শিরোনাম
◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ◈ কূটনীতিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ◈ যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশসহ বিশ্বে যেসব প্রভাব পড়তে পারে ◈ দেশের সব ব্যাংকের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা ◈ জ্বালানি সংকটের আতঙ্কে স্টেশনে ভিড়, সরবরাহে শর্ত দিল সরকার ◈ ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা ◈ দলীয় এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান ◈ নারী এ‌শিয়া কা‌পে উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫ গো‌লে হার‌লো বাংলাদেশ  ◈ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্কুলে হামলার জন‌্য দায়ী : রয়টার্স 

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সুজন হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

মিনহাজুল আবেদীন : [২] রাজধানীর দক্ষিণ রাজারবাগের চাঞ্চল্যকর সুজন হত্যা মামলার সর্বশেষ পলাতক আসামি শেখ আলমগীর (বাবু) ওরফে কালা বাবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই-উত্তর)। বৃহস্পতিবার রাতে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর), ইউনিট ইনচার্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ওসমান গণি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাংলানিউজ

[৩] পিবিআই জানায়, ২০১১ সালের ১৮ মার্চ রাজধানীর দক্ষিণ রাজারবাগের বাগপাড়া শেষমাথা খাল থেকে সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ভিকটিমের বাবা এ ঘটনায় সবুজবাগ থানায় একটি মামলা করে। ৭ বছর মামলাটির সুরাহা না হওয়াতে মামলাটি পিবিআই'র কাছে হস্তান্তর করা হয়।

[৪] পিবিআই আরও জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার লাকসাম থেকে গত ২৯ ফেব্রæয়ারি আসমা আক্তার ইভা (৩২) ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ১ মার্চ তার দুই ভাই আরিফুল হক ওরফে আরিফ (৩৪) ও রানা ওরফে বাবুকে (২৪) পিবিআই গ্রেফতার করে। এছাড়াও আসামি ফজলু ওরফে কুটিকে ১০ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। জাগোনিউজ

[৫] পিবিআই’র কর্মকর্তা জানান, ২০০৮ সালে ইভার সঙ্গে সুজনের বিয়ে হয়। পরে ২০০৯ সালে ডিভোর্স হয়। সুজন ইভাকে খুব ভালোবাসতেন। তাই ডিভোর্সের পরও বাগপাড়ায় ইভার সঙ্গে দেখা করতে যেত সুজন। আর এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি ইভার বড় ভাই আরিফ এবং ইভার প্রেমিক ফাইজুল। ইভার সঙ্গে দেখা করা নিয়ে আরিফ এবং ফাইজুলের সঙ্গে সুজনের একাধিকবার তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ২০১১ সালের ১৪ মার্চ ফাইজুল তার বন্ধু কুটি ও কালা বাবুকে সঙ্গে নিয়ে ইভার বাসার সামনে বালুর মাঠে বসে সুজনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।

[৬] পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই দিন সন্ধ্যার সময় আরিফ তাদের বাসার পাশে চায়ের দোকানে একটি সাদা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে ফাইজুলের অপেক্ষা করছিল। পরে ফাইজুল একটি লাঠি নিয়ে আরিফের কাছে আসলে তারা বাগপাড়া শেষমাথা খালের পাশে যায়। কিছুক্ষণ পর কালা বাবুও সেখানে আসে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুটি সুজনকে খালপাড়ে ডেকে নিয়ে আসে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে ফাইজুল পেছন থেকে সুজনের দুই হাত আটকে ধরে আর তখনই কুটি পলিথিন ব্যাগ বের করে সুজনের মাথার ওপর দিয়ে তার মুখ চেপে গিট বেধে দেয়। আর আরিফ লাঠি দিয়ে সুজনকে পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে সুজন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরে তারা সুজনের মরদেহ খালে ফেলে দেয়। প্রিয়.কম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়