শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের ২৫ বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ◈ ১৫ বছরে দেশের ২১ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, গ্লোবাল ফ্রড সামিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শহীদ মিনারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা, জানা গেল নেপথ্যের ‎কারন ◈ রহস্যে ঘেরা জাবি শিক্ষার্থী শারমিন হত্যা, স্বামী ফাহিম রিমান্ডে ◈ খালেদা জিয়ার কণ্ঠ নকল করে ২৬ কোটি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার সেই প্রতারক ◈ নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’র খবরে রহস্যের জট, এআই বিতর্কের পর এলো নতুন ভিডিও ◈ দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইবাদত বন্দেগিতে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর ◈ রেশনিং তুলে নেয়ার পর পাম্পে দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে ◈ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যোগ্যতা নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ঋণ নয়, বিনিয়োগে জোর—সঙ্গে ভাবনায় ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪৩ সকাল
আপডেট : ২৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নোয়াখালী হাতিয়ায় মানবিকতার অনন্য নজির ডা. নিজাম উদ্দিন

মাহবুবুর রহমান : [২] মঙ্গলবার রাত ১১টায় হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অসুস্থ ৫০ বছরের এক রোগী নিয়ে এলেন এক মহিলা। রোগীর আহাজারী শুনে সাথে সাথে এগিয়ে আসেন ডিউটি ডাক্তার নিজাম উদ্দিন। কাছে আসতেই রোগীর মুমূর্ষ অবস্থা দেখেই তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সিঁড়িতে বসেই চিকিৎসা দিতে থাকেন ডা. নিজাম উদ্দিন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি রোগীকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে না বাঁচাতে পেরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটের সামনে নুয়ে পড়েন ডাক্তার নিজাম উদ্দিন। এমন মানবিক ঘটনাটি পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

[৩] ঘটনাটি ঘটেছে, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে। মৃত পবন দাশ (৫০) নামের কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে সর্দি, জ্বর ও কাশিতে ৭ দিন আক্রান্ত থাকার পর রাতে চিকিৎসা নিতে আসা নোয়াখালীর আর তখন স্বামীর মৃত্যুর দেখেই সেই সময় স্ত্রীর আহাজারিতে ভেসে উঠে হৃদয়বিদারক এক পরিবেশ।

[৪] এ বিষয়ে ডা. নিজাম উদ্দিন বলেন, রোগীর স্বজনের চিৎকার শুনে আমি বেরিয়ে এসে রোগীর অবস্থা দেখে তখন তাৎক্ষণিকভাবে সিঁড়িতে বসে তার চিকিৎসা দিতে থাকি কিন্তু চিকিৎসার এক পর্যায়ে যখন সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে তখন নিজেকে খুব হতাশ মনে হয়। কিছুতেই যেন মানতে পারছি না, এভাবে রোগীর চলে যাওয়া। আরেকটু আগে আসলে রুগীকে হয়তো ভালো চিকিৎসা দিতে পারতাম। তাকে ভালো করার চেষ্টা করতে পারতাম। সময় মতো চিকিৎসা না দিতে পারায় আমি তখন কষ্টে হাত পা ছেড়ে দিয়ে হাসপাতালের সিঁড়তেই বসে পড়ে যাই। কারণ, ঐ মুহূর্তটা আমার কাছে ডাক্তার হিসেবে সবচেয়ে বড় কঠিন মুহূর্ত ছিলো। সম্পাদনা : হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়