎপাদন করত। প্রতি বান্ডেলে এক লাখ টাকা থাকে। এই এক লাখ টাকা ৯ হাজার থেকে শুরু করে ১৩ হাজার টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করতো দেশের বিভিন্ন জেলায়। আর পাইকারের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনে নিয়ে সেগুলো ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মার্কেটে ছেড়ে দিতো। ঈদের পরে আগামী পাঁচ ছয় মাস পর্যন্ত সেখান থেকে বড় ধরণের ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছিলো চক্রটি।

[৬] ডিবির কর্মকর্তা মশিউর জানান, ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালানোর আশঙ্কায় চক্রটি ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিলো। তবে ঈদের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত তাদেরকে খুঁজবেনা, এমন আশায় বড় আঙ্গিকে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে চক্রটি পল্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় কারখানা স্থাপন করে।

[৭] আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

  • সর্বশেষ