প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যোগেশ রায় : অনলাইন ক্লাস, শিক্ষার্থীদের জন্য আশীর্বাদ, নাকি দুর্ভোগ

যোগেশ রায় : অনলাইন ক্লাস করার নিদের্শ দিলো ইউজিসি, ক্লাস শুরু করে দিলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ইউজিসি ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের কোনো ব্যবস্থা করতে পারলো না। আসলে ইউজিসি কী কাজ করলো? শিক্ষার্থী জন্য আশীর্বাদ না বিপদ ডেকে আনলো?

ইউজিসি অনলাইন ক্লাস করার জন্য প্রথমে মোবাইল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কথা বললো। এটা খুব ভালো উদ্যোগ ছিলো। পরে তারা খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানালো। কিন্তু এর ফলাফল শূন্য। পরে তারা জরিপ করলো। ফলাফল ১৮-১৯ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের পক্ষে ভোট দিলো। এই ফলাফলে ইউজিসির মনে সূর্যের উদয় হলো। ইউজিনি মনে করলো অনলাইনে ক্লাস করতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা। এখানে একটা ভাবার বিষয়, ঢাবিতে ৪০ হাজার শিক্ষার্থী এবং জবিতে ২০ হাজার শিক্ষার্থী। শুধু দুইটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৬০ হাজার। ইউজিসি অনলাইনে মাত্র গুটিকয়েক শিক্ষার্থীদের মতামত নিয়ে ক্লাস করার সিদ্ধান্ত নিলো। ইন্টারনেট/নেটয়ার্কের সুবিধার কোনো কথা বললো না। ইউজিসি তাদের মতো সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলো।
অধিকাংশ ভিসিও ঘোষণা দিলেন অনলাইনে ক্লাস করার। তারা শিক্ষার্থীদের কথা ভাবলেন না, তারা শিক্ষার্থীবান্ধব হতে পারলেন না, তারা হলেন তেলবান্ধব। এই কাজটা তারা খুব ভালো পারেন।

গত বছর জাফর ইকবাল স্যার বলেছিলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে লবিং-তদবির করে ভিসি/শিক্ষক হন, যা অন্য কোনো দেশে হয় না। আসলে এই কথা তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মান নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। কারা এই পেশা নিয়োগ পাচ্ছেন? এই বিষয়টা নিয়ে যদি একটু খোঁজখবর নেন, বুঝবেন শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির ‘বার’ অবস্থা। স্বাস্থ্য খাতের মতো এখানেও একই অবস্থা। অনলাইন ক্লাস কতোজন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন? এটারো জরিপ চালানো দরকার। কতোজন শিক্ষার্থী ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে? কতোজন বঞ্চিত হচ্ছেন? এটা জরিপ করে ফলাফল ঘোষণা করা এবং অনলাইন ক্লাস চলতে থাকলে ইন্টারনেটে সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত