প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মামলার জট কমাতে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে, করোনা সংকট কেটে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ পিটশনের শুনানী

মনিরুল ইসলাম : [২] আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদে জানান, দেশে ৩২ লাখ মামলার জট রয়েছে। যারা বলছেন ৪০/৫০ লাখ তা সঠিক নয়। আমি হোম ওয়ার্ক করে এসেছি। তিনি বলেন আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম এ বছর ৬ লাখ মামলার নিষ্পত্তি করবো। ৬ মাস চলে গেলো কোভিড-১৯ এর কারণে। সরকার মামলা জট কি ভাবে কমানো তার সকল ব্যবস্থা নিচ্ছে।

[৩] আইনমন্ত্রী আরও জানান করোনাভাইরাস সংকট কেটে গেলে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ পিটিশনের শুনানি শুরু হবে।

[৪] মঙ্গলবার ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যকালে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

[৫] এর আগে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক (চুন্নু) ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্যকালে ষোড়শ সংশোধনীর সর্বশেষ অবস্থা জানতে চান। এবং ৪০থেকে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, এই সংসদে আমরা সংবিধান সংশোধনী করেছিলাম। ষোড়শ সংশোধনী। সেই সংশোধনীটা বাতিল করা হয়েছিল। তারপর আমরা তা আপিল করেছিলাম কিনা? আপিল করলে তার কী অবস্থা? আমরা জানি না। আইনমন্ত্রীকে বলবো, এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিন। আপনার প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। আপনার যোগ্যতার প্রতি আমাদের আস্থা আছে।

[৬] জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে একজন সংসদ সদস্য কথা বলেছেন। ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে রিভিউ পিটিশন হিসেবে আপিল বিভাগে আছে। যখনই করোনাভাইরাস আমাদের ছেড়ে যাবে তখনই শুনানি শুরু করবো।

[৭] প্রসঙ্গত, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছর সুপ্রিম কোর্টের নয় জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

[৮] এরপর ২০১৫ সালের ৫ মে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে আপিল করে এবং শুনানি শেষে ওই বছর ৩ জুলাই আপিল বিভাগ ওই আপিল খারিজ করে রায় দেয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের ১ আগস্ট। ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ রিভিউ পিটিশন করে।

সর্বাধিক পঠিত