শিরোনাম
◈ ভারতে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব: পাকিস্তানে হাই অ্যালার্ট জারি ◈ ৬ মাসে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পরিশোধ করলো বাংলাদেশ ◈ আগে ঘুস ছিল ১ লাখ, এখন লাগে ১০ লাখ: আজম জে চৌধুরী ◈ পদত্যাগ করলেও মন্ত্রিপাড়ার সরকারি বাসা ছাড়েনি আসিফ ও মাহফুজ ◈ ডিম হামলা, হাতাহাতি, ভাঙচুর; ভোটের মাঠে কথার লড়াই কি সংঘাতে গড়াচ্ছে? ◈ স্ত্রী-সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমাকে জামিন দেওয়া হলো: সাদ্দাম (ভিডিও) ◈ চাঁদে আঘাত হানতে পারে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি ◈ তারেক রহমানের পাশে বসা ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি ◈ বিএনপি সরকার গঠন করলে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার আশা করি: জি-২৪ ঘণ্টাকে শেখ হাসিনা ◈ রমজানে মক্কা–মদিনায় তারাবিহ হবে ১০ রাকাত, সিদ্ধান্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের

প্রকাশিত : ০১ মে, ২০২০, ০৭:৩০ সকাল
আপডেট : ০১ মে, ২০২০, ০৭:৩০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]কিট পরীক্ষার অনুমতির পর যা বললেন ডা. জাফরুল্লাহ

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] সকল জটিলতার অবসান ঘটিয়ে দাবি অনুযায়ী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবনকৃত করোনা পরীক্ষার কিট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পরীক্ষার অনুমতি মিলেছে।

[৩] বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) চিঠির মাধ্যমে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী অনুমতি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

[৪]এদিকে কিট পরীক্ষার অনুমতি পাওয়ার পর সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, 'জনগণের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে আজ এক ধাপ অগ্রগতি হলো। এজন্য প্রধানমন্ত্রী এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। এর ফলে বিএসএমএমইউতে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে তাঁরা জানাবেন আমাদের দাবির সত্যতা কতটুকু।'

[৫]তিনি আরও বলেন, দুর্ভাগ্যবশত প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা বুঝলেও আমাদের অনেক আমলারা কিটের গুরুত্ব বুঝতে দেরী করে ফেলেছেন। সিডিসি এটার গুরুত্ব বুঝে আগেই চেয়ে পাঠিয়েছে। সম্ভাবনা না থাকলে তো তাঁরা পয়সা খরচ করতো না। সিডিসিকে আমাদের এক পয়সাও দিতে হচ্ছে না।'

[৬]বিএসএমএমইউতে কিট পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, 'সহজ ভাষায় বিষয়টি হচ্ছে সেখানে শ দুয়েক রোগীর কফ পিসিআরে পরীক্ষা করা হবে। ঐ ব্যক্তিদের থেকেই রক্ত নিয়ে আমাদের কিটে পরীক্ষা করা হবে। পরে পিসিআরের সাথে আমাদের কিটের ফলাফলের সামঞ্জস্যতা বা তারতম্য দেখা হবে। এরপর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অনুমোদনের বিষয়টি দেখবে।'

[৭]এ সময় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে কিটের সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেন। তিনি জানান, 'পিসিআর পদ্ধতি খুবই ভালো, এর যন্ত্রপাতির জন্য ৪০-৫০ লাখ টাকা লাগে। এই পরীক্ষার জন্য উচ্চ মানের টেকনিশিয়ান বা স্বাস্থ্যকর্মী দরকার। এ ছাড়া এই পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহকারী ব্যক্তির নিজের সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হলে, তাঁর মাঝে করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

[৮]অপরপক্ষে আমাদের পদ্ধতিতে এত যন্ত্রপাতির কোনো ঝামেলা নাই। যেকোনো স্বাস্থ্যকর্মী খুব সহজে রক্ত সংগ্রহ করে কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা করে ৫ থেকে ৭ মিনিটে ফলাফল জানিয়ে দিতে পারবে। যদি পজেটিভ হয় সেক্ষেত্রে একটা 'ডট' আসবে, নেগেটিভ হলে কোনো পরিবর্তন হবেনা।'

[৯]'দুর্ভাগ্যবশত প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টা বুঝলেও অনেক আমলারা এটা বুঝতে দেরী করে ফেলেছেন। সিডিসি এটার গুরুত্ব বুঝে আগেই চেয়ে পাঠিয়েছি। সম্ভাবনা না থাকলে তো তাঁরা পয়সা খরচ করতো না।' জানান তিনি।
সূত্র- আমার সংবাদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়