প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দুর্নীতিতে রাজি না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] দুর্নীতিতে রাজি না হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকল্পের এক কর্মকর্তাকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী নিয়মবহির্ভুতভাবে বিতরণ করার জন্য বলা হলেও না মানায় একে এম মোমিনুল হক নামে ওই কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়।

[৩] গতকাল শুক্রবার টাঙ্গাইল মডেল থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন মোমিনুল। এজাহারে সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হুদা নবীন ও অজ্ঞাত ৮ জনকে আসামি করা হয়।

[৪] টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকল্পের কর্মকর্তা একে এম মোমিনুল হককে ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন মারধর করেছেন বলে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় দুর্নীতিতে রাজি না হওয়ায় তাকে পেটানো হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

[৫] একেএম মোমিনুল হক জানান, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী নিয়মবহির্ভুতভাবে বিতরণ করার জন্য সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন তাকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছিলেন। এই দুর্নীতিতে তিনি রাজি না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ৭/৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে তার কার্যালয়ে আসেন নবীন। এ সময় তিনি আরও চারজন সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করছিলেন।

[৬] উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বলেন, ওই চারজন সহকর্মীকে রুম থেকে বের করে দিয়ে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন নাজমুল হুদা নবীন। এক পর্যায়ে তিনি ও তার সহযোগীরা আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করেন। পরে আমি ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাই। টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি মামলা করি।

[৭] এদিকে মারপিটের পুরো ঘটনাকে বানোয়াট বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন। তিনি বলেন, ‘এক প্রতিবন্ধীর ভাতা নিয়ে তার (উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা) সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়েছে। মারপিটের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’ আমাদের সময়, ইত্তেফাক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত