শিরোনাম
◈ বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ◈ নির্বাচনে জাপা ও এনডিএফ প্রার্থীদের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল ◈ সশস্ত্র বাহিনীসহ ১৬ সংস্থার সঙ্গে বৈঠক ইসির ◈ ইরানে বিক্ষোভে রক্তপাত বাড়ছে, হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ◈ ‘সোমালিল্যান্ড’ ইস্যুতে ইসরায়েলের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান, ওআইসিতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট ◈ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির গুলি, কিশোরী নিহত ◈ নির্বাচনের তফসিলের পরও বাড়ছে খুন-সন্ত্রাস: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগে দেশ ◈ ইংল‌্যান্ড দ‌লের ক্রিকেটাররা মদ্যপান করে না, একটু আধটু বিয়ার খায়!‌ ক্রিকেটারদের সাফাই গাই‌লেন কোচ ম্যাকালাম ◈ ভোটের মাঠে নেই নিবন্ধিত ৮ দল, বর্জনে কি অর্জন তাদের? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের আগে ১,২৪৮ জন খে‌লোয়াড়‌কে ডি‌জিটাল স্ক্যান! আসতে চলেছে ফিফার নতুন নিয়ম 

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ০২ মে, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জন্মান্ধ মিজানের ৫ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ (ভিডিও)

টিভিএনএ রিপোর্ট: [২] বিরল প্রতিভার অধিকারী কুড়িগ্রামের মিজানুর রহমান। গ্রামের পাঁচ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ তার। গ্রাহকের নাম বললে বা মোবাইল নম্বরের শেষ দুই ডিজিট বলে দিলেই ওই নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দিতে পারেন তিনি। শুধু তাই নয় কোনও ঝামেলা ছাড়াই তিন বছর ধরে করে যাচ্ছেন মোবাইল ব্যাংকিং।

[৩] কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম টাঙ্গারিপাড়ার তিনি কৃষক মনতাজ আলী এবং মমিনা বেগম দম্পতির ছেলে মিজান। দুই ভাই বোনের মাঝে সে ছোট। বড় বোন মরিয়মের বিয়ে হয়ে গেছে।

[৪] জন্মান্ধ মিজান অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেছেন। তবে অভাবের কারণে পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে সংসারের হাল ধরতে ২০১৭ সালে ফ্লেক্সিলোডের দোকান দেন। এই ব্যবসা দিতে গিয়ে শুরুতে কিছুটা বিড়ম্বনার স্বীকার হলেও এখন আর কোনও সমস্যা হয় না তা।

[৫] তার মেধাশক্তি দিয়ে ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ, রকেটসহ টাকা লেনদেন করছেন। গ্রামের মানুষকে ফ্লেক্সিলোড দিতে দিতে এখন পাঁচ হাজার মোবাইল নম্বর মুখস্থ হয়ে গেছে।

[৬] মিজানুর রহমান জানান, শুরুতে কিছুটা সমস্যা হতো। কিন্তু এখন আর হয় না। চোখে না দেখলেও কোন বাটনে কোন সংখ্যা এটা মোবাইল সেটের ওপর হাত রেখে বলে দিতে পারি। ব্যবহার করতে করতে আমার সব জানা হয়ে গেছে।

[৭] মিজানুরের বাবা মনতাজ আলী বলেন, আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এরমধ্যে মিজানুর জন্ম থেকেই অন্ধ। অভাবের সংসারে মিজানের চিকিৎসা করার জন্য উলিপুর, রংপুর ও দিনাজপুর চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে গেছিলাম। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান বয়স হলে তার চোখ ভালো হতে পারে। কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে মিজানের আর চিকিৎসা করা হচ্ছে না।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়