প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা সংক্রামণের সময়ে কমলগঞ্জে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের প্রকোপ

সোহেল রানা, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : [২] আতঙ্কিত হয়ে রোগীরা প্রাইভেট ফিজিশিয়ানের কাছে চিকিৎসা সেবা নিয়ে নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেট চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

[৩] জানা যায়, উপজেলা সর্বত্রই মানুষজন ভাইরাল ইনফ্লোয়েঞ্জায় ভোগছেন। ইনফ্লয়েঞ্জার কারণে রোগীর জ্বরের সাথে স্বর্দি, কাশি,মাথা ব্যথা রয়েছে। জ্বর, স্বর্দি, কাশি,ও মাথা ব্যথার কারণে প্রথমেই আক্রান্তদের মাঝে করোনার ভয় শুরু হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রাইভেট চিকিৎসকদের কাছে গেলে তাদের দেওয়া পরামর্শে ডায়গনস্টিক সেন্টারে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায় ইনফ্লয়েঞ্জার সাথে রোগীরা টাইফয়েডে আক্রান্ত রয়েছেন। ইনফ্লয়েঞ্জা ও টায়ফয়েড আক্রান্ত কয়েকজন রোগী জানান, জ্বর, স্বর্দি, কাশি ও মাথা ব্যথা থাকায় প্রতিবেশীদের মাঝে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে।

[৪]কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ বাজার এলাকার প্রাইভেট চিকিৎসক ডা. নুরুল ইসলাম ও শমশেরনগর বাজারের প্রাইভেট চিকিৎসক ডা.শ্যামলেন্দু সেন শর্মা বলেন, এসময়টাই ইনফøয়েঞ্জা ও টায়ফয়েডের সংক্রমণকাল। এক এলাকায় ইনফ্লয়েঞ্জা শুরু হলে তা ভাইরাল হয়ে সর্বত্র ছড়াচ্ছে। আর এখন বৃষ্টির সময় হিসেবে পানি বাহিত রোগ টায়ফয়েডে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছেন।

[৫] ডা. নুরুল ইসলাম ও শ্যামলেন্দু সেন শর্মা বলেন প্রতিদিন তারা গড়ে ৩/৪ জন করে টায়ফয়েড রোগীর চিকিৎসা সেবা দিছেন। এসব রোগীরা বাসায় বিশ্রাম নিয়ে ফুটানো পানি পান করতে হবে। তবে ভয়ের কোন কারণ নেই বিশ্রামের সাথে নিয়মিত ঔষধ সেবন করলেই ইনফ্লয়েঞ্জা ও টায়ফয়েড রোগী সুস্থ্য হয়ে যাবেন।

[ ৬] কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়াও এখন কমলগঞ্জে ইনফ্লয়েঞ্জা ও টায়ফয়েড রোগের কথা স্বীকার করে বলেন ,আবহাওযার কারণে এ সময়ে এরোগ হয়ে থাকে। তবে এ রোগের প্রাদুর্ভাব তেমন দেখা যাচ্ছে না। সুতরাং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এদিকে সার্বক্ষনিক নজরদারি রাখছে বলেও তিনি জানান। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত