শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ

প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২০, ০৯:০৩ সকাল
আপডেট : ২৮ জুন, ২০২০, ০৯:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘খিদের চেয়ে করোনা ভালো!’ ফের কাজ খুঁজতে ঘর ছাড়ছেন উত্তরপ্রদেশের শ্রমিকরা

বাশার নূরু:[২] উত্তরপ্রদেশে ঘরে ফেরা ৩০ লক্ষ মৌসুমী শ্রমিকদের অধিকাংশই ফের কাজে ফিরছেন। তাদের কাছে খিদেতে মরার চেয়ে ভাইরাস সংক্রমণ ভালো। দেওরিয়া থেকে গোরক্ষপুরের বাসে ওঠার আগে এমনটাই সংবাদমাধ্যমকে জানান অনেক শ্রমিক। গোরক্ষপুর থেকে বিশেষ ট্রেন ছাড়ছে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের উদ্দেশ্যে। সেই ট্রেনে যাওয়ার জন্যই এই বাসযাত্রা।

[৩] মুম্বাইয়ের এক কাপড়ের দোকানে কাজ করা খোরশেদ এনডিটিভিকে বলেন, আমার সংস্থা এখনও বন্ধ। তাই একমাস আগে গ্রামে ফিরেছি। এখন নতুন কাজের খোঁজে আবার মুম্বাই যাচ্ছি। যদি আমার রাজ্যে কর্মসংস্থান থাকত, তাহলে আবার মুম্বাই ফিরতাম না। খিদের থেকে করোনা ভালো। আমার সন্তানরা করোনায় মরার চেয়ে আমি মরি, সেটাই ভালো।

[৪] কলকাতার এক সংস্থায় টেকনিশিয়ানের কাজ করা দিবাকর প্রসাদ সেই হোলির সময় গ্রামে ফিরেছিলেন। কিন্তু এরপর সংক্রমণ-বৃদ্ধি ও লকডাউনের কারণে আর কলকাতায় ফিরতে পারেননি। তবে, আনলক পর্বে তার প্রতিষ্ঠান খুঁলেছে। তাই দিবাকর প্রসাদ বলেন, আমি ভীত কিন্তু তার চেয়ে বেশি ভীত গ্রামে থাকতে। নিজে কী খাব? পরিবারকে কী খাওয়াবো? স্ত্রী-সন্তান-সহ তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাত।

[৫] এদিকে, সরকারি তরফে মনরেগা প্রকল্পের কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ইউপি ফেরা শ্রমিকদের। পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্পে প্রায় ৬০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এমনটাও শনিবার রাজ্য সরকার দাবি করেছে। কিন্তু তারপরেও দিল্লি, মুম্বাই, সুরাত ফেরার ঢল।

[৬] এ বিষয়ে এসি টেকনিশিয়ান মুহম্মদ আবাদের দাবি, সরকার এখানে প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই প্রকল্প আমাদের অবধি পৌঁছায় না। তাছাড়া মুম্বাইতে টাকা বেশি। এখানে থেকে সেটা পাব না। তাই খানিকটা বেকারের মতো থাকা। যেখানেই যাবেন আপনাকে শুনতে হবে কাজ নেই।

  • সর্বশেষ