শিরোনাম
◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট, তবু লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ ◈ দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী বোমা হামলা: নিউইয়র্ক টাইমস ◈ জ্বালানি সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা ◈ চলতি আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি! ◈ গুম প্রতিরোধ আইন অনুমোদন, মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সুজন হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

মিনহাজুল আবেদীন : [২] রাজধানীর দক্ষিণ রাজারবাগের চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার সর্বশেষ পলাতক আসামি শেখ আলমগীর (বাবু) ওরফে কালা বাবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই-উত্তর)। বৃহস্পতিবার রাতে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর), ইউনিট ইনচার্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওসমান গণি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাংলানিউজ

[৩] পিবিআই জানায়, ২০১১ সালের ১৮ মার্চ রাজধানীর দক্ষিণ রাজারবাগের বাগপাড়া শেষমাথা খাল থেকে সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ভিকটিমের বাবা এ ঘটনায় সবুজবাগ থানায় একটি মামলা করে। ৭ বছর মামলাটির সুরাহা না হওয়াতে মামলাটি পিবিআই'র কাছে হস্তান্তর করা হয়।

[৪] পিবিআই আরও জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার লাকসাম থেকে গত ২৯ ফেব্রæয়ারি আসমা আক্তার ইভা (৩২) ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ১ মার্চ তার দুই ভাই আরিফুল হক ওরফে আরিফ (৩৪) ও রানা ওরফে বাবুকে (২৪) পিবিআই গ্রেফতার করে। এছাড়াও আসামি ফজলু ওরফে কুটিকে ১০ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। জাগোনিউজ

[৫] পিবিআই’র কর্মকর্তা জানান, ২০০৮ সালে ইভার সঙ্গে সুজনের বিয়ে হয়। পরে ২০০৯ সালে ডিভোর্স হয়। সুজন ইভাকে খুব ভালোবাসতেন। তাই ডিভোর্সের পরও বাগপাড়ায় ইভার সঙ্গে দেখা করতে যেত সুজন। আর এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি ইভার বড় ভাই আরিফ এবং ইভার প্রেমিক ফাইজুল। ইভার সঙ্গে দেখা করা নিয়ে আরিফ এবং ফাইজুলের সঙ্গে সুজনের একাধিকবার তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ২০১১ সালের ১৪ মার্চ ফাইজুল তার বন্ধু কুটি ও কালা বাবুকে সঙ্গে নিয়ে ইভার বাসার সামনে বালুর মাঠে বসে সুজনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।

[৬] পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই দিন সন্ধ্যার সময় আরিফ তাদের বাসার পাশে চায়ের দোকানে একটি সাদা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে ফাইজুলের অপেক্ষা করছিল। পরে ফাইজুল একটি লাঠি নিয়ে আরিফের কাছে আসলে তারা বাগপাড়া শেষমাথা খালের পাশে যায়। কিছুক্ষণ পর কালা বাবুও সেখানে আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুটি সুজনকে খালপাড়ে ডেকে নিয়ে আসে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে ফাইজুল পেছন থেকে সুজনের দুই হাত আটকে ধরে আর তখনই কুটি পলিথিন ব্যাগ বের করে সুজনের মাথার ওপর দিয়ে তার মুখ চেপে গিট বেধে দেয়। আর আরিফ লাঠি দিয়ে সুজনকে পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে সুজন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরে তারা সুজনের মরদেহ খালে ফেলে দেয়। প্রিয়.কম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়