প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ৭ মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ হিসেবে ঘোষণায় সম্মতি দিয়েছে মন্ত্রিসভা

আনিস তপন: [২] সোমবার গণভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। দিনটিকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে দেশের সব জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণের বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রস্তাবটা নতুন করে আনার পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সভার সিদ্ধান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

[৩] মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ৭ মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তুর্ভুক্তকরণের জন্য মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, উচ্চ আদালত বছরের শুরুতে এক আদেশে ৭ মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সঙ্গে প্রতি উপজেলায় জাতির জনকের মুরাল নির্মাণের আদেশও দিয়েছিল।

[৪] খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ৭ মার্চ একটি ঐতিহাসিক দিবস এবং বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ইউনেস্কো তাদের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার পর ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

[৫] আনোয়ারুল বলেন, ৭ মার্চ, স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে সরকার অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে। তাই মন্ত্রিসভা আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর কোনো মুর‌্যাল করার প্রয়োজন নেই বলে মনে করে। কারণ ওই প্রোগ্রামের মধ্যেই অনেক কিছু আছে। হাই কোর্টকে এ জিনিসটি অবহিত করা হবে। পুরো যে প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হচ্ছে হাই কোর্ট সম্ভবত সে বিষয়ে অবহিত না। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এখন হাই কোর্টে বিষয়টি উপস্থাপন করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত