শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৪৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ◈ বাদশা সালমানের রাজকীয় ফরমান, সৌদির শীর্ষ সরকারি পদে বড় পরিবর্তন ◈ স্ব‌স্তির জ‌য়ে জিম্বাবু‌য়ের বিরু‌দ্ধে হোয়াইটওয়াশ এড়া‌লো বাংলাদেশ ◈ ফরিদপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: উদ্ধারকাজ চলাকালে বাসচাপায় নিহত ৫ ◈ আইনি জটিলতায় এমবাপ্পে, হতে পারে তিন বছরের কারাদণ্ড ◈ ছয় মাসের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা: দায়িত্ব কমতে পারে কয়েকজন মন্ত্রীর, নতুন মুখ আসতে পারেন মন্ত্রিসভায় ◈ বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল মার্কিন দূতাবাস ◈ রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে জোর, নতুন ঋণ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা শুরু ◈ বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনা, প্রয়োজনে ছুটি বাতিল ◈ বন্যা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সমন্বিত পরিকল্পনা, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ০২ মে, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জন্মান্ধ মিজানের ৫ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ (ভিডিও)

টিভিএনএ রিপোর্ট: [২] বিরল প্রতিভার অধিকারী কুড়িগ্রামের মিজানুর রহমান। গ্রামের পাঁচ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ তার। গ্রাহকের নাম বললে বা মোবাইল নম্বরের শেষ দুই ডিজিট বলে দিলেই ওই নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দিতে পারেন তিনি। শুধু তাই নয় কোনও ঝামেলা ছাড়াই তিন বছর ধরে করে যাচ্ছেন মোবাইল ব্যাংকিং।

[৩] কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম টাঙ্গারিপাড়ার তিনি কৃষক মনতাজ আলী এবং মমিনা বেগম দম্পতির ছেলে মিজান। দুই ভাই বোনের মাঝে সে ছোট। বড় বোন মরিয়মের বিয়ে হয়ে গেছে।

[৪] জন্মান্ধ মিজান অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেছেন। তবে অভাবের কারণে পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে সংসারের হাল ধরতে ২০১৭ সালে ফ্লেক্সিলোডের দোকান দেন। এই ব্যবসা দিতে গিয়ে শুরুতে কিছুটা বিড়ম্বনার স্বীকার হলেও এখন আর কোনও সমস্যা হয় না তা।

[৫] তার মেধাশক্তি দিয়ে ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ, রকেটসহ টাকা লেনদেন করছেন। গ্রামের মানুষকে ফ্লেক্সিলোড দিতে দিতে এখন পাঁচ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ হয়ে গেছে।

[৬] মিজানুর রহমান জানান, শুরুতে কিছুটা সমস্যা হতো। কিন্তু এখন আর হয় না। চোখে না দেখলেও কোন বাটনে কোন সংখ্যা এটা মোবাইল সেটের ওপর হাত রেখে বলে দিতে পারি। ব্যবহার করতে করতে আমার সব জানা হয়ে গেছে।

[৭] মিজানুরের বাবা মনতাজ আলী বলেন, আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এরমধ্যে মিজানুর জন্ম থেকেই অন্ধ। অভাবের সংসারে মিজানের চিকিৎসা করার জন্য উলিপুর, রংপুর ও দিনাজপুর চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান বয়স হলে তার চোখ ভালো হতে পারে। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে মিজানের আর চিকিৎসা করা হচ্ছে না।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়