প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৬০ হাজার কোটি টাকায় ১০০ দিনে দেশ করোনামুক্ত করা সম্ভব : আব্দুন নূর তুষার

ডেস্ক রিপোর্ট : সত্য-সঠিক পদক্ষেপ নিলে ১০০ দিনে দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নির্মূল করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেস্পন্সিবিলিটিজ’র (এফডিএসআরআর) উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার। এ ক্ষেত্রে খরচ হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা।

গতকাল শনিবার বিকেলে এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তুষার। তিনি জানান, জনপ্রতি ৩ হাজার ৭৪২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করে সত্য-সঠিক পদক্ষেপ নিলে সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ১০০ দিনে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে করোনামুক্ত করা সম্ভব।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নির্মূলে সম্ভাব্য কিছু ব্যয় দেখিয়েছেন ডা. আব্দুর নূর তুষার। এতে মোট ব্যয় হিসাবে চিকিৎসা খাতে ১০ হাজার কোটি টাকা, অতিরিক্ত জনবল বাবদ ১ হাজার কোটি টাকা, যাতায়াত-খাদ্য ও অন্যান্য খরচ বাবদ ৫০০ কোটি টাকা, গরিবদের খাবার ৪৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, ভলান্টিয়ার বাবদ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য ব্যয় বাবদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশকে করোনা সংক্রমণমুক্ত করতে সংক্রমণ কমিয়ে আনার ব্যাপারে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়া, খাদ্যনিরাপত্তা, ওষুধ ও চিকিৎসা নিরাপত্তা, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক আইনশৃঙ্খলাজনিত নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির চাকা চালু করার কথা বলেন তুষার।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ১০০ দিনের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধে টানা ২৮ দিন ও আরও ১৪ দিনসহ ৪২ দিন লকডাউন করতে হবে। সারাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে।

লকডাউন চলাকালীন সব সম্ভাব্য রোগীকে টেস্ট করার চেষ্টা করতে হবে। টেস্ট করা না গেলে লক্ষণের ভিত্তিতে শনাক্ত করতে হবে।

প্রথম ২৮ দিনে সব রোগী শনাক্ত হলে পরবর্তী ১৪ দিনে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন। পরবর্তী ১৪ দিনে এলাকায় ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কাজ শুরু হবে অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিটি লকডাউন এলাকার রোগমুক্ত হবে।

তখন লকডাউন করা এলাকায় বাইরের মানুষ আসা-যাওয়া সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। লকডাউন এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার, কোনো স্টেডিয়াম, খোলা জায়গায় আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে।

জ্বরের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিরা সেখানে আইসোলেটেড হবেন। সেখান থেকে যাদের হাসপাতালে নেওয়া দরকার তারা হাসপাতালে যাবেন। যাদের পরিবারের বাসা আছে তারা সেখানেই থাকবেন।

নতুন রোগ ও শূন্য মৃত্যু
লকডাউন এলাকায় সব রোগী শনাক্ত হয়ে যাবেন। শেষ না হলেও তারা হয় জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে উঠবেন অথবা হাসপাতালে যাবেন। সাত দিনের মধ্যে কমিউনিটিতে নতুন কোনো রোগ থাকবে না।

হাসপাতালে বাসায় পর্যাপ্ত ওষুধ-চিকিৎসাসামগ্রী, অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। শুধু অক্সিজেনসহ সব সেবামূল্য নির্ধারণ করে দিতে হবে। সুলভে মানসম্মত মাস্ক ও পিপিই পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

সব হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রকে কোভিড-১৯ সেবা দেওয়ার উপযুক্ত করে তুলতে হবে। যারা একদমই পারবেন না তারা রোগ শনাক্তকরণ ও পরীক্ষার কাজ করবেন। যারা সুস্থ হবেন তাদের মধ্য থেকে তরুণদের বাড়ি বাড়ি সেবা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত করতে হবে।

সব আক্রান্ত রোগীর ডাটাবেজ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করার পদ্ধতি প্রস্তুত করা থাকবে। একক নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা ও অ্যাম্বুলেন্স হটলাইন চালু করতে হবে। সব স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন পরীক্ষার পরিমাণ এক লাখে নিয়ে যেতে হবে। কোরিয়ান কিট ব্যবহার করে এখনকার চেয়ে কম খরচে এটি করা সম্ভব।

ফলে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণ অনেক কমিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব। ৯০ দিনের মাথায় সংক্রমণ জিরো এবং মৃত জিরো করা সম্ভব।

এরপর কেবল ছোট ছোট এলাকায় জ্বর হলে রোগী হাসপাতালে আসবে এবং তখন কোনো রোগীকে নির্ধারিত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া যাবে।

প্রতিটি এলাকায় আবৃত্তি ও মোবাইল এবং টেলিফিল্মভিত্তিক সার্ভিলেন্স থাকবে। প্রতিটি জ্বরের লক্ষণযুক্ত কেস রিপোর্ট হবে। অ্যাক্টিভ সার্ভিলেন্স বা পাহারাদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে।

প্রতি সপ্তাহে কোন এলাকা কতদূর পৌঁছাল তা গণমাধ্যমে বলতে হবে। তাতে মানুষ রোডম্যাপ জানবে। রোড ম্যাপ জানলে মানুষ স্বেচ্ছায় অংশ নেবে কষ্ট করবে।

শতভাগ অর্থনীতি চালু করার জন্য লকডাউন এলাকায় ধাপে ধাপে ৫০তম দিন থেকে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে সব অফিস ব্যাংক দোকান ও সিনেমা হল সব খুলে দেওয়া যাবে।

৬০তম দিনে বিমানবন্দর ও অন্যান্য বন্দর জনপরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। যদি ভাগে ভাগে সম্ভব হয় তবে এলাকা থেকে এলাকায় যাতায়াত ১০০ দিনের বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব অফিস তার পরবর্তী কাজ শুরু করবে।

সর্বত্র স্যানিটাইজার সাবান ও হাত ধোয়ার সরঞ্জাম এবং আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা করা থাকবে। মার্কেটে বাজারে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখা হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কাজের মধ্যে ১০০ দিনই নানাভাবে রাখা সম্ভব। তাদের জন্য নতুন কর্ম সৃষ্টি করতে হবে।

প্রাথমিক দরকার সমন্বয় ও নেতৃত্ব
একটি এক্সপার্ট প্যানেল গঠন, যেখানে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিরাপত্তা জনসংযোগে বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি থাকতে পারেন। তবে কমিটি বড় না হওয়া বাঞ্ছনীয়।

তারা পরামর্শ দেবেন প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক্সপার্ট কমিটির প্রধান হবেন, সচিব হলেন স্বাস্থ্যসচিব। এ কমিটি কাজ করবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির অধীনে আর একজন প্রধান কর্মকর্তা থাকবেন।

তিনি দ্রুততম সময়ে এই বিপদসংকুল সময় সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সমন্বয় করবেন। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মী দরকার। রাজনৈতিক কর্মী ও তরুণরা হবে অংশগ্রহণকারী কর্মী।

আরও থাকবে সকল এনজিও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও সদস্যরা। সারাদেশে প্রতিটি উপজেলাকে কেন্দ্র করে মোট ৫০০ মানুষের দল তৈরি করতে হবে।

জনবল
সবাইকে এনআইডি বা নিজের ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রত্যেকের রেফারেন্স হিসেবে অন্তত আরও দুজনের নাম দিতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে নিয়োজিত করতে হবে। প্রয়োজনে এলাকাভিত্তিক ডিজাস্টার আইন কার্যকর করে ডিজাস্টার এলাকায় সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

প্রতিরোধমূলক কাজ
কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন সম্পর্কে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, হাত ধোয়া, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স সম্পর্কে জানানো, কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগী থাকলে নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করতে বলা, এলাকার দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটর করা, যাতে তারা সঠিক সময় খোলা ও বন্ধ করে, বিদেশ থেকে আগত সম্পর্কে তথ্য নিয়ে সেটা যথাযথ স্থানে জানানো এবং এলাকার পাবলিক এরিয়া জীবাণুমুক্তকরণ।

দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো
এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে সেটা দ্রুত সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তরে পাঠানো। তাদের কাছে প্রতি সপ্তাহে দুবার খাবার পৌঁছানো। যারা একদম ছিন্নমূল তাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে খাবার প্রস্তুত ও বিতরণ।

গ্লাভস ও মাস্ক দেয়া এবং সেটা কীভাবে ফেলতে হবে সেটা শেখানো, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ, যারা অন্য কোনো কারণে অসুস্থ তাদের কাছে ওষুধ পৌঁছে দেওয়া, বৃদ্ধ যারা বয়সের ওপরে তাদের আলাদাভাবে তালিকা তৈরি করে বিশেষ যত্ন নেয়ার চেষ্টা করা, এলাকার কৃষক ও খাবারের সময় যারা তাদের বিশেষভাবে রক্ষার চেষ্টা করা।

চিকিৎসা
সরকারি হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেখানে কাজ করতে মেডিকেল ছাত্রছাত্রী ও ছাত্র রাজনীতিতে জড়িতদের যথাযথ পিপিই দিয়ে নিয়োজিত করা।

বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে সারাদেশে অন্তত ২০০ হাসপাতাল নির্বাচন করে সেখানে করোনা ইউনিট স্থাপন করতে সরকারকে বলা।

দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভেন্টিলেটর অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে দিতে বলা যেটা তারা আগামী তিন বছর ট্যাক্সের সাথে অর্ধেক অর্থ কিস্তিতে সমন্বয় করতে পারবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর কিনতে বলা।

অর্থ দরকার কত?
৫০০ উপজেলায় ভলান্টিয়ার সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। তাদের জন্য প্রতিদিন ৪০০ টাকা হারে মাসে ৬০০ কোটি টাকা। এটা লোকাল এমপি ও নেতারা বহন করবেন।

৫০০ উপজেলায় খাবার প্রদান- বাংলাদেশে হতদরিদ্র মানুষ দুই কোটি ৪১ লাখ। তাদের সকলকে একদিন খাওয়ালে খরচ হবে ৪৮২ কোটি টাকা। মোট এক মাসে খরচ ১৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা।

চিকিৎসা ব্যয়
মোট আক্রান্ত যদি ১২কোটি হয় সবার জন্য চিকিৎসা ব্যয় হবে না। তবে লকডাউন করলে এত রোগী হবে না। ছয় ভাগের একভাগেই হয়ে যাবে। মোট সুস্থ হয়ে যাবে ৯ কোটি ৬০ লাখ।

বাকি আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে যাবে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ লোক। এদের মধ্যে হতদরিদ্র হবে প্রায় ৬০ লাখ। এদের জন্য চিকিৎসা খরচ বাবদ ( পিপিই) ৩০০ কোটি টাকা।

ভেন্টিলেটর আইসিইউ খরচ ১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ওষুধবাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অন্যান্য সকল খরচ বাদে চিকিৎসা ব্যয় বাবদ মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা।

স্বল্পতম কর ৫ শতাংশে করোনা সংক্রান্ত সামগ্রী আমদানি করতে দেওয়া। মাস্ক ও অন্যান্য ফ্যাক্টরিতে উৎপাদনে সহায়তা।

ওষুধ বিতরণ, বিক্রয় ও রোগী পরিবহন
এলাকার ফার্মেসিগুলো খোলা রাখা। যারা ওষুধ কিনতে আসবেন সেখানেই তাদের ইনফারেট থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর দেখা। সকল জিপিকে (জেনারেল প্রাকটিশনার) তাদের চেম্বার খোলা রাখতে বলা।

সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখা। দমকল বাহিনীকে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা। ছোট ট্রাকের ওপরে ছাউনি দিয়ে দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তর করা।

বর্জ্য ব্যবস্থা
সব হাসপাতাল থেকে করোনা বর্জ্য নিষ্কাশনের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। ক্লিনারদের পিপিই প্রদান, এ কাজের সংযুক্ত সকলকে ট্রেনিং প্রদান। এলাকার করোনা বর্জ্য ডাম্পিংয়ের জন্য নিরাপদ স্থান নির্ধারণ ও মনিটরিং। করোনা আক্রান্তদের বাসাগুলো থেকে বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য সুইপারদের নিরাপত্তা প্রদান।

জনসংযোগ
দ্রুত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত লিফলেট প্রস্তুত ও বিতরণ, টিভিগুলোতে টিকার চালানো, দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ডিসপ্লেগুলিতে প্রচারণা, এলাকাভিত্তিক মাইকিং, প্রতি এলাকায় একটি মসজিদ থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর করোনা সংক্রান্ত তথ্য মাইকে বলা এবং ভলান্টিয়ারদের টিশার্ট দেওয়া যেখানে হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব সংক্রান্ত ছবিসহ নির্দেশ দেওয়া থাকবে।

সচ্ছলদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থা
এলাকাতে ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট তৈরি, হোম ডেলিভারি এবং শহর এলাকায় পাঠাও-উবার এসবে সাহায্য নেওয়া।
করোনা পরবর্তী পুনর্বাসন

চাষাবাদের জন্য ঋণ প্রদান, কৃষি সহায়তা, ব্যবসা সহায়তা এবং আপাতত তিন মাসের জন্য ১০ শতাংশের নিচে কৃষি জমি ক্রয় বিক্রয় বন্ধ করে রাখা, যাতে মানুষ করোনার কারণে ভূমিহীন না হয় বরং জমির বিনিময়ে ঋণ প্রদান করা। সূত্র : বাংলাদেশটুডের

সর্বাধিক পঠিত