প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কামারখন্দে সেতুর অভাবে দেড় লাখ মানুষের দুর্ভোগ

মো,রাইসুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সেতুর অভাবে ১৪টি গ্রামের প্রায় দেড় লাখ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার দশসিকা গ্রামে ফুলজোড় নদীর উপর সেতু নির্মিত হলে স্বস্তি ফিরবে এই অঞ্চলের মানুষের। বন্যার কারণে নৌকায় করে মুরগির খাদ্য ও মুরগি পরিবহন করতে সমস্যা হওয়ায় বন্ধ হয়েছে বেশ কিছু মুরগির খামার। লোকসানে পড়েছেন বহু খামারী।

[৩] স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার চর দশসিকা, চর শাহবাজপুর, চরগাড়াবাড়ী, বিলগাড়াবাড়ী, উল্লাপাড়া উপজেলার চর দমদমা, তেঁতুলিয়া, পেঁচরপাড়া, দুর্গাপুর, চিলারপাড়া, ধইঞ্চি, বড়হর, শুটকিপাড়া, সদাই, সহ কয়েকটি গ্রাম কৃষি পন্য উৎপাদন ও পোল্ট্রি শিল্পের জন্য বিখ্যাত। বন্যার সময় ফুলজোড় নদীতে পানি আসলে কৃষি ও পোল্ট্রি শিল্পের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যবসায় চরম ক্ষতি হয়।

[৪] গ্রামগুলোর প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ কামারখন্দ উপজেলার উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা, হাট-বাজার সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা নিতে যেতে হয় ফুলজোড় নদীর উপর দিয়ে। বর্ষাকালে নদীতে বন্যার পানি আসলে ৬ থেকে ৮ মাস ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পার হতে হয় এই সব এলাকার বাসিন্দাদের।

[৫] ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চর দশসিকা গ্রামে ফুলজোড় নদীর উপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হচ্ছেন অনেক মানুষ। আবার অনেক সময় নৌকা পাওয়া যায় না আবার নৌকা থাকলেও পারাপার হতেও অনেক সময় লাগে সেই নৌকা আবার সন্ধ্যা নামলেই থাকে না। বিশেষ করে স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও জরুরি রোগীদের যেন দুর্ভোগ বেশি পোহাতে হচ্ছে। এই এলাকায় ফুলজোড় নদীর উপর একটি সেতু নির্মিত হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এ অঞ্চলের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পাশাপাশি কৃষি ও পোল্ট্রি শিল্পের আরো প্রসার ঘটবে।

[৬] এ ব্যাপারে উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারি প্রকৌশলী আবু হানিফ জানান, দশসিকা গ্রামের ফুলজোড় নদীর উপর ১৫০ মিটার সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষা সহ প্রয়োজনীয় সকল জরিপ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের জন্য একনেক অনুমোদন দিয়েছে। সেতুটি নির্মাণের জন্য বর্তমানে ডিজাইনকরণের প্রক্রিয়ায় আছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত