প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চট্টগ্রামে কৌশলে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের সদস্য গ্রেফতার

রাজু চৌধুরী: [২] গ্রেফতারকৃত আসামীরা হল, ১। আলমগীর হােসেন সাদেক( ৩৫), পিতা-মৃত আবুল হাসেম, মাতা-মাছুড়া হাসেম ২ । শাহিদা আক্তার (২০) স্বামী-আলমগীর হােসেন ৩। নুর আলম(৩০), পিতা-সুরাজ মিয়া মাতা-খালেদা বেগম, ৪। মনি আক্তার(২২), স্বামী-নুর আলম।পুলিশ জানায়, ২৮ জুন দুপুরে আকবরশাহ থানার টহল পুলিশকে ব্যবসায়ী নাম মােঃ মােশারফ হােসেন (৩৪), পিতা-মােঃ রমিছ উদ্দিন জানান, করােনা ভাইরাসের মহামারীতে স্যানিটাইজার, হ্যান্ড রাব, হ্যান্ড গ্লাস, হেড ক্যাপের চাহিদা থাকায় তিনি ফেসবুকের বিজ্ঞাপন দেখে গত ইং ২৪ জুন সন্ধ্যা ০৭:০০ ঘটিকার সময় Ctg bazar. com নামক অনলাইন প্রতিষ্ঠান হতে ক্রয়ের জন্য অনলাইনে অর্ডার করতে চাইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে অনলাইনে জানানাে হয় যে, নগদ টাকা নিয়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি মালামালের অর্ডার দেয়া যাবে এবং চট্টগ্রামস্থ আকবরশাহ থানা এলাকায় তাদের হােল সেলার দোকান রয়েছে যােগাযােগ করতে বলে।

[৩] পরবর্তীতে ২৫ জুন আকবরশাহ থানাধীন কর্নেলহাট বাজারে এসে তাদের দেওয়া নম্বরে ফোন করলে কর্নেলহাট ফুট ওভার ব্রীজের অপেক্ষা করতে বলে পরবর্তীতে আসামী আলমগীর হোসেন সাদেক আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলােনীস্থ মধ্যম জানারখিল বি ব্লকস্থ প্লট নং-১৪৪ আনােয়ার বেগম এর ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়া আসে।

[৪] ভবনটির তৃতীয় তলায় তুলেন এবং তাকে নারীর শ্লীলতাহানী করেছ বলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া তার ব্যবহৃত ০১টি, নগদ ৩০,০০০/-(ত্রিশ হাজার) টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তার নিকট নিকট ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে। এই সময় তাকে আটকে রাখে এবং চাঁদার দাবীতে বিভিন্নভাবে প্রহার করে। পরে তার ব্যবহৃত মােবাইল পরিচিত ব্যবসায়ী জাফর এর মােৰাইলে তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মুক্তিপন বাবদ আসামীদের বিকাশে টাকা প্রদান করতে হবে। তার পরিচিত ব্যবসায়ী জাফর বিভিন্ন বিকাশ নম্বর হইতে আসামীদের প্রদত্ত বিকাশ নম্বর ০১৮৫৭-৩৭৭৭৭৪ এ টাকা প্রদান করলে আসামীরা মোশারফ হোসেনকে ছেড়ে দেয়। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করেন।

[৫] এ বিষয়ে জানতে চাইলে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) মোঃ আরিফ হোসেন বলেন,”প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র যারা প্রতারনার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, দামি জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয় এবং মানুষকে আটকে রেখে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মুক্তিপণ দাবি করে।

[৬] এ বিষয়ে ভিকটিম আকবরশাহ থানায় মামলা দায়ের করেছেন, তদন্ত অব্যাহত আছে। আশা করছি খুব দ্রুতই এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামিরা ঘটনা স্বীকার করে ধৃত আসামীদের হেফাজত হইতে নগদ ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা উদ্ধার করে।

[৭] পুলিশের অভিযান টের পেয়ে সহযােগী আসামীরা কৌশলে পালাইয়া যায়। এ সংক্রান্তে বাদীর এজাহার দায়েরের প্রেক্ষিতে আকবরশাহ থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয় এবং গ্রেফতারকৃত আসামীদের আদালতে সােপর্দ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত