প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোভিডের ঘা মধ্যবিত্তের ওপর

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে চলমান করোনা মহামারীর সময় সবচেয়ে দুর্বিপাকে রয়েছেন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। চাকরি নেই। আবার চাকরি থাকলেও বেতন নেমে এসেছে অর্ধেকে। বাড়িভাড়া, করোনা মোকাবিলায় সুরক্ষা ব্যবস্থা, খাদ্যসহ সন্তানসন্ততি নিয়ে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্তকে। যেটুকু জমানো টাকা ছিল, গত তিন-চার মাসে তাও শেষ। সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে এখন না পারছেন নিজেদের অভাব-অনটনের কথা প্রকাশ করতে, না পারছেন চলতে। ফলে বাধ্য হয়ে তারা এখন শহর ছাড়ছেন। নিরুপায় হয়ে হাত পাতছেন আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবদের কাছে। এমনকি ধর্মীয় ফান্ড (জাকাত) থেকেও আর্থিক সহায়তা চাইতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। দেশ রূপান্তর

গবেষকরা বলছেন, সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মধ্যবিত্তের। কারণ তাদের জমানো টাকা থাকে না। সব কষ্ট নীরবে সহ্য করেন। ক্ষুধার জ¦ালা মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কারও কাছে নিজেদের অভাব-অনটনের কথা বলতেও পারেন না। তারা লোকলজ্জার ভয়ে কারও কাছে বলতেও পারছেন না। আবার অনেক জনপ্রতিনিধি ও তাদের সেভাবে কোনো খোঁজ নিচ্ছেন না। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, মধ্যবিত্তের জন্য এখন টিকে থাকায় কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমনকি করোনা মহামারীর কারণে দেশের মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্তে রূপ নিচ্ছে। দরিদ্রদের সংখ্যা বাড়ছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, মার্চের শুরুর দিকে দেশে যেখানে দরিদ্রদের সংখ্যা ২১ শতাংশের মতো ছিল, সেটা এখন দাঁড়িয়েছে ৩৫-৪০ শতাংশ। অর্থাৎ আগে যেখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ছিল তিন কোটি, সেটা এখন হয়েছে সাড়ে ছয় কোটি। গবেষকরা আরও জানান, দেশের মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশই মধ্যবিত্ত। করোনার কারণে এদের ১৫-২০ শতাংশ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এমন সংকটকালে মধ্যবিত্তদের বাঁচাতে সরকারকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, মধ্যবিত্তের জন্য সবচেয়ে অসুবিধা যেটা তাদের ব্যাপারেই সবচেয়ে কম কথাবার্তা হচ্ছে। ভাবা হচ্ছে, এরা কোনোভাবে বেঁচে যাবে। একবেলা খাবে। কিংবা মেয়ের বিয়ে আপাতত দেবে না। বাসাবাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেবে। মানুষের ধারণা এরা একদম না খেয়ে মরবে না। ফলে মধ্যবিত্তকে বাঁচাতে হলে প্রথমত তাদের চিহ্নিত করে তাদের ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। এদের মূল কর্মক্ষেত্র সার্ভিস সেক্টরকে যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রের উচিত হবে সার্ভিস সেক্টরকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা। মধ্যবিত্তের জন্য যেসব কাজ, যেমন ক্ষুদ্র শিল্পতে বিনিয়োগ করা, ছোট পরিমাণ ঋণের সুবিধা, বাড়িভাড়া যাতে না বাড়ে, এসব কাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে মধ্যবিত্ত কিছু সুবিধা পাবে। সরকার মধ্যবিত্তের জন্য নির্দিষ্ট কিছু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।

পরিস্থিতির বর্ণনা করতে গিয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, পরিস্থিতি আসলে খুব কঠিন। কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। মধ্যবিত্তরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। সে জন্য তারা যেসব খরচ এড়ানো যায়, সেগুলো এড়িয়ে চলছে। সে জন্য তারা শহরের ভাড়া বাড়ি ছেড়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে। এককথায় বলতে গেলে কঠিন সময়। এখন তো আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, পরিচিতজনদের মধ্যেই করোনা দেখতে পাচ্ছি। দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মানুষের মধ্যে সচেতনতারও অভাব আছে।

মধ্যবিত্তের সংকটের কথা তুলে ধরে এ গবেষক বলেন, যারা চাকরি করত, অনেকের চাকরি চলে গেছে। অনেকের চাকরি আছে, বেতন পায় না। অনেকে পুরো বেতন পাচ্ছে না। মধ্যবিত্তরা চাকরির ওপর নির্ভরশীল। ছোটখাটো ব্যবসা করে। সেটাও তো পুরা বন্ধ। প্রাইভেট চাকরিতে তো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বেতন দিতে পারছে না। ছাঁটাই হচ্ছে। সে জন্যই মধ্যবিত্তের ওপর চাপটা বেশি। তাদের তো ওরকম সেভিংসও নেই। যেটুকু আছে, সেটা দিয়েই বা কত দিন চলবে। তিন-চার মাস তো হয়ে গেল। তাদের বেঁচে থাকার তো আর কোনো অবলম্বন নেই। সে জন্যই তারা বেশি চাপে রয়েছে।

মধ্যবিত্তের সুরক্ষায় বা বাঁচিয়ে রাখতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া যায় কি নাÑ জানতে চাইলে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যারা ছোট ব্যবসায়ী তারা সেটার সুযোগ-সুবিধা নিতে পারে। কিন্তু রোগটা যদি বন্ধ না হয়, তাহলে তো সব বন্ধ। ব্যবসাটা করবে কীভাবে? প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে তো লাভ নেই। সরকার যদি দেয়, তাহলে প্রথমে একেবারে দরিদ্রদের দেবে। মধ্যবিত্ত তো তাদের চিন্তায় নেই। সরকারের অত ক্ষমতাও নেই। সরকার এত অর্থ কোথায় পাবে? কিন্তু আসলে মধ্যবিত্তদের সাপোর্ট দেওয়া উচিত। মধ্যবিত্তের এ সংকট থেকে দেশে বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যক্তি খাতে অনেক ছাঁটাই হচ্ছে। পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে, তাহলে বেকারত্ব বাড়ার আরও আশঙ্কা রয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর অবশ্য মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে কষ্টে আছেন বলে মত দেন। তিনি বলেন, তারা চাকরিজীবী মানুষ বা ছোট ছোট বিজনেস চালান। এখন তাদের সেই চাকরি বা বিজনেস নেই। সেই কারণে তারা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই আমরা বলছিলাম, সরকারের থেকে যদি কিছু অর্থনৈতিক সহযোগিতা করা হয়, মাসে তিন-চার হাজার টাকা, তাহলেও কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়। কারণ তারা হঠাৎ করে আয়হীন হয়ে গেছে। তারা ৭০-৮০ হাজার টাকা বেতন পেত। এখন কিছুই পাচ্ছে না বা অর্ধেক পাচ্ছে। এখন জমানো টাকা খাচ্ছে। কিন্তু সেটা কয়দিন খাবে?

মধ্যবিত্তের টিকে থাকার সংকট প্রসঙ্গে এ গবেষক বলেন, মধ্যবিত্তের একটা অংশ টিকতে না পেরে শহর ছেড়ে গ্রামেও চলে যাচ্ছে। পারিপার্শ্বিকতার জন্য এটা সঠিক সিদ্ধান্ত। চাকরি নেই। বাড়িভাড়া কোথা থেকে দেবে। মানুষের প্রথম দিকে ছিল ভয় যে করোনার কারণে আমরা চলে যাই, চাকরি থাকলেও চলে যাই। এখন সেই ভয়টা অনেকটাই কেটে যাচ্ছে। কিন্তু এখন তো চাকরি চাইলেও পাবে না। বিশেষ করে একশ্রেণির মানুষের এখন কোনো কাজ নেই। যেমন ব্যক্তিগত গাড়িচালক, ছুটা বুয়া, ছোটখাটো দোকানদার, বাদাম-চানাচুর বিক্রেতা। সব মিলে সবকিছুই তো সংকুচিত হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত। মার্চের শুরুর দিকে দরিদ্রদের সংখ্যা ২১ শতাংশের মতো ছিল। এটা এখন ৩৫-৪০ শতাংশ হয়ে গেছে। ব্যাপকভাবে দরিদ্রদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তার মানে সাড়ে ছয় কোটি লোক দরিদ্র হয়ে গেছে। আগে ছিল তিন কোটি। এমনকি এই দরিদ্রদের যে পরিস্থিতি সেটা সাময়িক হবে, নাকি দীর্ঘস্থায়ী হবে, সেটা নির্ভর করবে অর্থনীতি কত তাড়াতাড়ি ঘুরে দাঁড়াবে, আগের অবস্থায় যেতে পারবে কি না, পারলেও কবে পারবে, সেটার ওপর। এ বছর তো হবে না। আগামী বছর কখন যাবে, সেটাই বিষয়।

সংকটকালে মধ্যবিত্তকে সামান্যতম হলেও কীভাবে একটু ভালো রাখা যায়Ñ জানতে চাইলে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, আমাদের তো সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। যেটা আছে, সেটা দান করা। রাইটস বেজড কোনো অ্যাপ্রোচ নেই। সব চ্যারিটি বেজড। সরকার দিলে দিল, না দিলে নেই। এ অবস্থায় অস্থায়ী কিছু ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো হতো। সেটা এ বাজেটে সরকার করেনি। আমরা বলেছিলাম, বেকারের জন্য কিছু ব্যবস্থা করা হোক। অন্তত ছয় মাস তাদের খাদ্যভাতা দেওয়া হোক। এর জন্য টাকা দিতে পারত বাজার করার জন্য। সেটাও সরকার করল না। সরকারের কিছু উদ্যোগ আটকে আছে। সেগুলো শুরু করতে হবে।

অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, চাকরিই মধ্যবিত্তের দৈনন্দিন আয়ের মূল উৎস। তারা মূলত সার্ভিস সেক্টরে কাজ করা মানুষ। এখন যেহেতু গোটা চাকরির বাজার সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে, এর প্রথম ধাক্কাটা এসেছে মধ্যবিত্তের ওপর। আগে দেশে গরিব (হতদরিদ্র) মানুষ মোট জনগোষ্ঠীর ২০ শতাংশ ছিল। আমাদের ধারণা, এখন সেটা ৪০ শতাংশের কাছাকাছি। এই শিক্ষক বলেন, হতদরিদ্র মানুষের সুবিধা হলো তাদের আয়ের উৎস কখনই একরকম ছিল না। সুতরাং তাদের আয়ের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার পথ থাকে। কিন্তু মধ্যবিত্তের সার্ভিস সেক্টরের বড় দুর্বলতা হচ্ছে, এটি একজন মানুষকে নির্দিষ্ট ধরনের কাজে অভ্যস্ত করবে। এর বাইরে অন্য ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতা তার থাকবে না। ফলে মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে, তাদের চাকরি চলে যাওয়া মানে হচ্ছে চতুর্দিক থেকে আঘাত পেতে শুরু করবে। কারণ তারা নড়াচড়া করার সুযোগ পাবে না।

মধ্যবিত্তের জন্য আরেকটা কষ্ট হচ্ছে সামাজিক মর্যাদাবোধের প্রশ্ন উল্লেখ করে এ গবেষক বলেন, মধ্যবিত্তের জীবনের একটা বড় অংশই এ মর্যাদা। চাকরি না থাকায় মধ্যবিত্তের সেই মর্যাদার জায়গাটাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া মধ্যবিত্ত এখন আর তার সেই নির্দিষ্ট জীবনযাপন স্টাইল রক্ষা করতে পারছে না। এ আঘাত তার জন্য তীব্র। মধ্যবিত্তের জন্য তার সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুদিকেই অভিঘাতটা অনেক বেশি তীব্র।

দেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে মধ্যবিত্ত শ্রেণির কষ্ট লাঘবের পথও নেই উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক বলেন, সরকার যে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিয়েছে, তাতে মধ্যবিত্তকে সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগই নেই। যেহেতু মধ্যবিত্ত নির্দিষ্ট ধরনের কাজেই অভ্যস্ত, তার সে ধরনের কাজের বিকল্প বের করাও কঠিন। করোনা মহামারীর কারণে মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি অংশ নিম্নবিত্তে নেমে আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমার ব্যক্তিগত ধারণা, আত্মীয়স্বজনের কাছে তারা যে পরিমাণ হাত পাতছে (বাইরে হাত পাততে না পেরে), কিংবা ধর্মীয়ভাবে (জাকাত ফান্ডের টাকা, সেটা প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে) তারা যে পরিমাণ সহযোগিতা চাইছে, তাতে যা মনে হচ্ছে মোট মধ্যবিত্তের ১৫-২০ শতাংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মধ্যবিত্তের একটা অংশ নিম্নবিত্তে নেমেছে। কারণ সব শ্রেণির মানুষই তার ধাপ থেকে কিছুটা নিচে নেমেছে। দেশে এখন সবচেয়ে গরিব ৪০ শতাংশ। এরপর ৩৫ শতাংশ মধ্যবিত্ত। বাকি ২৫ শতাংশ ধনী।

অন্যদিকে সন্তানসন্ততি নিয়ে চলতে না পেরে শহর ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। রাজধানীতে এখন টু-লেটের ছড়াছড়ি। বাসাভাড়ার এত বিপুলসংখ্যক বিজ্ঞাপন আগে কখনো দেখেনি এ শহরের মানুষ। কিছু কিছু বাড়ির মালিক মহামারীর সময়ে ভাড়া নিজ থেকেই কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ বাড়ির মালিক তা করেননি। ফলে মানুষ বাড়ি ছেড়ে দিয়ে গ্রামে যাচ্ছে। ভাড়াটিয়া পরিষদের তথ্যমতে, মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার পরিবার ঢাকা ছেড়েছে।

এ ব্যাপারে ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার বলেন, মার্চের পর থেকে ঢাকা শহরে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার নেই। তারা বাড়ি ছেড়ে গ্রামে চলে গেছে। কারণ বাড়িভাড়া দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তাদের নেই। সরকারের কাছে তিন মাসের বাড়ি ভাড়া মওকুফ চেয়েছিলাম। বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল মওকুফ চেয়েছিলাম। সরকার টুঁ-শব্দ পর্যন্ত করেনি। এমনিতেই কাজ নেই। তার ওপর বাড়িভাড়া। সব মিলে ভাড়াটিয়াদের অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমরা আমাদের এসব দাবির ব্যাপারে আদালতে রিট করব।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত