প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শনাক্ত হার সর্বোচ্চ আরও পরীক্ষা জরুরি

ডেস্ক রিপোর্ট : কম পরীক্ষার কারণে রোগী শনাক্তের সংখ্যা কমে গেছে। কিন্তু পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্তের হার বেড়ে গেছে। গত তিন দিন ধরে এই হার বাড়ছে। বিশেষ করে বড় পরিসরে পরীক্ষা শুরুর পর গতকাল সোমবার দেশে এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত হার পাওয়া গেছে। ১২ হাজার ৪২৩টি নমুনা পরীক্ষায় ৩ হাজার ৯৯ জন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। দেশ রূপান্তর

এর আগে গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের দিনে মাত্র ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সেখানে ৩ জনের মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ছিল ৪৩ শতাংশ। এরপর ধীরে ধীরে নমুনা পরীক্ষা বাড়তে থাকে। গত ২০ মে পর্যন্ত করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের মধ্যেই ছিল। পরে ২৫ মে থেকে মধ্য জুন পর্যন্ত গড় শনাক্ত হার ছিল ২১-২২ শতাংশ। এরপর গতকালই সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ হারে শনাক্ত পাওয়া গেল।

হঠাৎ করেই পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্তের হার বেড়ে যাওয়াকে উদ্বেগজনক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তারা এমনও বলছেন, বিধিনিষেধ আরোপ করে সীমিত পরীক্ষার কারণে এই পরিসংখ্যান দেশের করোনার প্রকৃত চিত্র বোঝায় না। বরং সংক্রমণের ব্যাপারে এক ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ায়। এটা দেখে উপসর্গ রয়েছে, এমন লোকজনদের মধ্যে যারা পজিটিভ, তাদের সংখ্যা। কিন্তু এর বাইরে করোনার মৃদু উপসর্গ নিয়ে বিপুল জনসংখ্যা রয়েছে। তারা পরীক্ষার আওতায় আসছে না।

শনাক্তের হার তিন দিন ধরে বাড়ছে, এটা কীসের নির্দেশক- জানতে চাইলে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরামর্শক ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, সাধারণত সংক্রমিত এলাকা থেকেই নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে দেশে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি। হয়তো ধীরগতির, কিন্তু ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

তবে সীমিত পরীক্ষার কারণে শনাক্তের হারের বর্তমান পরিসংখ্যান সংক্রমণের গতিপ্রকৃতির ক্ষেত্রে অতটা তথ্যনির্ভর নয় এবং এ ধরনের তথ্য দেশে করোনা পরিস্থিতির মূল চিত্র তুলে ধরে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি পরীক্ষা করে অনেক কম শনাক্তের হার সর্বোচ্চ সংক্রমিত দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গতকাল ভারতে ২ লাখ ১৯ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৮ হাজার ৭০১ জন ও পাকিস্তানে ২২ হাজার ৫৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ হাজার ৭৬৯ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। দেশ দুটিতে শনাক্তের হার ভারতে ১৩ ও পাকিস্তানে ১২। একই সময়ে বাংলাদেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ হাজার ৪২৩টি। এতে ৩ হাজার ৯৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৫ শতাংশ।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, এখন যদি নমুনা পরীক্ষা বাড়ানো হয়, তা হলে শনাক্তের হার কমে আসবে। তখন রোগীর সংখ্যা বাড়বে। এখন উপসর্গহীন যেসব রোগী বাদ পড়ছে, তখন তারা যুক্ত হবে। তখনই প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে। এখন যে পরিসংখ্যান, সেটা প্রকৃত কিছু বোঝায় না।

এসব বিশেষজ্ঞ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে আবারও পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলেন, টেস্টিং, ট্রেসিং, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন এই চারটি কাজ একসঙ্গে করতে হবে। সবাইকে পরীক্ষার আওতায় আনা না গেলে সংক্রমণের পকেট চিহ্নিত হবে না। পরে এসব পকেট ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।

এ ব্যাপারে করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, শনাক্তের হার বাড়া মানে শতকরা হিসাবে রোগী বাড়ছে। আজ (গতকাল) ১২ হাজার ৪২৩ পরীক্ষা করে ৩ হাজার ৯৯ জন রোগী পাওয়া গেছে, এটা যদি ১৮ হাজার করতাম, তাহলে ৫ হাজার রোগী হতো। অর্থাৎ বেশি পরীক্ষা করলে বেশি রোগী শনাক্ত হতো। এই হার বৃদ্ধি মানে জনসাধারণের মধ্যে সংক্রমণ হারটা বেশি। তবে পরীক্ষা আরও বেশি হলে এই তথ্যটা আরও সঠিক হতো। কম পরীক্ষার কারণে শনাক্তের প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, এখন ২৫ জন রোগী পাওয়া যাচ্ছে। পরীক্ষা বেশি হলে সার্বিক বিচারে এই তথ্য আরও নির্ভরযোগ্য হতো।

ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্তের যে হার দেখা যাচ্ছে, সেটা দিয়ে করোনার সার্বিক পরিস্থিতি বোঝা কঠিন। কারণ এটা দেশে করোনায় আদৌ কোনো আক্রান্তের সংখ্যা না। এটা হলো গতকাল যাদের পরীক্ষা করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কতজন পজিটিভ। এখন শনাক্তের হারটা বেশি বাড়ার কারণ হলো এখন খুব বেছে বেছে সীমিত সংখ্যক নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাদের একাধিক লক্ষণ আছে, অর্থাৎ যাদের করোনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তাদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগে নমুনা সংগ্রহ এর বাইরেও অনেকের করা হতো। সেটা অর্থাৎ ডিনোমিনেটর (যাকে দিয়ে সংখ্যা বের করা হয়, অর্থাৎ কতজনকে পরীক্ষা করা হলো) যেহেতু কমে গেছে, তাই আনুপাতিক হারে মনে হচ্ছে পজিটিভ বেশি। এটা করোনার প্রকৃত চিত্র না। প্রকৃত চিত্র এমন হতে পারত, একটা এলাকায় শতকরা কতভাগ লোক আক্রান্ত। এটা তো সেটা নির্দেশ করে না।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, পরীক্ষা কম করা কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না। এটা একটা ভুল সিদ্ধান্ত। ট্রেসিং ও টেস্টিং- এই দুটো জায়গায় খুব গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এটা করলে রোগীর সংখ্যা বাড়বে। কিন্তু শনাক্তের সংখ্যা বাড়বে না। তখন প্রকৃতচিত্র বোঝা যাবে। সে অনুযায়ী রোগটি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে পারব। অর্থাৎ যত বেশি রোগী শনাক্ত করা যায়। যাতে করে তাদের আইসোলেশনে নেওয়া যায় এবং তাদের সংস্পর্শে কারা এসেছে তাদের কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া যায়। ট্রেসিং, টেস্টিং, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন- এই চারটা কাজে একসঙ্গে করতে হবে।

ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, শনাক্ত হার বাড়ছে মানে মৃদু লক্ষণযুক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তার মানে দেশে মৃদু লক্ষণযুক্ত রোগী অনেক আছে। সেটা বাড়ছে। ক্রিটিক্যাল রোগীর সংখ্যা আগের মতোই আছে। রোগীরা এখন হাসপাতালে যাচ্ছে না। কারণ তারা দেখছে বাসায় থেকে নিরাময় সম্ভব ও আরেকটা হচ্ছে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা। যাদের উপায় নেই তারা হাসপাতালে যাচ্ছে। তবে বর্তমানে মৃত্যুঝুঁকি জটিল রোগীর সংখ্যা কম। গত তিন-চার সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। গড়ে ৩০-৪৫ জনের মধ্যে ওঠানামা করছে।

পরীক্ষা কমের কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ ধরেই কিট নিয়ে ঝামেলা চলছে। আমদানিকৃত কিট মান যাচাইয়ের পরীক্ষায় ছাড় পাচ্ছিল না। তবে নমুনা পরীক্ষা ধীরে ধীরে বাড়ছে। কারণ কিট সংকটের কারণেই মূলত পরীক্ষার ব্যাপারে বিধিনিষেধ ছিল। সেটা এখন তুলে নেওয়ার কথা। কারণ কিট সংকট কেটে গেছে। বন্ধুরাষ্ট্র চীন থেকে বিনামূল্যে আরটিপিসিআর মেশিন, কমমূল্যে কিট দেওয়ার কথা বলেছে। চীনা বিশেষজ্ঞ দল এসব বলে গেছে। সামনে হয়তো পরীক্ষা নিয়ে ঝামেলা থাকবে না।

তবে ব্যবস্থাপনাটা আরও গতিশীল হওয়া দরকার বলে মনে করেন এই কিটতত্ত্ববিদ। তিনি বলেন, পরীক্ষার ফল দ্রুত দেওয়া, শনাক্তদের আইসোলেট, যাদের পজিটিভ পাওয়া গেছে তাদের ফলোআপ করা এবং তাদের সংস্পর্শে যারা ছিল তাদের কোয়ারেন্টাইন করা। করোনা নিয়ন্ত্রণে টেস্ট একমাত্র বিষয় না। টেস্ট গোটা কাজের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাকি কাজ করতে হবে। তা না হলে সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে।

চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিসেস (বিআইটিআইডি) এর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ল্যাব প্রধান ডা. শাকিল আহমেদ  বলেন, শনাক্তের হার বাড়ছে কারণ এখন অল্প পরিসরে কেবল উপসর্গ রয়েছে এবং যাদের ফি দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে এমন লোকজনদেরই পরীক্ষা হচ্ছে। আগে ফ্রি ছিল। সন্দেহ দেখা দিলেই পরীক্ষা করত। আগে এক বাড়ির ১০ জন আসত, এখন দুইজন আসে। এটা দিয়ে সংক্রমণ বাড়ছে বা কমছে, এমন কিছুই বোঝায় না। কারণ এখন চিহ্নিত লোকজনদেরই পরীক্ষা হচ্ছে। এ ধরনের পরীক্ষা যত বাড়বে, শনাক্তের হারও তত বাড়বে। কারণ এরা সবাই পজিটিভ।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, যদি পরীক্ষার ফি নির্ধারণ না হতো, আগের মতোই সবার পরীক্ষা করা যেত, তা হলে শনাক্তের হার গুরুত্ব পেত। তখন প্রকৃত অবস্থা বোঝা যেত। এখন বোঝা যাচ্ছে না।

‘এ ধরনের শনাক্তের হার কোনো উদ্বেগ বহন করে না। উদ্বেগটা হলো- আমরা এখনো একটা বড় অংশ জনসংখ্যাকে পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখছি। এদের মধ্যে ভাইরাস বহন করছে এমন সংখ্যক মানুষও রয়েছে। এখন মনে হচ্ছে সংক্রমণ কমে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতায় তা হবে না। বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমণের পকেট রয়ে যাবে। পকেটগুলোকে আমরা চিহ্নিত করতে পারব না। তার মানে পরীক্ষা বাড়াতেই হবে। একটা রোগ নির্মূল করতে চাইলে সবাইকে পরীক্ষার আওতায় আনতেই হবে’- বলেন ডা. শাকিল আহমেদ।

কম পরীক্ষার ব্যাখ্যা দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর : পরীক্ষা কমার ব্যাপারে গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষার সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কারণ যেমন- মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেকটাই কমে গেছে। মানুষ অনেকটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। তারা পরীক্ষা করার বিষয়ে আগ্রহ কম দেখাচ্ছে। যে সব বুথের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করা হয়, সেগুলোতে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সময় নির্ধারিত থাকলেও আগে ৩টার পরেও অনেকেই নমুনা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেন। কিন্তু এখন দুপুর ১টার পরেই বুথগুলো শূন্য হয়ে যায়। নমুনা পরীক্ষা করার জন্য কেউ আসে না। পরীক্ষা করার বিষয়ে মানুষের আগ্রহ অনেকটাই কমে গেছে। সে কারণে পরীক্ষাগারে নমুনা আসছে না এবং সংখ্যা কমে গেছে।

আরও কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্র্তৃক সুস্থতার সংজ্ঞা অনুযায়ী, এখন আর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করবার দরকার হচ্ছে না। অর্থাৎ সুস্থতা নিশ্চিতের জন্য কেউ এখন আর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করছে না। তাই পরীক্ষা কমে গেছে। এছাড়া পরীক্ষার জন্য মন্ত্রণালয় কর্র্তৃক কিছু ফি ধার্য করেছে, সে কারণেও কিছুটা কমতে পারে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, যাদের পরীক্ষার প্রয়োজন তারা অবশ্যই নমুনা দেবেন এবং পরীক্ষা করাবেন। দরিদ্রদের জন্য নমুনা পরীক্ষা এখনো ফ্রি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিন : গতকালের নিয়মিত বুলেটিনে অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ সময় মারা গেছেন ৩৯ জন। হাসপাতাল ও বাসা মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৭০৩ জন। এ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হলো ৯ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৭টি নমুনা, মোট শনাক্তকৃত রোগী ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯৪ জন। গড় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। মোট মারা গেছেন ২ হাজার ৩৯১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯৮ হাজার ৩১৭ জন। শনাক্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থতার হার ৫২ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন এবং নারী ৯ জন। সর্বোচ্চ ১৯ জন মারা গেছেন ঢাকা বিভাগে। এছাড়া খুলনায় ৭ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বরিশালে ৩ জন, রংপুর ও সিলেটে ২ জন করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন মারা গেছেন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন এবং বাড়িতে ৫ জন। মৃতদের মধ্যে ০-১০ বছরের ১ জন, ১১-২০ বছরের ১ জন, ৩১-৪০ বছরের ৩ জন, ৪১-৫০ বছরের ৬ জন, ৫১-৬০ বছরের ১৩ জন, ৬১-৭০ বছরের ১১ জন, ৭১-৮০ বছরের ৩ জন এবং ৮১-৯০ বছরের ১ জন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত