শিরোনাম
◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ ◈ সোবহানার সেঞ্চুরি কা‌জে আস‌লো না, বাংলাদেশ নারী দল‌কে বড় ব‌্যবধা‌নে হা‌রি‌য়ে সি‌রিজ জিত‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া ◈ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ড ২১৯৩ জন ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাংচুর: ১ কোটি টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ হুতিরা কারা, কেন সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের লড়াই? ◈ টেস্ট ক্রিকে‌টে পেস বো‌লিং‌য়ে হাসান মাহমুদের নতুন অধ‌্যা‌য়ের সূচনা ◈ নেপালে আবারও আকস্মিক বন্যায় ৩৫ বাড়িঘর-সেতু বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র: নিরাপদে সরছেন বাসিন্দারা

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২০, ০৯:০৩ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০২০, ০৯:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঈদের দিনে বিধি ভেঙেছেন অনেকেই, ভাঙতে পারেননি আনন্দের বাঁধ

সালেহ্ বিপ্লব : [২] জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাতে নামাজ পড়েছেন মিনহাজুল আবেদীন। তিনি জানালেন, সাতটার একটু আগে জামাত শুরু হয়। পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় জামাত থেকে শৃঙ্খলা আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। গাদাগাদি করে নামাজে দাঁড়িয়েছেন সবাই।

[৩] তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা আলমগীর কবির আলম ঈদের নামাজ পড়েছেন রহিম মেটাল মসজিদে। তিনি জানালেন, প্রথমে ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম। নিয়মনীতি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি বলেন, কিছুই মানা হয়নি সেখানে। মানুষের ভিড় থেকে বাঁচার জন্য মসজিদের বাইরে একদম শেষ কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েছি।

[৪] তারপরও আনন্দ পাননি কেউই। কোলাকুলি করতে না পারায় বড়ো একটা শূন্যতা রয়ে গেছে সবার মনে।

[৫] হাতিরঝিল, সংসদ ভবন এলাকা, চন্দ্রিমা উদ্যানসহ কিছু বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরতে গেছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। সংখ্যা অন্যান্যবারের তুলনায় খুবই নগণ্য। কিন্তু তারা কেউই শারীরিক দূরত্ব মানেননি।

[৬] ঘরের ভেতর যারা ছিলেন, তারা কমবেশি বিধি মেনে চলেছেন। কেউ কেউ সীমিত পরিসরে শহরে থাকা বাবা-মা ও অন্য মুরুব্বীদের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন। কিন্তু মা-বাবাকে ঘিরে সব সন্তানের যে সামষ্টিক আনন্দ, সেটা হতে পারেনি। এক ভাই হয়তো স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মা-বাবাকে সালাম করে এসেছেন। তিনি চলে আসার পর গেছেন আরেক ভাই বা বোন। সচেতন যারা, তারা এভাবেই সীমিত পরিসরে বিধি মেনে বিভিন্ন বাসায় গেছেন।

[৭] বড়ো মোটামুটি মানিয়ে নিতে পারলেও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়েছে। পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে অনেকেই নতুন জামা-জুতোর আব্দার করেনি। কিন্তু ঈদের দিন সালামি নেয়ার যে তুমুল আনন্দ, সেটার অভাব বোধ করেছে তারা। বাবা-মায়েরা নানাভাবে বাচ্চাদের ব্যস্ত রেখে দিনটি পার করিয়েছেন। বিশেষ করে মায়েরা রান্নাবান্না, ঘর গোছানোর কাছে বাচ্চাদের সঙ্গে রেখে চেষ্টা করেছেন ঘাটতিটুকু পূরণের। তারপরও ঘুরেফিরেই শিশুকিশোরদের মুখে শোনা গেছে আক্ষেপের কথা।

[৮] আক্ষেপ নিয়ে দিনটি যারা পার করেছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখ করতে হবো ফটো সাংবাদিকদের কথা। কোলাকুলির দারুণ একটা শট নেয়া তাদের অনেক বছরের অভ্যাস। এবার তা হয়নি।

  • সর্বশেষ