প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]স্টার্লিংয়ের হ্যাটট্রিকে ব্রাইটনকে ৫-০ গোলে হারালো ম্যানচেস্টার সিটি

 

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] ব্রাইটনের বিপক্ষে নামার আগের ম্যাচে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিপক্ষে পাঁচ গোল দিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। আর সেই সুখস্মৃতি নিয়ে ব্রাইটন অ্যান্ড হভ অ্যালবিওনের মাঠে নামে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। আর ঘরের মাঠেই ব্রাইটনকে গোল বন্যায় ভাসায় সিটিজেনরা। রহিম স্টার্লিংয়ের হ্যাটট্রিকে শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পায় সিটি।

[৩]লিগ শিরোপা হাতছাড়া হলেও মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলো জিতে শেষ টানতে চেয়েছিল সিটি। তবে তার মধ্যে বাগড়া দিয়ে দেয় সাউদাম্পটন। ঘরের মাঠে সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় সাউদাম্পটন। আর তার শোধটাই যেন গার্দিওলার শিষ্যরা নিয়েছিল নিউক্যাসেলের ওপর। নিউক্যাসেলের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জিতে ব্রাইটনের আতিথ্য নেয় সিটি।

[৪]নিউক্যাসেলের বিপক্ষের ম্যাচ তিন দিন আগে শেষ হলেও সেই মেজাজটাই যেন ধরে রেখেছিল সিটিজেনরা। নিউক্যাসেলের ম্যাচে যেখানে শেষ টেনেছিল ব্রাইটনের বিপক্ষে যেন সেখান থেকে শুরু করে স্টার্লিংরা। রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত একটায় মাঠে নামে দুই দল। ম্যাচে সিটিজেনদের গোল উৎসবের উদ্বোধন করেন রহিম স্টার্লিং।

[৫]ম্যাচের তখন চলছে মাত্র ২১ মিনিটে ব্রাইটনের ডি বক্সে বল পান গ্যাব্রিয়েল জেসুস, তবে তাকে চার্জ করতে আসা ডিফেন্ডারের কারনে গোল করার মতো পজিশন তৈরি করতে পারেননি এই ব্রাজিলিয়ান। কিন্তু জেসুসের সঙ্গে দুর্দান্ত কেমস্ট্রি রহিম স্টারলিংয়ের, জেসুসের ফিরতি বল পেয়ে যান ডি বক্সের ভেতরে। আর সেখান থেকে ডান প্রান্তের উপরের কর্নার দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন ব্রাইটনের জালে। সিটি এগিয়ে যায় ১-০ গোলের ব্যবধানে।

[৬]শুরুটা ২১ মিনিট থেকেই, এরপর অপেক্ষা ২৩ মিনিটের অর্থাৎ ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সিটি। এবার স্কোরশিটে নাম লেখান প্রথম গোলের যোগান দাতা গ্যাব্রিয়েল জেসুস। স্প্যানিশ মিড ফিল্ডার রদ্রির দুর্দান্ত এক অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন জেসুস। সেখানে শেষ প্রথমার্ধ, ২-০ তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সিটিজেনরা।

[৭]বিরতি থেকে ফিরে আবারও আক্রমণে সিটি। অপেক্ষা করতে হয়নি খুব বেশি সময়, দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর মিনিট আটেক পর দলের তৃতীয় গোলটি করেন রহিম স্টার্লিং। এবার স্টার্লিংয়ের গোলের যোগান দাতা রিয়াদ মাহারেজ। মাহারেজের দুর্দান্ত ক্রস থেকে কেবল মাথা ছোঁয়ানোটাই বাকি ছিল আর তা পূর্ণ করে নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন স্টার্লিং, সেই সঙ্গে সিটি এগিয়ে যায় ৩-০’তে।

[৮]তিন গোল দিয়ে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে সিটি, চতুর্থ গোল আদায় করে নিতে তাই মোটেই অপেক্ষা করতে হয়নি। ৫৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট থেকে এবার গোল করেন বার্নার্দো সিলভা। ব্রাইটনের জালে সিটির গোলের হালি পূর্ণ। তবে তখনও বাকি স্টার্লিংয়ের হ্যাটট্রিক। ম্যাচ থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া ব্রাইটন যেন দেখছিল দুঃস্বপ্ন। তবে দুঃস্বপ্নের তখনও অনেক বাকি।

[৯]নিজের হ্যাটট্রিকের জন্য মরিয়া স্টার্লিংকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ম্যাচের ৮১ মিনিট পর্যন্ত। ব্রাইটনের রক্ষণভাগের ভুল বোঝাবুঝিতে নিজের হ্যাটট্রিক তুলে নেন ইংলিশ তারকা ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে এটি তার ১৭তম গোল। ইপিএলের এবারের আসরে স্টার্লিংয়ের থেকে বেশি গোল করতে পেরেছেন কেবল মোহাম্মদ সালাহ, ড্যানি ইংস, এমরিক অবমেয়ং এবং জেমি ভার্দি।

[১০]দুর্দান্ত সিটির আগুনে ভস্ম হয়ে শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের ব্যবধানে হারে ব্রাইটন। আর এই নিয়ে টানা দুই ম্যাচে ৫-০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করল সিটিজেনরা। করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে ফুটবল মাঠে ফিরলে লিগে ম্যানচেস্টার সিটি মোট ম্যাচ খেলেছে ৭টি যার মধ্যে ৫টিতে জয় আর হেরেছে বাকি দুটিতে। এই ম্যাচগুলোতে সিটি মোট গোল করেছে ২৩টি, অর্থাৎ ম্যাচ প্রতি ৩টি গোলেরও বেশি আর এক ম্যাচে পাঁচ গোল করেছে তিনবার, চার গোল একবার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত