প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বামপন্থী দলগুলোর যৌথ বিবৃতি
[১] ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সকল নিবর্তনমূলক আইন বাতিলের দাবি

মনিরুল ইসলাম : [২] অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নিবর্তনমূলক সকল আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে দেশে ক্রিয়াশীল বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো।

[৩] বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, বিরোধী মত ও বিরোধী দল দমন এবং কুৎসা প্রচার বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। এসংক্রান্ত সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

[৪] বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, বাসদ (মাহবুব) আহ্বায়ক সন্তোষ গুপ্ত, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সভাপতি নূরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ নাসু, সমাজতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার মোর্শেদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইমাম গাজ্জালী।

[৫] বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জনগণের কণ্ঠরোধ ও বাক স্বাধীনতা হরণের নীতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে বলেছেন, বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ যখন জরুরি, তখন সরকার বিরোধী মত দমনে উদ্যত হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণ চুরি, মাস্ক, পিপিই’র দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ ও মতামত প্রদানের কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে লেখক, সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট এবং সামাজিক মাধ্যমে অভিমত প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। বিনা ওয়ারেন্টে অনেককে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গুম এবং কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

[৬] বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, করোনা সংক্রমণকে ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতি হিসেবে আমলে না নেওয়ার ফলে সরকার যথাযথ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সমগ্র সমাজ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অর্থনীতির ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে। এতে গণতান্ত্রিক অধিকার লুপ্ত প্রায়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জনগণকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

সর্বাধিক পঠিত