শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২০, ১০:১১ দুপুর
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২০, ১০:১১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উত্তরে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এবং দক্ষিণে বাসায় কোরবানি দেয়ার পরামর্শ মেয়রদের

ডেস্ক রিপোর্ট : বিগত বছরগুলোতে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ সুবিধায় কোরবানি দেওয়ার জন্য রাজধানী ঢাকায় নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করে দিতো ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু এবছর ঈদের ব্যবস্থাপনা নাগরিকদের ওপর ছেড়ে দিচ্ছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সংস্থাটি বলছে, করোনার কারণে মানুষকে রাস্তা বা বাসার বাইরে কোরবানি না দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সে কারণে ঈদের দিন কোরবানির কোনও ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে না। আর উত্তর সিটি করপোরেশন কোরবানি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে। সংস্থাটি অনলাইনে পশু কেনাকাটা থেকে শুরু করে মাংস বাসায় পৌঁছে দেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে নগরীর বিভিন্ন স্থানের নির্ধারিত এলাকায় পশু জবাই দেওয়ার স্থানও চিহ্নিত করে দেবে। দুই সিটির শীর্ষস্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এবছর হাটের পাশাপাশি ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থাও করেছি। মানুষ চাইলে অনলাইনের মাধ্যমে পশু কেনাকাটা করতে পারবে। এখান থেকে কিন্তু আমরা একটা টাকাও পাচ্ছি না। শুধু কেনাকাটা নয়, চাইলে পশু জবাই করেও আমরা বাসায় পৌঁছে দেবো। সেই ব্যবস্থাও করছি। এজন্য ফুডপান্ডা, সেবা ডটকম, এসএ পরিবহনসহ অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গেও আমরা চুক্তি করতে যাচ্ছি। এজন্য আমরা একটা টাকাও নেবো না। আমরা নাগরিকদের সুবিধার্থে এই উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকার বসিলা, বনানী ও উত্তরাসহ চারটি এলাকায় পশু জবাই দেবো। যেখান থেকে মাংস বাসাবাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ চান যে তার মাংসের এক তৃতীয়াংশ আমাদের মাধ্যমে গরিব মানুষের মাঝে বণ্টন করবেন, আমরা সে ব্যবস্থাও রাখবো। আর যত্রতত্র কোরবানি দিলে শহর নোংরা হয়। তাই অন্যান্য বছরের মতো যাতে যত্রতত্র কোরবানি না হয়, সেজন্য বিভিন্ন স্থানে প্যান্ডেলও করে দেবো। সেসব স্থানে স্বাস্থ্যবিধি যাতে পুরোপুরিভাবে পালন করা হয় সেটাও দেখভাল করা হবে। আমি মনে করি মানুষ আমাদের এই সেবা গ্রহণ করবে।

করোনাকালে কোরবানি ঈদের ব্যবস্থাপনা নাগরিকদের ওপর ছেড়ে দিচ্ছে ডিএসসিসি। সংস্থাটির মতে পশু জবাই দেওয়ার জন্য নির্ধারিত স্থান করে দিলেও কেউ সেখানে কোরবানি দেয় না। সংস্থার কাউন্সিলররাও এই উদ্যোগে আগ্রহী নন। সেকারণে এবছর তারা নির্ধারিত স্থান করতে আগ্রহী নয়।

জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. এমদাদুল হক বলেন, আমরা এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে গত বোর্ড সভায় আমাদের কাউন্সিলরদের অনেকেই বলেছেন, পশু জবাই দেওয়ার জন্য নির্ধারিত স্থান করে দিলে কেউ সেখানে যায় না। বিগত বছরগুলোতেও এমন চিত্র দেখা গেছে। এবছর যেহেতু প্রেক্ষাপট অনেকটা ভিন্ন, তাই তারা (কাউন্সিলররা) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কোরবানির মতামত দিয়েছেন। মানুষ নিজেরাই সতর্কতার সঙ্গে নিজের নিজের আয়ত্তের মধ্যে কোরবানি দেবে।

কোরবানি দেওয়ায় যদি সতর্কতা অবলম্বন করা না হয়, তাহলে কী বিপদ হতে পারে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, কোরবানি খোলা জায়াগায় দেওয়া হলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে। একটা পশু যখন কোরবানি হবে তখন সেখানে একাধিক মানুষ থাকবে। ইতোমধ্যে লক্ষণ-উপসর্গবিহীন করোনায় আক্রান্ত হার বেড়েছে। সেখানে কে আক্রান্ত কে নয় সেটা বোঝার উপায় নেই। তাই অপরিচিত মানুষের সংস্পর্শে কোনোভাবেই যাওয়া যাবে না—এটা প্রথম থেকেই বলে আসা হয়েছে। একইসঙ্গে ঈদের সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পশু কোরবানির পাশাপাশি বৃষ্টি হলে পশুর হাট, রক্ত এবং বৃষ্টি—এ তিনে পরিবেশের একেবারে বিপর্যয় ঘটবে। এ বছর পশুর হাট বা আগের নিয়মে পশু কোরবানি দেওয়ার মানে হচ্ছে জাতির জন্য সর্বনাশ ডেকে আনা।

সুত্র : বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়