শিরোনাম
◈ ইরানের সঙ্গে সমঝোতার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রের আরব মিত্ররা ◈ ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ভেন‌্যু মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়াম ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন: মাহদী আমিন ◈ তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ডস ◈ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, নজরে বিনিয়োগ ও তিস্তা ◈ পার‌লো না বাংলা‌দেশ, ভারতের কাছে হেরে সেমির রেস থেকে ছিটকে গেলো ◈ নেপালে ফুটব‌ল নিষিদ্ধ করলো ফিফা! ◈ জিম্বাবুয়ের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ঘোষণা ◈ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ শহরে নয়, এবার গ্রামমুখী হতে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২০, ১১:৩২ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২০, ১১:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২০পালিত

ইসমাঈল ইমু : [২] বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রোববার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ নৌবাহিনী চিফ হাইড্রোগ্রাফার বিভিন্ন জাহাজ/ঘাঁটির সংস্থার মধ্যে একটি ভিডিও টেলিকনফারেন্সিংয়ের আয়োজন করে।

[৩] কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফি দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ে আলোচনা, হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কাজে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় ড্রোন এবং ডুবোযানসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

[৪] বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে ২০০৫ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘Hydrography-Enabling Autonomous Technologies’। সমুদ্রে নিরাপদ জাহাজ চলাচল, ব্লু-ইকোনমির উন্নয়ন, সামুদ্রিক পরিবেশ ও সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার ও তার নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সকলের নিকট গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরতে এ প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়।

[৫] বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থা (IHO) এর ৭০তম সদস্য এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্র অঞ্চলের সকল হাইড্রোগ্রাফিক কর্মকান্ডের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক কমিটি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে নৌবাহিনীর নেতৃত্বে জাতীয় পর্যায়ের সকল হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার মধ্যে সমুদ্র জরিপ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহের বিষয় সমন¡য় সাধন করে থাকে। এ কমিটি হাইড্রোগ্রাফির প্রচার-প্রসার, জাতীয় হাইড্রোগ্রাফিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞান ও কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

[৬] বাংলাদেশ নৌবাহিনী ইতিমধ্যে সমুদ্রে নিরাপদ নেভিগেশনের জন্য আন্তর্জাতিক মানের নটিক্যাল চার্ট তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেছে। নৌবাহিনীর তৈরীকৃত চার্টসমূহ বিশ¡ব্যাপী মেরিনারগণ তাদের বাণিজ্যিক জাহাজসমূহের সমুদ্রে নেভিগেশনের জন্য ব্যবহার করছে।

[৭] এছাড়া নৌবাহিনী বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের ৯টি আর্ন্তজাতিক সিরিজের চার্ট এবং ১১টি ইলেকট্রনিক নেভিগেশনাল চার্ট তৈরির সামর্র্থ্য অর্জন করেছে যা বিশ¡ব্যাপী মেরিনারদের জন্য সহজলভ্য করার প্রক্রিয়া চলছে। এর ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য প্রসারে এবং নিরাপদ নেভিগেশনে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়