প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ছিটমহল ও চরাঞ্চলে প্রাণীসম্পদের উন্নয়নে ১২৯ কোটি টাকার প্রকল্প নিচ্ছে সরকার

সাইদ রিপন : [২] এ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদেন নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়ন করবে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর। পরিকল্পনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

[৩] প্রকল্পের ডিপিপিতে বলা হয়েছে, বিলুপ্ত ছিটমহল ও চরাঞ্চলের আমিষের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাণীসম্পদ খাতের উন্নত ও লাগসেই প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেয়া হবে। এর ফলে সারাদেশে নিরাপদ আমিষের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে পাবে।

[৪] রংপুর বিভাগের চারটি জেলায় ৯টি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের ৮৬টি বিলুপ্ত ছিটমহলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। এছাড়া রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের ৯টি জেলার ৪০টি উপজেলার ১৭৫টি ইউনিয়নের নদী বিধৌত ১ হাজার ৪টি চরের মোট ৪৭ হাজার ১২টি দরিদ্র পরিবার সরাসরি এ প্রকল্পের সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। ‘উত্তারঞ্চলের সীমান্তবর্তী সুবিধাবঞ্চিত ৮৬ এলাকা ও নদী বিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

[৫] ডিপিপি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প এলাকায় ৮৬টি বিলুপ্ত ছিটমহলে ৮ হাজার ৫৫০ পরিবার রয়েছে। বাকি পরিবার চরাঞ্চলের। উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করে বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সুফলভোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। যাদের নূন্যতম বসতবাড়ী আছে তাদের অনুদান দেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে পরিবার নির্বাচন করা হবে।

[৬] প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় আরও নানা ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ছাগল-হাঁস-মুরগির ভ্যাকসিন ও টিকা বাবদ ১৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। এছাড়া সুফলভোগী পরিবারে ৮ হাজার ৬৭৫ মেট্রিক টন প্রাণিখাদ্য বিতরণ করা হবে। প্রকল্প এলাকায় ৮টি হাঁস-মুরগি খামারে সেড, গোডাউন তৈরি করা হবে। মেডিসিন ও ভ্যাকিন প্রদর্শনীসহ প্রকল্প এলাকায় ২০১ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত